আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

গড়েয়ায় পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীকে বিয়ে দিলেন স্বামী

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের মিলনপুর গ্রামে এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটেছে। স্বামী নিজেই তার স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছেন। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে তিনি নিজেই স্ত্রীকে আনোয়ার নামে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলেন।

এ সময় এলাকাবাসী জড়ো হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে খোরশেদ নিজেই স্ত্রীকে আনোয়ারের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মিলনপুর গ্রামের বাসিন্দা খোরশেদ দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ করছিলেন তার স্ত্রী একই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন।

তবে প্রমাণের অভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। কিন্তু সোমবার সন্ধ্যায় খোরশেদ নিজেই তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তিনি নিজ সিদ্ধান্তেই আনোয়ারের সঙ্গে তার স্ত্রীকে বিয়ে দিয়ে দেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ বলেন, আনোয়ার ও স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় বহুবার সালিস বসেছে। কিন্তু প্রমাণের অভাবে কঠোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এবার খোরশেদ নিজেই তাদের ধরে ফেলেন এবং সবার সামনে তাদের বিয়ে দিয়ে দেন।

এ বিষয়ে ৭ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মজিবর গ্রামের ইউপি বলেন, মেয়েটা আমার এলাকার, আমি ঘটনা শুনে আসছি, এখানে এসে জানতে পারি যে অনেকেই নাকি বিষয়টি জানতো।

জানা গেছে, এই দম্পতির একটি সন্তান রয়েছে, সে বর্তমানে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে।

এই বিষয়ে গড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মানু রাম বর্মন বলেন, আমি বিষয়টি শুনছি, তবে যা হইছে ভালো হইছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ