আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে তিনদিনের সফরে আসছেন আইএসপিএস প্রতিনিধিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে অষ্টমবারের মত পরিদর্শনে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের চার সদস্যের ইন্টারন্যাশনাল শিপ এন্ড পোর্ট ফ্যাসেলিটি সিকিউরিটি’র (আইএসপিএস) একটি প্রতিনিধি দল। জাহাজ চলাচল ও সার্বিক নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিদর্শনে আগামী ২১ জানুয়ারী তারা তিন দিনের সফরে আসবেন বলে জানা গেছে।

 

চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, সফরে আসা আইএসপিএস প্রতিনিধি দলে ইউএস কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তা লেফটেনেন্ট কমান্ডার খেইম ভি নাইজির নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নাম পাওয়া গেছে। অন্য সদস্যরা হলেন-মার্টিন এস ডুনুহুই, ইরভিং এ চিনট্রন এবং মিজ ক্রামির।

ওই কর্মকর্তা জানান, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে টু-ইন-টাওয়ারে ওয়ান-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র সরকার বিশ্বের যেসব দেশ থেকে জাহাজে পণ্য আমদানি রফতানি করে, সে সব দেশের বন্দর ও জাহাজের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে আইএসপিএস কোড চালু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের কোস্টগার্ডের মেরিটাইম রুলস অনুসরণ করে আইএসপিএস প্রতিনিধি দল ইতোপূর্বে আরো সাতবার চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছে। সর্বশেষ ২০২২ সালের আগস্ট মাসে তারা চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছিল। আগামী ২১

জানুয়ারি থেকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা তিনদিন এখানে অবস্থান করে চট্টগ্রাম বন্দর ইয়ার্ড, জেটি, সিএফএস (কন্টেনার ফ্রেইট স্টেশন), বন্দর গেইট, সিসিটিভি ক্যামেরা, বন্দরের সিকিউরিটি বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা এবং পোর্ট

ফ্যাসিলিটিজ’র আওতাধীন কয়েকটি আইসিডি পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বিশেষ করে বন্দরে হ্যান্ডলিংকৃত পণ্য স্ক্যানিং, সিসিটিভি ক্যামেরা, লোকবল, পণ্য তল্লাশির ধরণসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত সার্বিক বিষয়গুলো তারা দেখে থাকেন।

চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) নীতিমালা অনুসরণ করে। আইএমও বিশ্বের বন্দর সমুহের জাহাজ চলাচল ও নিরাপত্তা রক্ষায় আইএসপিএস কোড বাস্তবায়নে সহায়তা দেয়। সেহেতু চট্টগ্রাম বন্দর এই আইএসপিএস কোড অনুসরণ করে তাদের নির্দেশিত কমপ্লায়েন্স বাস্তবায়ন করছে শুরু থেকেই। যুক্তরাষ্ট্র যে সব দেশ থেকে তৈরী

পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য আমাদনি করে সে সব দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। তৈরী পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে চীন এবং তাইওয়ানের পর বাংলাদেশের অবস্থান। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের গুরুত্ব প্রণিধানযোগ্য। পানি পথে পণ্য পরিবহন ব্যবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দর এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য।

আইএসপিএস প্রতিনিধি দল তাদের সফর শেষে প্রতিবারই চট্টগ্রাম বন্দরের কিছু উন্নয়নমুলক পরামর্শ দিয়ে থাকে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এসব পরামর্শ গুরুত্ব সহকারে নিয়ে বাস্তবায়ন করে। ফলে আইএসপিএস প্রতিনিধি দল তাদের কোড বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং তা ধরে রাখার বিষয়ে বিভিন্ন সময় পরিদর্শন এবং অগ্রগতি রিপোর্ট প্রদান করে। যে সব বন্দরে আইএসপিএস কোড অনুসরণ পুরোপুরি হয় না, সে সব বন্দরকে একটি সময় দিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোডের শর্ত পূরণের সময় দেয়া হয়। যে সব বন্দর এতে ব্যর্থ হয় সেগুলোকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। কালো তালিকাভুক্ত বন্দর দিয়ে আমেরিকায় কোন পণ্য পরিবহন করা যায় না। ২০০৪ সাল থেকে আমেরিকান কোস্টগার্ডের আইএসপিএস প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন শুরু করে।

ইতোপূর্বে তারা চট্টগ্রাম বন্দরে সর্বাধুনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে সব শর্ত পূরণের তাগাদা দিয়েছিল, তা পূরণ করে আসছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ ২০২২ সালের আগস্ট মাসে আইএসপিএস প্রতিনিধি দলে সর্বশেষ সফরে এসেছিলেন। তারা কয়েকটি আইসিডিসহ চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো পরিদর্শন করে সন্তোষজনক রিপোর্ট প্রদান করেছিলেন। প্রায় আড়াই বছর পর আবারো আইএসপিএস কোডের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক জানান, আগামী ২১ থেকে ২৩ জানুয়ারি তিনদিন তারা চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম ও স্থাপনা পরিদর্শন করার কথা রয়েছে। প্রতিনিধি দল জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তার বিষয়টি মূল্যায়ন করবে এবং কয়েকটি বেসরকারী কন্টেইনার ইয়ার্ড পরিদর্শন করবে।

চট্টগ্রাম বন্দর সচিব জানান, আইএসপিএস প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন নিয়মিত বাণিজ্যিক সুযোগ সুবিধা ও বন্দর উন্নয়নের অংশিদারিত্বের অংশ। তারা আমাদের দেশ থেকে তৈরী পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য নিয়ে থাকে। সেজন্য তাদের প্রেসক্রিপসনের কমপ্লায়েন্সগুলো বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা তা দেখে থাকেন।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রমে আত্মসমর্পণকারী ১২৭ জন জলদস্যুর মাঝে র‌্যাবের ঈদ উপহার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে আত্মসমর্পণকারী ১২৭ জন সাবেক জলদস্যুর মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছে র‌্যাবের চট্টগ্রাম ইউনিট। বুধবার চট্টগ্রাম ইউনিটের সদর দপ্তর পতেঙ্গা এলিট হলে র‌্যাব মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, বাঁশখালী ও পেকুয়া উপকূলীয় অঞ্চলের আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের মাঝে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।একইসঙ্গে তাদের বর্তমান জীবনযাপন নিয়ে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

র‌্যাব জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংস্থাটি অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করে আসছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম অঞ্চলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, ডাকাত, চাঁদাবাজ, খুনি ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে সফলতা অর্জন করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের ধারাবাহিক অভিযানে ২০১৮ ও ২০২০ সালে ৭৭ জন এবং ২০২৪ সালে আরও ৫০ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করে। আত্মসমর্পণের পর তাদের পুনর্বাসনে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হলে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে বলে জানায় সংস্থাটি। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম র‌্যাবের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিরা র‌্যাবের কল্যাণমূলক উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং অপরাধমুক্ত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তারা ভবিষ্যতে সৎ ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ডিসির নির্দেশে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে শ্রমিকদের ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার হস্তক্ষেপে অবশেষে নগরের বায়েজিদ এলাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। জেপি সনেট লিমিটেডের মালিকপক্ষ বুধবার (১৮ মার্চ) কারখানার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে প্রায় ১৬ লাখ টাকা শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করতে বাধ্য হয়েছে।

জানা যায়, ডিসির নির্দেশে কারখানার যন্ত্রপাতি তাৎক্ষণিকভাবে ১৬ লাখ টাকায় বিক্রি করে মালিকপক্ষ। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ভোরে সেই অর্থ শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।কারখানার মালিকপক্ষের প্রতিনিধি সজিব দাস বলেন, আমরা বিভিন্নভাবে টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রপাতি বিক্রি করেই শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করতে হয়েছে।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হওয়ায় কোনো ধরনের ভাঙচুর বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।কারখানার সিনিয়র অপারেটর মো. মনির হোসেন বলেন, ডিসি স্যার প্রথমে নিজে টেলিফোনে সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।তিনি অচলাবস্থা সার্বক্ষণিকভাবে অফিসারদের মাধ্যমে মনিটরিং করেন। এছাড়া তিনি মালিকপক্ষকে সতর্ক করে দেন—প্রয়োজনে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে হলেও বকেয়া পরিশোধ করতে হবে, না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরপরই মালিকপক্ষ তালবাহানা বন্ধ করে।

শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বায়েজিদ থানার সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শ্রমিক অসন্তোষের খবর পেয়ে তিনি স্থানীয় থানায় গিয়ে পুলিশ পাঠানোর অনুরোধ করেন এবং উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন।তিনি বলেন, ডিসি স্যার হস্তক্ষেপ না করলে ঈদের আগে শ্রমিকরা তাদের পাওনা পেতেন না।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস জানান, প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া পরিশোধের সক্ষমতা ছিল না। জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশে আমরা যন্ত্রপাতি ও স্টক মালামাল বিক্রির ব্যবস্থা করি। প্রথমে ক্রেতা গড়িমসি করলেও ডিসি স্যার কঠোর অবস্থান নেওয়ায় তিনি রাজি হন। রাত ১২টার দিকে সমঝোতা হয় এবং ভোর ৬টায় পুরো টাকা পরিশোধ করা হয়।

চট্টগ্রাম কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুল হাসান বলেন, আমাদের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আছে। তবে জেলা প্রশাসকের সক্রিয় ভূমিকার কারণে মালিকপক্ষ বাধ্য হয়েছে বকেয়া পরিশোধ করতে। জেলা প্রশাসক বারবার খোঁজ নিয়েছেন এবং স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন—শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে কারখানায় সার্বক্ষণিকভাবে মোতায়েন করা হয়। ঈদের আগে তিন মাসের বেতন বকেয়া এবং শ্রমিকদের দুর্দশার কথা বিবেচনা করে যন্ত্রপাতি বিক্রি করার মতো কঠোর নির্দেশ দিতে হয়েছে।

জানা গেছে, কয়েক মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা নিয়ে সৃষ্ট এই শ্রম অসন্তোষের সূত্রপাত হয় গত ১৪ মার্চ, যখন প্রায় ১৩০ জন শ্রমিক তিন মাসের বেতন-ভাতার দাবিতে কারখানার ভেতরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ১৬ মার্চ জেলা প্রশাসন, মালিকপক্ষ, শ্রমিক প্রতিনিধি, শিল্প পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মালিকপক্ষ যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে বকেয়া পরিশোধের লিখিত অঙ্গীকার করে।

তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে ১৭ মার্চ রাত পর্যন্ত সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। নারী শ্রমিকসহ অনেকে কারখানায় অবস্থান অব্যাহত রাখেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, মালিকপক্ষ সময়ক্ষেপণ করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। পরে ১৮ মার্চ ভোরে যন্ত্রপাতি বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১৬ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। এর আগে মোট পাওনার মধ্যে ১ লাখ টাকা আংশিক পরিশোধ করা হয়েছিল।জেলা প্রশাসন জানায়, শ্রমিকদের পাওনা নিশ্চিত করতে মালিকপক্ষ, ক্রেতা ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হয়েছিল এবং প্রশাসনের উপস্থিতিতেই অর্থ বিতরণ সম্পন্ন হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ