আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

তারেক রহমান ৩১ দফা দিয়েছে স্বৈরাচার সরকার আর যাতে আসতে না পারে – ব্যারিস্টার মীর হেলাল।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, তারেক রহমান ৩১ দফা দিয়েছে হাসিনার মত স্বৈরাচার সরকার আর যাতে আসতে না পারে। কতটুকু উদার হলে ৩১ দায় তিনি বলেছেন দু’বারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেনা । শিক্ষক ডাক্তাররাও যাতে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে সেজন্য দিকে বিশিষ্ট সংসদ করা হবে। বেকারদের জন্য বেকার ভাতা চালু করবেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যতবার সংকটে পড়েছে, জিয়া পরিবারই উদ্ধার করেছে। জিয়া পরিবার বাংলাদেশীদের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতা লোভী ছিলেন না, যুদ্ধ করে ক্যান্টনমেন্টে ফিরে গিয়েছিলেন। ৭৫ সালে ৭ নভেম্বর জাতির ক্লান্তিকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হাল ধরেন। ৯০ এর গণঅভ্যুত্থান এরশাদের পতনের নেতৃত্ব দেন তারই সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া। ২০২৪ এ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা পতনে নেতৃত্ব দেন শহীদ জিয়ার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান।
নির্বাচনী এলাকা হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়ন আয়োজিত বিএনপি ষোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বায়োনের লক্ষ্যে গণসমাবেশে ব্যারিস্টার মীর হেলাল নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজিতে জড়ালে সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

ফরহাদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রহমতুল্লাহ মেম্বার এর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জাসাস এর সভাপতি এবং ফরহাদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ দল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ব্যারিষ্টার মীর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব সৈয়দ আজম উদ্দিন, এতে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ, হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব জাকের হোসেন, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. গিয়াসউদ্দিন চেয়ারম্যান, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ডাঃ রফিকুল আলম চৌধুরী, হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব মো. অহিদুল আলম, হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এমএ শুক্কুর কাউন্সিলর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বি এন পি নেতা এস এম ফারুক, উপজেলা বিএনপির সি: সদস্য হাকিম উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল আলম জনি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদীন

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক লায়ন আনোয়ার হোসাইন উজ্জ্বল,চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ কবির চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও হাটহাজারী উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মো. তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি, হাটহাজারী উপজেলা কৃষক দল নেতা মো. শাহাদাত হোসেন চেয়ারম্যান, সাবেক ছাত্রনেতাএডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী রনি
জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৈয়ব জুলুস হাটহাজারী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো. ফখরুল হাসান, সদস্য সচিব মো. নুরুল কবির
তালুকদার, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিএম সাইফুল ইসলাম, হাটহাজারী উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. এমরান চৌধুরী, , হাটহাজারী পৌরসভা ছাত্রদলের আহবায়ক রেজাউল করিম চৌধুরী রকি, সদস্য সচিব মো. শাহেদ খাঁন, ফরহাদাবাদ ইউনিয়ন

বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে নাসির উদ্দিন খোকন,নুরুল ইসলাম, সরোয়ার ইসলাম সুমন,জসিম উদ্দিন
তালুকদার, সেলিম জাহাঙ্গীর, মান্নান কোম্পানি, ইউসুফ টিপু ,এরশাদ শিকদার, ইসলাম কোম্পানি, সেকান্দর আলী, জাহেদুল ইসলাম যুবদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে হান্নান তালুকদার জামাল আল দীন,জাবেদ মন্দাকিনী, আবু বক্কর, মো শাহজাহান, কাজী মহসিন সাব্বির হোসেন নয়ন, মোঃ ইব্রাহিম, আলমগীর রানা, মোঃ মামুন হাসান,ইকরাজ নেওয়াজ খসরু, আলফাজ, শাকিব, জুলফিকার প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ