আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রোল বোমা মেরে ৮ যাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার আসামী সাবেক কাউন্সিলর হালিম আটক।

জহিরুল ইসলাম সুমন চৌদ্দগ্রাম ( কুমিল্লা) প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে পেট্রোল বোমা মেরে ৮ যাত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের
সাবেক কাউন্সিলর ও পৌর আাওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আবদুল হালিমকে (৪৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারী) রাতে উপজেলার মিয়াবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
আজ(শুক্রবার) সকালে  চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতার আবদুল হালিম চৌদ্দগ্রাম পৌর এলকার পূর্ব চাঁন্দিশকরা মুন্সি বাড়ির মৃত আবুল কাশেমের ছেলে। 
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুর এলাকায় যাত্রীবাহি একটি নৈশ কোচে পেট্রোল বোমা মেরে ৮ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর দিন পুলিশ বাদী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, জামায়াতের বর্তমান নায়েবে আমির ও সাবেক এমপি ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের সহ বিরোধীদলীয় ৮৬ জন নেতা কর্মীকে

আসামী করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় অধিকাংশ আসামী দীর্ঘ দিন জেলও খাটে। গত বছরের ৫ আগস্ট আাওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর ১১ সেপ্টেম্বর বাসের মালিক আবুল খায়ের বাদী হয়ে কুমিল্লার আদালতে প্রকৃত ঘটনায় দায়ী হিসেবে সাবেক ফ্যাসিস্ট রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, র‍্যাবের সাবেক ডিজি বেনজীর আহমেদ, কুমিল্লার সাবেক পুলিশ সুপার টুটুল চক্রবর্তীসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৬০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। এ মামলায় ১১৬ নম্বর আসামি করা হয় আবদুল হালিমকে। মামলাটি দায়েরের পর গত ৪ অক্টোবর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফরাস উদ্দিন রিপন নামে এজাহারভুক্ত আরেক আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, মামলার পর থেকে আবদুল হালিম আত্মগোপনে ছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে উপজেলার মিয়াবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।  আদালতের মাধ্যমে তাকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ