আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা প্রয়োজন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ এর নেতৃত্বে বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সাথে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ কনফারেন্স হলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) ও চিটাগাং চেম্বারের প্রশাসক মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন দূতাবাসের ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট অ্যাটাশে জাইন আজিজ, ট্রেড এন্ড ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি অব পাকিস্তান’র সহকারি

পরিচালক সারাং গুল, পাকিস্তানের রিশাদ মতিন গ্রুপের পরিচালক সাজিয়া মতিন, সল্ট হাউস পাকিস্তান’র মোহাম্মদ শফিক, সাংগো এন্টারপ্রাইজ’র বাবর আমিন মালিক, আদিল ট্রেডার্স’র মোহাম্মদ আদিল, রোশান গ্রুপের খালিদ ইজাজ কোরেশি, বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার এসোসিয়েশন’র মুহাম্মদ ফরহাদ উদ্দিন, অনুরা এন্টারপ্রাইজ’র মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, মায়া এক্সপোর্টার এন্ড ইমপোর্টার’র মোঃ মশিউর রহমান সৈকত, রয়েল বিচ রিসোর্ট’র মোহাম্মদ জয়নাল

আবেদিন ও জামি এন্টারপ্রাইজ’র মোঃ সাইফুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে পাকিস্তান দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ ও ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার এসোসিয়েশন’র সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পাকিস্তান হাই কমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ বলেন-পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অংশহিসেবে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা প্রয়োজন। এজন্য বিজনেস টু বিজনেস সম্পর্কোন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। উভয়দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য থাকলেও বিশাল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে এ বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে হবে। শুধুমাত্র পাকিস্তান থেকে রপ্তানি বাড়ানোর কথা চিন্তা না করে বাংলাদেশ থেকেও কিভাবে রপ্তানি বাড়ানো যায় সে লক্ষ্যেও কাজ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন-গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে ব্যাপক পরিবর্তন

লক্ষ্যণীয়। এরই অংশহিসেবে দু’দেশের মধ্যে সরাসরি নৌ-যোগাযোগ শুরু হয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি দু’দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নে ঢাকা-ইসলামাবাদ সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ এবং ব্যবসার নতুন নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের জন্য চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
চেম্বার প্রশাসক মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা বলেন-বাংলাাদেশের সাথে পাকিস্তানের ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যগতভাবে মিল রয়েছে। দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক থাকলেও বাংলাদেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পণ্য পাকিস্তানে রপ্তানি হয় না। যেখানে পাকিস্তান বাংলাদেশের ১৯তম আমদানিকারক দেশ এবং পাকিস্তান থেকে

প্রতিবছর প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়। তাই উভয়দেশই বাণিজ্য বাধা বিশেষ করে ননট্যারিফ বাধা দূর করে সাফটা এবং ডি-৮ পিটিএ কার্যকর করার মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি দূর করার আহবান জানান তিনি। চেম্বার প্রশাসক বলেন-বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান কৃষি নির্ভর দেশ। তাই উভয়দেশের এই সেক্টরে উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তিগত এবং নলেজ শেয়ারের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পাকিস্তানি ব্যবসায়ীদের এই সফরের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষি ক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত বিনিময় ও যৌথ বিনিয়োগের আহবান জানান।
দূতাবাসের ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট অ্যাটাশে জাইন আজিজ বলেন-আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে যেকোন সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত পাকিস্তানি দূতাবাস। এজন্য আমদানির ক্ষেত্রে কোন সমস্যা উদ্ভূত হলে বাংলাদেশের দূতাবাসের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহবান জানান তিনি।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন-বাংলাদেশে রয়েছে পাকিস্তানি খেজুর ও মাল্টাসহ পাকিস্তানি ফলের চাহিদা। তাই এসব ফল গুণগতমান বজায় রেখে রপ্তানির আহবান জানান ব্যবসায়ীরা। একই সাথে পাকিস্তানের সাথে ধর্মীয় মিল থাকায় বাংলাদেশের পর্যটন স্পটগুলোতে পাকিস্তানিদের আমন্ত্রণ জানান তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জনগণের জন্য উন্নয়নের পরিকল্পনা- মির্জা ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের চন্ডিপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচনী গণসংযোগকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচনী প্রতিপক্ষের উদ্দেশে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী অনেক অত্যাচার করেছে, বাড়িঘর পুড়িয়ে দিয়েছে, পেট্রোল পাম্প-ট্যাংক সবই নিয়ে গিয়েছিল। পাকিস্তানি সেনাদের কারা সহযোগিতা করেছিল, আমরা তা জানি।

আগে একাত্তর সালের জন্য মাফ চান, তারপর ভোট চান।মির্জা ফখরুল আরও বলেন, হাসিনার আমলে আমরা কাজ করতে পারিনি। পরে আমরা উন্নয়নের কাজ শুরু করেছি। আগে ১০০ টাকা আয় হতো, এখন ২০০ টাকা আয় করাকে উন্নয়ন বলা হচ্ছে। প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন মানুষের কর্মসংস্থান ও কৃষির উন্নতি হবে।তিনি আগামী নির্বাচনের গুরুত্ব নিয়ে বলেন, ভোটে সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে আমরা ভুল করব।

বিএনপি আগামী নির্বাচনে সরকার গঠন করবে, আর তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। তারেক জিয়াকে দেশে আসতে দেয়নি ১৮ বছর। দেশে ফিরেই তিনি জনগণের জন্য উন্নয়নের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে সার-বীজ এবং কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে।
এ সময় দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগে আতর্কিত হামলা ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর নির্বাচনী গণসংযোগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মহানগরের খুলশী থানাধীন আমবাগান রেলগেট এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গণসংযোগ চলাকালে হঠাৎ করে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এতে জামায়াতের অন্তত ৮ জন নেতাকর্মী আহত হন।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে শামসুজ্জামান হেলালী অভিযোগ করে বলেন, অতর্কিতভাবে স্থানীয় বিএনপির লোকজন আমাদের শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে।

এতে আমাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন।এদিকে হামলার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা বা আটকের তথ্য পাওয়া যায়নি।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ