আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

ভারতে টিকটক করে ফেরার পথে ২ ভাই আটক

সিলেট সংবাদদাতা :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতে টিকটক করে ফেরার পথে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের চালবন গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে মামুন মিয়া ও মাইনুদ্দিন। তাদের নিকট থেকে দুটি অ্যান্ড্রয়েড, বাটন ফোন, মোটর সাইকেল ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত আলামতসহ আটকদের রোববার রাতে থানায় সোপর্দ করে বিজিবি।

সিলেট সেক্টরের ২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের সুনামগঞ্জ অধিনায়নক (সিও বিজিবি) লে. কর্নেল একে এম জাকারিয়া কাদির বলেন, দুই বাংলাদেশি নাগরিক বিনা পাসপোর্টে অবৈধভাবে ভারতের মেঘালয় ষ্টেইটের কোন এক পাহাড়ি এলাকায় প্রবেশ করে রবিবার টিকটক ভিডিও ধারণ করতে।

এরপর ওই দিন বিকেলে ভারত থেকে ফেরার পথে ব্যাটালিয়নের চিনাকান্দি বিওপির বিজিবি টহল দল রাজাপাড়া সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করে। তিনি আরো বলেন, আটককৃতদের মোবাইলে ভারতে ধারণকৃত বেশ কিছু স্থির চিত্র (ছবি) ও ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চিনাকান্দির রাজাপাড়া সীমান্তের একাধিক লোকজন জানান, আটককৃত দু’জন টিকটক ভিডিও তৈরির জন্যই মূলত ভারতের মেঘালয়ে অনুপ্রবেশ করেছিল।

প্রসঙ্গত ,ব্যাটালিয়নের চিনাকান্দি বিওপির পার্শ্ববর্তী মাছিমপুর বিওপির ওপারে ভারতের মেঘালয়ে সুপারির চালানসহ অবৈধ অনুপ্রবেশ করায় মেঘালয়ের শিলং ১৯৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কড়াইগড়া ক্যাম্পের টহলদল বিশ্বম্ভরপুরের গামাইতলা খাসপাড়ার জয়নাল আবেদীনের ছেলে চোরাকারবারি সাইদুলকে গেল (৮ ডিসেম্বর) বুধবার গুলি করে হত্যা করে।

এরপর থেকেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এপার ওপার অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালানসহ যে কোন ধরণের অপতৎরতা প্রতিরোধে সীমান্তে বিজিবি’র নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিশেষায়িত পৃথক পৃথক টিম গঠন করে সিলেট সেক্টরের পুরো সীমান্ত এলাকায় নিরাপক্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে বিজিবি সিলেট সেক্টরের দায়িত্বশীল সুত্র নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ