আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

তারেক রহমান ৩১ দফা দিয়েছে স্বৈরাচার সরকার আর যাতে আসতে না পারে – ব্যারিস্টার মীর হেলাল।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, তারেক রহমান ৩১ দফা দিয়েছে হাসিনার মত স্বৈরাচার সরকার আর যাতে আসতে না পারে। কতটুকু উদার হলে ৩১ দায় তিনি বলেছেন দু’বারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেনা । শিক্ষক ডাক্তাররাও যাতে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে সেজন্য দিকে বিশিষ্ট সংসদ করা হবে। বেকারদের জন্য বেকার ভাতা চালু করবেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যতবার সংকটে পড়েছে, জিয়া পরিবারই উদ্ধার করেছে। জিয়া পরিবার বাংলাদেশীদের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। জিয়াউর রহমান ক্ষমতা লোভী ছিলেন না, যুদ্ধ করে ক্যান্টনমেন্টে ফিরে গিয়েছিলেন। ৭৫ সালে ৭ নভেম্বর জাতির ক্লান্তিকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হাল ধরেন। ৯০ এর গণঅভ্যুত্থান এরশাদের পতনের নেতৃত্ব দেন তারই সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া। ২০২৪ এ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা পতনে নেতৃত্ব দেন শহীদ জিয়ার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান।
নির্বাচনী এলাকা হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়ন আয়োজিত বিএনপি ষোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বায়োনের লক্ষ্যে গণসমাবেশে ব্যারিস্টার মীর হেলাল নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজিতে জড়ালে সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

ফরহাদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রহমতুল্লাহ মেম্বার এর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জাসাস এর সভাপতি এবং ফরহাদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ দল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ব্যারিষ্টার মীর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব সৈয়দ আজম উদ্দিন, এতে অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব নূর মোহাম্মদ, হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব জাকের হোসেন, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. গিয়াসউদ্দিন চেয়ারম্যান, হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ডাঃ রফিকুল আলম চৌধুরী, হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব মো. অহিদুল আলম, হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এমএ শুক্কুর কাউন্সিলর, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বি এন পি নেতা এস এম ফারুক, উপজেলা বিএনপির সি: সদস্য হাকিম উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল আলম জনি, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জয়নাল আবেদীন

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক লায়ন আনোয়ার হোসাইন উজ্জ্বল,চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহনেওয়াজ কবির চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও হাটহাজারী উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মো. তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি, হাটহাজারী উপজেলা কৃষক দল নেতা মো. শাহাদাত হোসেন চেয়ারম্যান, সাবেক ছাত্রনেতাএডভোকেট রেজাউল করিম চৌধুরী রনি
জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তৈয়ব জুলুস হাটহাজারী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো. ফখরুল হাসান, সদস্য সচিব মো. নুরুল কবির
তালুকদার, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জিএম সাইফুল ইসলাম, হাটহাজারী উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. এমরান চৌধুরী, , হাটহাজারী পৌরসভা ছাত্রদলের আহবায়ক রেজাউল করিম চৌধুরী রকি, সদস্য সচিব মো. শাহেদ খাঁন, ফরহাদাবাদ ইউনিয়ন

বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে নাসির উদ্দিন খোকন,নুরুল ইসলাম, সরোয়ার ইসলাম সুমন,জসিম উদ্দিন
তালুকদার, সেলিম জাহাঙ্গীর, মান্নান কোম্পানি, ইউসুফ টিপু ,এরশাদ শিকদার, ইসলাম কোম্পানি, সেকান্দর আলী, জাহেদুল ইসলাম যুবদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে হান্নান তালুকদার জামাল আল দীন,জাবেদ মন্দাকিনী, আবু বক্কর, মো শাহজাহান, কাজী মহসিন সাব্বির হোসেন নয়ন, মোঃ ইব্রাহিম, আলমগীর রানা, মোঃ মামুন হাসান,ইকরাজ নেওয়াজ খসরু, আলফাজ, শাকিব, জুলফিকার প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ