আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

দেশ ও পৃথিবী বদলাতে হলে সবার আগে নিজেকে বদলাতে হবে: তারুন্যের উৎসব

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তারুন্যের উৎসব-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে আঞ্চলিক তথ্য অফিস, পিআইডি চট্টগ্রামের উদ্যোগে নগরীর দেওয়ানহাট সিটি কর্পোরেশন কলেজ মিলনায়তনে এসো দেশ বদলাই-পৃথিবী বদলাই প্রতিপাদ্যের আলোকে ‘তারুণ্যের ভাবনায় আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক

মতবিনিময় সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।
চট্টগ্রাম পিআইডির উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোঃ সাঈদ
হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জেলা তথ্য অফিস চট্টগ্রামের পরিচালক মীর হোসেন আহসানুল কবীর, কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার বেগম, ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর আবু ইউসুফ মোহাম্মদ মাসুদ খান, তরুনদের পক্ষে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আহমেদ নুর জয় ও দুলাল চাকমা বক্তব্য রাখেন।

স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম পিআইডির সিনিয়র তথ্য অফিসার বাপ্পী চক্রবর্তী আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে তরুনদের ভাবনা ও করণীয় বিষয় তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম পিআইডির তথ্য অফিসার জি এম সাইফুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি বলেন, দেশ ও পৃথিবী বদলাতে হলে সবার আগে নিজেকে বদলাতে হবে। তিনি বলেন, পৃথিবীতে যারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদের কেউ ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান কিংবা খুব বেশি মেধাবী ছিলেন-তা নয়। সফল ব্যক্তিরা আপনা আপনি বা তৈরি কিছু পান নাই। তারা তৈরি করে নিয়েছেন। তাদের সফলতার মূল কারণ হ”েছ তারা সঠিক সময়ে নিজেদেরকে প্র¯‘ত করতে সক্ষম হয়েছে। ছাত্র জীবন তরুনদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসময় জীবনের লক্ষ্য ঠিক করতে হবে।

সোস্যাল মিডিয়াসহ অনুৎপাদনশীল কাজ থেকে নিজেকে যথাসম্ভব দুরে রেখে সমাজের ইতিবাচক কাজে তরুনদের আরো অংশ গ্রহণের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মীর হোসেন আহসানুল কবীর বলেন, তরুণরাই নতুন বাংলাদেশের চালিকা শক্তি। জুলাই অভ্যুত্থানে তা প্রমাণিত হয়েছে। সুতরাং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশকে আরো সমৃদ্ধ করতে হলে তরুনদের প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোঃ সাঈদ হাসান বলেন, আগামীর বাংলাদেশকে নেতৃত্বে দিতে তরুণদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে হবে। সময় এসেছে তরুণদের জ্ঞান ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে বৈষম্যহীন, সুখী-সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের। কাজেই তরুণদেরকে সমাজের বাতিঘর হিসেবে কাজ করতে হবে।জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই-আগস্টের শহিদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিদায়ের সাজানো কফিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তুমি একবার ‘না’ বলো
আমি থেমে যাব
নি:শব্দ রাতের মতো
অসীমে মাঝে মিশে যাব ।

আমি হারিয়ে যাব
অনেক দূরে—
যেখানে কেউ খুঁজে পাবেনা
মায়া মমতাহীন গহীন অন্ধকারে ।

এই পৃথিবী আমার নয়
এই ফুলের বাগান আমার নয়
এখানে কেউ কারো নয়
শুধুই মিথ্যা মায়াময় ।

এখানে অবুঝ প্রেমের খেলা
এখানে ক্ষণিকের ফুলের মেলা
এখানে অজানা পথে চলা
এখানে ঝরা ফুলের মালা ।

এখানে চোখের জলে
কষ্টের ফুল ফোটে
এখানে বোবা কান্নায়
পাথরে ফুল ফোটে ।

আমি যাব চলে
অনেক অনেক দূরে,
কে যেন ডাকে মোরে
মায়া নদীর তীরে ।

আবার আসিব ফিরে
হারানো দিনের গানে
সকল কষ্ট ভুলে যাব
ক্ষণিকের মহামিলনে ।

যদি আর না ফিরি
এই সাজানো বাগানে,
একটি ফুল ছিটিয়ে দিও
বিদায়ের সাজানো কফিনে ।

রচনাকাল :২৭/৪/২০২৬

নানান আনন্দ ও আয়োজনে বর্ষবিদায় জানিয়ে নতুন বর্ষবরণে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩৩।বর্ষবিদায়ের মধ্যে দিয়ে বর্ষবরণের আয়োজন। চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩৩, ১৩ ও ১৪ এপ্রিল ২০২৬ উৎযাপিত হলো বাঙালির প্রাণের উৎসব নববর্ষ। এই উৎসবের আমেজ অন্যান্য উৎসবের তুলনায় ভিন্ন যা প্রত্যেক বাঙালির বাঙালী মনোভাবকে ফুটিয়ে তুলে।নানান রকম আয়োজনের মধ্যে দিয়ে প্রতিবারের ন্যায় এইবার ও চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমী, সি আর বি শিরীষ তলা, চন্দনাইশ,এপেক্স ক্লাব,বন্ধুই শক্তি ক্লাব -২০০০ চট্রগ্রাম থিয়েটার প্রাঙ্গণে তাদের বর্ষবিদায়ের সর্বকালের সবচেয়ে বেশি উৎসব পালন করেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্বতান এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নরেন সাহার নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম।

নাচ, গান, আবৃত্তি ও অভিনয় সব কিছু মিলিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের শিল্পীরা ফুটিয়ে তুলেছিলেন ও সাজিয়েছিলেন উৎসবটিকে।নৃত্য পরিচালনায় ছিলো হৃদিতা দাশ পূজা ও সংগীত লিড এ ছিলেন অনিক দাশ। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যগণ।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ