আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

স্মরণ : মুক্ত বেলায়তের দীপ্তিয়মান সূর্য, হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ শাহজাহান চৌধুরী মাইজভাণ্ডারী

লেখক: ডা. তছলিম উদ্দীন কর্মপরিকল্পনা সম্পাদক, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ লেকচারার, এনাটমি বিভাগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জন্ম ও বংশ পরিচয়: মাইজভান্ডারী দরবার শরীফের আধ্যাত্মিক শরাফতের প্রতিষ্ঠাতা গাউছুল আজম হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (ক.)-এর নাতি অছিয়ে গাউছুল আজম খাদেমুল ফোকরা মাওলানা সৈয়দ দেলওর হোসাইন মাইজভান্ডারী (ক.)-এর বড় শাহজাদী মহীয়সী রমণী সৈয়দা মুবাশ্বেরা বেগম মাইজভান্ডারী (ক.) ও আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ চৌধুরী মাইজভান্ডারীর (ক.) পবিত্র ওরশে ১৯৫০ সালে ১৩৬৯ হিজরী ১৩৫৬ বাংলা ১৪ই মাঘ ২৮ জানুয়ারী জন্ম গ্রহণ করেন।

বিদ্যার্জন: বাবাজান শাহনগর স্থানীয় স্কুলে ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখার পর নানুপুর সোবহানিয়া স্কুল হতে এসএসসি পাশ করে পরবর্তীতে চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ভর্তি হন।

কর্মজীবন: ১৯৭০ সালে বাড়বকুন্ডে অবস্থিত ডিডিটি ইন্ডাষ্ট্রিতে অফিসার পদে নিয়োজিত ছিলেন।
আধ্যাত্মিক জীবনের দীক্ষা: চাকুরিরত অবস্থায় বিবর চিত্তে নিজ বাড়িতে সহকর্মীদের সহযোগিতায় বাবাজানের কাছে চলে আসেন। বাবাজানের আপন মামা হযরত মাওলানা শাহসুফি শাহান শাহ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী বাবাজানের মুর্শিদ। তিনি বাবাজানকে পরম স্নেহে বুকে জড়িয়ে, কোলে তুলে বাবাজানকে আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত রাখেন। বাবাজান প্রায় সময় রাত্রে পাহাড়ে আধ্যাত্মিক সাধনায় নিয়োজিত থাকতেন। নিজ গৃহে প্রায় সময় উপবাস থাকতেন। নিজ রুমে একা থাকতেন।

কিছুদিনের মধ্যে বাবাজানের কামালিয়তের কথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ঐশী প্রেম পিপাসু সাধক ও দোয়া প্রত্যাশী ফরিয়াদিদের ভিড়ে এই সাধকের পবিত্র বাসগৃহ বিশ্ব মানবতার কল্যাণধারক এক উচ্চমার্গীয় আধ্যাত্মিক দরবারে পরিণত হয়। গাউছুল আজম শাহান শাহ ফানাফিল্লাহ বাকাবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ মুহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী (ক.)-এর কিছু উল্লেখযোগ্য কামালিয়ত নিম্নে বর্ণনা করা হলো।

(১) ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বাঁশখালী আসনের বিএনপি থেকে সংসদ প্রার্থী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বাবাজান কেবলার কাছে মেহেরবানীর প্রত্যাশায় চট্টগ্রাম শহর লালখান বাজার হাই লেভেল রোড গাউছিয়া শাহাজান মঞ্জিল দরবার শরীফে আসেন। বাবাজান দয়া করে বললেন, আপনি যান নির্বাচন করলে পাশ করবেন। বিজয় লাভের কয়েকদিনের মধ্যে বাবাজানের কাছে তিনি আসেন। প্রকাশ করেন কৃতজ্ঞতাটুকু এবং বাবাজানকে বাসায় আমন্ত্রণ করেন। পরবর্তীতে এমপি সাহেবের বাসায় গাড়িতে করে পৌঁছান। তখন বাবাজান বলেন, আমি বসেছি মন্ত্রীর গাড়িতে বাসায় খাওয়া কবুল করে

বাবাজান এবার এমপি সাহেবকে ঢাকায় চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। তার পরের দিন এমপি সাহেব চলে গেলেন ঢাকায় এবং সরাসরি উঠেন খালেদা জিয়ার বাসভবনে। দেখা গেল তখন মন্ত্রিপরিষদ গঠন প্রক্রিয়া চলছিল। এমপি জাফরুল ইসলামকে দেখে খালেদা জিয়া বললেন, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া যায়। মন্ত্রিপরিষদের সকলের সঙ্গে এমপি জাফরুল ইসলাম চৌধুরীও প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন।

(২) জৈনক মহিলা লালখান বাজার বাবাজানের বাসায় বাবাজানকে আর্জি পেশ করলেন, ডাক্তার বলেছেন মহিলার পেটে টিউমার আছে। বাবাজান কালাম করলেন, ঐটা বাচ্চা, টিউমার নয়। মহিলা বললেন, আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে টিউমার আছে বলেছেন। বাবাজান আবারো বললেন, ঐটা বাচ্চা, টিউমার নয়। তখন কিছুদিন পর ঐ মহিলা একটি বাচ্চা জন্ম দিলেন।
(৩) হাজী মুহাম্মদ নুরুল আলম সাহেব বাবাজানের কাছে আর্জি পেশ করলেন, আমার হাঁটুতে টিউমার হয়েছে। বাবাজান হাঁটুর টিউমারটিতে হাত মোবারক বুলিয়ে দিলেন। বললেন ভালো হয়ে যাবে। পরবর্তীতে উনি সুস্থ হয়ে গেলেন।

(৪) এক দম্পতি বাবাজানের কাছে আর্জি পেশ করলেন, একটি নেক সন্তানের জন্য বাবাজান যেন তাদের ঔষধ দেয় বাচ্চা হওয়ার জন্য। পরবর্তীতে তাদের একটি পুত্রসন্তান জন্ম লাভ করেন।
(৫) এক ডাক্তার বাবাজানের কাছে এসে ডাক্তারি পেশার উন্নতির জন্য দোয়া চান। বাবাজান কালাম করলেন, তোমাকে প্রফেসর বানিয়ে দিলাম। তিনি বর্তমানে প্রফেসর হিসাবে কর্মরত আছেন।
(৬) ঘটনাটি ২০০১ সালে ২৪ মার্চের সময়। বাবাজান নিজ গ্রামের বাড়ি হতে বাবুনগর ট্যাক্সি দিয়ে রওনা হলেন। বাবাজানের সফরসঙ্গী ছিলেন মুহাম্মদ

মনিরুজ্জামান ও হান্নান। পথিমধ্যে লেলাং খালের স্লুইস গেটের কাছে আসলে ট্যাক্সি বন্ধ হয়ে যায়। চালক অনেক চেষ্টার পর বললেন, তেল শেষ হয়ে গেছে, গাড়ি চলবে না। আমরা পেট্রোল আনতে গাড়ি থেকে নামবো এই সময় বাবাজান দোয়া করে বললেন, লেলাং খাল থেকে পানি ঢুকাও, চালক ইতস্তত করলো। আমরা বললাম, বাবাজান যা বলেছেন তাই করো। চালক খাল হতে তেলের ট্যাংকিতে পানি ঢুকালেন। এইবার বাবাজানের নির্দেশে স্টার্ট-এ চাপ দেওয়ার সাথে সাথে গাড়ি চালু হয়ে যায়। পানি দিয়ে গাড়ি চালানোর এই অলৌকিক ঘটনা মুহূর্তে ছড়িয়ে পরে চতুর্দিকে।

আজও ফরিয়াদিরা উনার মাজারে এসে আপন হাজত মকসুদ পূরণের জন্য নজর-মানতসহ আল্লাহর দরবারে মিনতি করেন। তাদের চাহিদাও পূর্ণ হচ্ছে নিয়মিতভাবে। হযরত দেলাওর হোসেন মাইজভান্ডারী (ক.) কালাম কামেলের মাজার জান সর্ব দুঃখ হারী প্রেমিকের অন্তরে ঢালে শান্তি সুধা বারি।

পরবর্তী রূহানী উত্তরাধিকার নির্ধারণ: বাবাজানের ওফাতের পূর্বে আপন দুই শাহজাদা হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইসকান্দার মির্জা মুকুট (ম.জি.আ) ও হযরত মাওলানা সাকান্দার মির্জা মহান (ম.জি.আ)-কে স্বীয় গদী শরীফের উত্তরাধিকারী হিসাবে নির্ধারণ করে যান।
ওফাত ও ওরশ: গাউছুল আজম শাহান শাহ হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ শাহাজাহান চৌধুরী (ক.) ৭৩

বছর বয়সে ২০২৩ সালে ২৪ জানুয়ারি, বাংলা ১৪৩০, ১০ই মাঘ, দিবাগত রাত ৩টার সময় ইহধাম ত্যাগ করেন। প্রতিবছর ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ই মাঘ উনার ওফাত ও খোশরোজ শরীফ শাহনগর সন্ন্যাসীর হাট গাউছিয়া শাহাজাহান মঞ্জিলে মহাসমারহে অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশ বিদেশের লক্ষ লক্ষ আশেক ভক্তের সমাগম ঘটে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১০ জুন ২০২৬খ্রি. বুধবার বাদ মাগরিব গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফ এর ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল-২০২৬ উপলক্ষে ২য় প্রস্তুতি সভা কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচ্য বিষয় ছিল মাহফিল এর অতিথি ও বক্তা নির্ধারণ, অনুষ্ঠানের দাওয়াত ও প্রচার, সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে, বিবিধ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ ছালেহ সুফিয়ান, কাজী হাবিবুল হোসাইন, মো.ফজলুল হক, মো. শওকত হোসাইন, মো. খোরশেদ আলম, মো.রুকুনুজ্জামান টুটুল, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, এসএম জাবেদ হোসাইন, হারুনুর রশিদ, কাজী আশরাফ হোছাইন, মো. জিয়াউল হাসান সাইফ, মো. শাহীন মুরাদ রাজা, সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব, মো. আকতার মিঞা সমন্বয়কারী, মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রিমন, দিদারুল আলম লোকমান, মো. মুজিবুর রহমান রাসেল, লায়ন ডা.বরুণ কুমার আচার্য বলাই, বাবু প্রবোধপাল, দেবরাজ পাল, সৈযদ আবু আহমদ, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. নুরমিয়া, মো. রানা সরকার, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. কামাল উদ্দীন, মো. শাহজাহান মনজু, মো. ইদ্রিস আলী, মুহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, মু. আমান উল্লা খান চৌধুরী লিটন প্রমূখ।

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। আজ বৃহস্পতিবার ২৮ মে সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। নামাজ শেষে তিনি ঈদের খুতবা প্রদান করেন এবং কোরবানির তাৎপর্য, ত্যাগের শিক্ষা ও মাংস বণ্টনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান তুলে ধরেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির নেতা সোলায়ামান আলম শেঠসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।একই স্থানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।
এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ