আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার ২০২৫” সফলভাবে আয়োজন ও সম্পন্ন করার জন্য সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা

স ম জিয়াউর রহমান,

রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার ১৩-১৬ ফেব্রুয়ারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

আগামী ১৩-১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ তারিখ চট্টগ্রামের একমাত্র পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে-ভিউ এ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার ২০২৫”। “রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার ২০২৫” এর বিভিন্ন ইভেন্টে কাজ করার জন্য দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান থেকে দরপত্র আহবান করা হয়। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল আজ ৯ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখ দুপুর ১২ঃ০০ টা পর্যন্ত। ৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ সকাল ১১ঃ৩০ মিনিটে রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার অর্গানাইজিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিহ্যাব চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির চেয়ারম্যান হাজী দেলোয়ার হোসেন।সভার সভাপতি “রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার ২০২৫” সফলভাবে আয়োজন ও সম্পন্ন করার জন্য সকলের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন।
দুপুর ১২ : ৩০ মিনিটে রিহ্যাব চট্টগ্রাম অর্গানাইজিং কমিটি ২০২৫ “রিহ্যাব চট্টগ্রাম ফেয়ার ২০২৫” এর ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানসমূহের জমাকৃত দরপত্র উন্মুক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের পরিচালক ও চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির কো-চেয়ারম্যান (১) মোহাম্মদ মোরশেদুল হাসান। তিনি বলেন এবারের ফেয়ার সম্পর্কে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারনা চালানো হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রিজিওনাল কমিটির সদস্য সৈয়দ ইরফানুল আলম, শারিস্থ বিনতে নূর, নুর উদ্দিন আহাম্মদ, জনাব মাঈনুল হাসান, ফেয়ার অর্গানাইজিং কমিটির সদস্য জনাব রেজাউল করিম, মোঃ জাফর, হৃষিকেশ চৌধুরী, এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজী, আশীষ রায় চৌধুরী, এস এম আদীবুল হুদা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ