আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

ছাত্রলীগ নেতার মটরসাইকেলে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার জিউপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর বাজারের দুজন ছাত্রলীগ নেতার মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্থানীয় আরেকজন হিন্দু ধর্মালম্বী বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

গত ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার স্থানীয় উপজেলার সৈয়দপুর বাজারে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাবার সময় সৈয়দপুরের এলাকার মুচিপাড়া গ্রামের সুমিত্রা রানী (৭০), মৃত ক্ষিতীশ দাসের স্ত্রী বিকেল চারটার দিকে ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে সজরে ধাক্কা দেয়ার ফলে, গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার ২৬ জানুয়ারি রাতে মারা যায় সুমিত্রা রানী।
অপরদিকে জানা যায় মটর সাইকেল আরোহী ছিলেন হাসিবুল হাসান (শান্ত), স্থানীয় গ্রাম্য ডাক্তার ফজলুর রহমানের ছেলে, রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ছাত্রলীগের অপর কর্মী জুয়েল রানা, মকবুল হোসেনের ছেলে বলে জানা যায়। ওই ঘটনায় পুঠিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জুয়েল রানার পিতা মকবুল হোসেন তিনি বলেন, বাজারের ভেতর বালু ও খড়ির মাঝে আমার ছেলের গাড়ির নিচে পড়ে আহত হয় ওই হিন্দু নারী। পরে তাকে আমরা চিকিৎসা করিয়েছি। এছাড়াও কিছু টাকা ও চাউল দিয়েছি। এরপরও বলেছি মারা গেলে লাশ দাহ করার জন্য খরচ দেবো। শুনছি তবুও তারা মামলা করেছে। অপরদিকে ছাত্রলীগ নেতা হাসিবুল হাসান শান্তর বাসায় গেলে শান্তর মা ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত শান্তর মা বলছেন গাড়িটি ছিলো জুয়েল রানার আমার ছেলে গাড়ির পিছনে বসে ছিল আমার ছেলের কোন দোষ নেই।

অন্যদিকে নিহত সুমিত্রা রানীর ছেলে জগা দাস বলেন, আমাকে ১ হাজার ৪০০ শত টাকা দিয়েছে মিথ্যে কথা বলবো না। আমার মাকে যারা মেরে ফেলেছে এদের আমি বিচার চাই। আমার মায়ের গায়ের উপর গাড়ি তুলে দিয়েছে জুয়েল রানা ও শান্ত। আমি তাদের কঠোর বিচার দাবি করছি।

এসব বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে পুঠিয়া থানার (ওসি) কবির হোসেন জানান, গতকাল ভোরে ওই বৃদ্ধা মহিলা মারা গেছেন। পরে ওই ঘটনায় সড়ক ও পরিবহণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ