আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

মজমুল হক আলতু মেম্বার শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা থেকে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকাণার প্রতাপপুরের “মজমুল হক আলতু মেম্বার শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের” উদ্যোগে দরিদ্র ছাত্র ছাত্রী, এতিম ও অসহায়ের মাঝে শীতবস্ত্র ( কম্বল) বিতরণ করা হয়।

নেত্রকোণা সদর উপজেলার প্রতাপপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

“মজমুল হক আলতু মেম্বার শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের” প্রতিষ্ঠাতা  উক্ত কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক আজাদ ইমরান এর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও প্রতাপপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমান, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের ময়মনসিংহ বিভাগীয় সভাপতি সাংবাদিক শামীম তালুকদার, আব্দুল মান্নান নন্দন, আবুল কালাম, দেলোয়ার হোসেন সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকবৃন্দ।

“মজমুল হক আলতু মেম্বার শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশনের” উদ্যোগে নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলার ৪নং সিংহের বাংলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৩০০শত গরীব ছাত্র ছাত্রী, এতিম ও অসহায় পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র( কম্বল) বিতরণ করা হয়।

“মজমুল হক আলতু মেম্বার শিক্ষা কল্যাণ ফাউন্ডেশন” ২০২০ সাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন মূলক ও সামাজিক সহায়তা মূলক কাজ করে আসছে। এলাকার হতদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মধ্যে ঈদ, রোজা ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে এই ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে নানান ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করে থাকেন।

প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও পরিচালক তাদের বক্তব্যে এই ফাউন্ডেশনের এর মাধ্যমে আগামীতে আরও উন্নয়ন মূলক কাজ অব্যাহত রাখার জন্য সকলের সহায়তা করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তাপমাত্রা কোথাও কোথাও নামতে পারে ৫-৭ ডিগ্রিতে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিনে আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ অবস্থায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এ পূর্বাভাস দিয়েছেন।

আবারও তাপমাত্রা কমে ১২ জেলার উপর শৈত্যপ্রবাহ নিজের ফেসবুক পোস্টে আবহাওয়াবিদ পলাশ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। সকাল ৬টার দিকে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও লেখেন, আগামী শনিবার ১০ জানুয়ারি ও রোববার ১১ জানুয়ারি শৈত্যপ্রবাহ আরও তীব্র হতে পারে। এ সময় রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।

পোস্টে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টায় রাজশাহী জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও গোপালগঞ্জে ৭ ডিগ্রি, যশোরে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি, পঞ্চগড়ে ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি এবং ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আবহাওয়াবিদ পলাশ জানান, বুধবার সকাল ৬টার মধ্যে দেশের ৮ বিভাগের মধ্যে ৫টি বিভাগের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে।

যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি আকার ধারণ করেছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে যশোরে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো । এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে হাড়ে কাঁপন লেগেছে।

যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

যশোরের শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কৃষক বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চলছে। ক্ষেতে সেচ চলছে। জমির পাক শেষ হলেও রোপনের জন্য শ্রমিক মিলেছ না প্রচন্ড শীেেতার জন্য। একই গ্রামের দিনমুজুর বাবুল হোসেন বলেন, আমি ক্ষেতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চললেও ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

নাভারন এলাকার রিকশা ভ্যানচালক আবুল হাসান বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি। গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

ইয়ানূর রহমান : যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি আকার ধারণ করেছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে যশোরে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো । এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে হাড়ে কাঁপন লেগেছে।

যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

যশোরের শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কৃষক বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চলছে। ক্ষেতে সেচ চলছে। জমির পাক শেষ হলেও রোপনের জন্য শ্রমিক মিলেছ না প্রচন্ড শীেেতার জন্য। একই গ্রামের দিনমুজুর বাবুল হোসেন বলেন, আমি ক্ষেতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চললেও ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

নাভারন এলাকার রিকশা ভ্যানচালক আবুল হাসান বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি। গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ