অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতেই তাহিরপুর থানায় এসেছি ওসি দেলোয়ার

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন। তিনি যোগদানের পর কমে গেছে মাদকের ভয়বহতা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, জুয়া, চোরাচালান ও চাঁদাবাজিসহ অপরাধ মুলক কর্মকান্ড। বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বস্তিবোধ করছেন উপজেলার সকল শ্রেনীর মানুষ। তাঁর এ সফলতাকে সাধুবাদ জানিয়েছে সর্বস্তরের জনসাধারন।

সরেজমিনে ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ করেই পাল্টে গেছে তাহিরপুরের অপরাধ প্রবণতা। পাল্টে গেছে এ উপজেলার দৃশ্যপট। গা ঢাকা দিয়েছে অনেক অপরাধী। অপরাধীদের কেউ কেউ পেশা পাল্টে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে শুরু করেছে। পুলিশের কৌশলী ভূমিকার কারণেই ভেঙ্গে পড়েছে অপরাধীচক্রের নেটওয়ার্ক। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই উন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

 

তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের যুবদল নেতা, মো.কবির আহমেদ বলেন, থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ এর যুগান্তকারী পদক্ষেপের জন্য থানায় মামলার জট কমে গেছে, তাছাড়া তিনি তদন্ত ছাড়া কোন মামলা রেকর্ড করেন না। থানা পুলিশ সদস্যরা প্রত্যন্ত গ্রামগুলোয় সার্বক্ষনিক টহল জোরদার করায় আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির এই উন্নতি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

তাহিরপুর থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন যোগদানের পর থেকে থানা এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভুমিদস্যুতা সহ সকল অপরাধ কমে এসেছে। থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতিসহ ছিনতাইয়ের মত অপরাধ তার কঠোর হস্তক্ষেপে সহনশীল পর্যায় রয়েছে। বিভিন্ন অপকর্মে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় এলাকাবাসী ওসি দেলোয়ার হোসেন এর প্রশংসা করছেন।

তাহিরপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, তাহিরপুর থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে ইতিমধ্যে অনেক অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। থানা পুলিশ এলাকাবাসীকে সেবা প্রদান করার জন্য সব সময় প্রস্তুত। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের ধরতে এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পুলিশ অভিযান করছে।
তিনি বলেন, তাহিরপুরে যতদিন আছি ততদিন অপরাধীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করছি। অপরাধী যত বড় প্রভাবশালী হউক অপরাধ করলে ছাড় নাই। মাননীয় পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশে আমি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।

তিনি আরো বলেন, জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যায় ও নিষ্ঠার সঙ্গে আজীবন কাজ করে যাব। তাহিরপুর থানাকে সব ধরণের অপরাধমুক্ত ও একটি আদর্শ থানা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এ ধারা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। তিনি তাহিরপুরের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ভাল রাখার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

বর্ধিত বেতন মিলেনি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের কর্মীদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বর্ধিত বেতন ১ নভেম্বর পরিশোধের নির্দেশনা থাকলেও এখনো পাননি। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তার অবহেলাকে বেতন না পাওয়ার জন্য দায়ী করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) ১৭টি স্টেশনের মধ্যে ১৬টিতে বর্ধিত বেতন পরিশোধ করা হলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নুর হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্মচারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. হাকিম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দেশের অন্যান্য স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের বর্ধিত বেতন পেলেও শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মীরা তা পাননি। এ নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
কর্মচারীরা অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেনের অবহেলার কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় নথিপত্র বেবিচকের সদর দপ্তরে পাঠানো হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন পাননি তারা। পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়টিও নথি পাঠাতে বিলম্বের কারণ বলে অভিযোগ করেছেন কয়েকজন কর্মচারী।

অভিযোগের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কায়সার মোহাইমেন বলেন, কমচারীদের ৩১৯ ফাইল সদরদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে ৩০০টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, বাকি ১৯টি নথি দুয়েকদিনের মধ্যে অনুমোদন দেওয়া হবে এবং সবাই একসঙ্গে বেতন পাবেন। বাকি বিমানবন্দরে লোকবল কম। একারণে তারা দ্রুত অনুমোদন নিতে পেরেছেন এবং বেতন পেয়েছেন। কিন্তু আমাদের এখানে লোকবল বেশি। সবারটা অনুমোদন হয়নি। এ কারণে পরিচালক বলেছেন সবারটা অনুমোদন হলে একসঙ্গে ছাড় করার জন্য।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ