দেশের যে কোন ক্রাইসিসে জিয়া পরিবার হাল ধরেছে: মেয়র ডা. শাহাত হোসেন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দেশ নায়ক তারেক রহমান সব সময় দেশের ক্রাইসিসে ভূমিকা রেখেছেন। জিয়া পরিবার দেশের ক্রাইসিসে হাল ধরেছেন। ‘৯০ এর ক্রাইসিসে এবং ‘২৪ এর ছাত্র আন্দোলনের ক্রাইসিসে জিয়া পরিবারের প্রজন্ম তারেক রহমান হাল ধরেছেন। তাই আজকের এই যে বিশ্লেষণ, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এমনভাবে ১৬ কোটি মানুষের হৃদয়ে আছে উনার নাম মুছে ফেলা কোনক্রমেই সম্ভব না।

তিনি বুধবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল আয়োজিত বিএনপি’র চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র রোগমুক্তি ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ডা.শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর রয়েছে । সেখানে শহীদ জিয়া শেষ স্মৃতি আছে। এ স্মৃতিগুলো আমাদের নতুন প্রজন্মকে দেখতে হবে। জানতে হবে। তাহলে ওনার সম্পর্কে আমরা ভালো জানতে পারব। তিনি কি পরিমাণ দেশপ্রেমিক ছিলেন।
চসিক মেয়র বলেন, আরাফাতের ময়দানে যারা হজ করতে গেছেন, এমন কোন হাজি নেই নিম গাছের নিচে গিয়ে জিয়াউর রহমানের জন্য দোয়া করেন না।
তিনি বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সৎ দেশপ্রেমিক এবং মুক্তিযোদ্ধা। তিনি শাহাদাত বরণের পর দলের হাল ধরেন আর স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি গৃহবধূ থেকে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়ে ৮০ এর দশকে ছাত্রদলকে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ছাত্র সংগঠনের পরিণত করেছিল। ওনার সময় ৯৯ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদে বিজয় অর্জন করেছিল ছাত্রদল।

ডা.শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা আজকে বিএনপির যে নেতৃত্ব দেখছি ৮০ ও ৯০ দশকের ছাত্র নেতারাই বিএনপিকে এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসামান্য অবদানের জন্য তা হয়েছে। এ কারণে ১৯৯০ সালে দেশবাসী তাঁকে দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অধিষ্ঠিত করেছে।

এ অবস্থায় এসে বাংলাদেশের যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি শহীদ জিয়ার সুযোগ্য সন্তান দেশ নায়ক তারেক রহমান। ‘২৪ এর বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে প্রথম থেকে উনার সাপোর্টের কারণে আন্দোলন পরিপূর্ণতা পায়। ছাত্র-জনতা নিজের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে দুর্নীতিমুক্ত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের সূচনা হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপিরসাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। বিশেষ আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, দৈনিক আমারদেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদকজাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য মোঃ কামরুল ইসলাম, মহানগর বিএনপির সাবেক বন ও পরিবেশ বিষযক সম্পাদক
আমিন মাহমুদ, পশ্চিম বাকলিয়া বিএনপির সাবেক সভাপতিমোহাম্মদ সেকান্দর হোসেন ও কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান।

শহিদুল্লাহ শাহজাহান,শাহেদ বক্সস,জিএম আইয়ুব খান,মনজুরুল আলম মনজু,মো গিয়াসউদ্দিন, ভূইয়া,আমিন মাহমুদ,ইব্রাহিম বাচ্চু, মো খোরশেদ আলম, গিয়াসউদ্দিন,শেখ মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, এডভোকেট নেজাম উদ্দিন, মো পিয়ার আহমদ,মো লুৎফুর,মো খোরশেদ,জিয়াউল হক মিন্টু, কামাল উদ্দীন, মো ইদরীস, শেখ কামাল আলম, মো সালাহ উদ্দিন, জসিমউদদীন, আবদুল্লাহ আল মামুন জিতু,সালউদ্দীন বাসু,সাব্বির ইসলাম ফারুক, মো হাছান,আমিনউল্লাহ,মোস্তাকিম মাহমুদ, জাকির

হোসেন,মো মুরাদ,মো সোহেল,জাবেদুল হক,সাদ্দামুল হক,রিদওনুল হক রিদু,মো ইউনুস,রেজিয়া বেগম মুন্নি, কামরুন নিছা,নাছরিন,কানিজ ফাতেমা, শফিউল বশর সাজু,ইয়াকুব খান, মো জাহেদ, রাকিবুল হাসান, মো রায়হান, মো মিজান,ওমর ফারুক রানা,শহিদুল করিম শহিদ,রহিম মিনু,মোস্তফা আলম কিশোর,আলমগির, মামুন,মো সানি,আবুল হোসেন,মো ফরিদ,ইউনুস,জিসান,সাব্বির, মো আব্বাস, আহমেদ,ফরুক,রবিউল,মহসীন প্রমুখ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তৃতীয় ভাষা শিক্ষা নিয়ে উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসির মতবিনিময়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ শিক্ষা চালুর লক্ষ্যে ভাষা কেন্দ্র স্থাপন, প্রয়োজনীয় জনবল, অঞ্চলভিত্তিক ভাষার চাহিদা এবং কোর্সের ধরন নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।

 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ইউজিসিতে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুনের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ২৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা অংশ নেন। বাকি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গেও পর্যায়ক্রমে এ ধরনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

 

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ভাষা কেন্দ্র স্থাপন, বিদ্যমান সক্ষমতা ও রিসোর্স ম্যাপিংয়ের তথ্য এবং প্রয়োজনীয় জনবলের চাহিদা উল্লেখ করে দ্রুত ইউজিসিকে অবহিত করতে বলা হয়।

 

তৃতীয় ভাষা নির্বাচনে অঞ্চলভিত্তিক চাহিদাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ভাষা চালুর প্রয়োজন নেই। কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক চাহিদা বিবেচনায় বিএমইটির তথ্য যাচাই করে রিসোর্স ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ভাষা নির্বাচন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

 

সভায় তৃতীয় ভাষা নন-ক্রেডিট কোর্সের পাশাপাশি বিভাগভিত্তিক অন্তত একটি ভাষা ক্রেডিট কোর্স চালুর প্রস্তাব করা হয়। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, বেকারদের জন্য ছয় মাস মেয়াদি ভাষা কোর্স এবং দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে ভাষাশিক্ষক তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।

 

ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে হবে। নির্বাচনী ইশতেহারে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার বিষয়টি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে এবং মান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

 

সভায় তৃতীয় ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কোর্সের সুযোগ, কারিকুলামে শিল্পখাতের সম্পৃক্ততা, যৌথ গবেষণা এবং গবেষণার ফল বাণিজ্যিকীকরণে তহবিল গঠনের প্রস্তাব করা হয়। শিল্পবাজারের চাহিদা অনুযায়ী এআই, রোবটিকস, সাইবার সিকিউরিটি ও ডেটা সায়েন্সের মতো বিষয়ে নতুন বিভাগ বা একাডেমিক কার্যক্রম চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়।

 

বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার হাব হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়। এ বিষয়ে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার হাব হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল অফিস খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ‘স্টাডি ইন বাংলাদেশ’ পোর্টাল চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে পোর্টালে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আবাসন, বৃত্তি ও ইন্টারন্যাশনাল অফিসসংক্রান্ত তথ্য যুক্ত করা হবে।

 

চট্টগ্রামে আগুনে ৭ দোকান ভস্মীভূত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়ার তুলাতুলিতে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ৭টি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তুলাতলীর জামাই বাজার এলাকার আলী মার্কেটে আগুনের এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, দুপুর ১টা ৫ মিনিটে তারা আগুন লাগার খবর পায়। আগুন নির্বাপণে চারটি ইউনিট অংশ নেয়।

বেলা পৌনে ৩টার দিকে আগুন নির্বাপণ সম্ভব হয়। আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শাহ ইমরান জানায়, আগুনে মার্কেটটির ৫ থেকে ৭ টি দোকান পুড়ে গেছে। আগুন নেভানোর পর ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ