বছরে বর্জ্য উৎপাদন হয় ১৯ লাখ টন চসিক সংগ্রহ করে মাত্র নয় লাখ টন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগীর বাসিন্দাদের বছরে বর্জ্য উৎপাদন হয় ১৯ লাখ টন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) বর্জ্য সংগ্রহ করে মাত্র নয় লাখ টন।
বাকি ১০ লাখ টন বর্জ্য গিয়ে পড়ছে খাল-নালা ও নদীতে। এই বিশাল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ করতে না পারাকে নগরীর জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধ এবং নির্ধারিত সময়ে, নির্দিষ্ট স্থানে নগরীর বাসিন্দাদের বর্জ্য ফেলা নিশ্চিত করতে আইনের কঠোর প্রয়োগ করতে হবে। বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে সিটি কর্পোরেশনের। নয়তো জলাবদ্ধতার নিরসনের প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও অর্থের অপচয় ছাড়া কোন কাজে আসবে না।

এদিকে শুধু নালা-খাল পরিষ্কার করলেই হবে না, নগরবাসীকে সচেতন করতে পারলেই জলাবদ্ধতার সুফল পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, নালা পরিষ্কার করলাম, খাল পরিষ্কার করলাম। কিন্তু প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন এগুলো বাইরে থ্রো করছি, এগুলো এরপর নালায় যাচ্ছে। পরে সেখান থেকে জলাবদ্ধতার কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। প্রথমে নগরবাসীকে সচেতন করা হবে। তাতেও কাজ না হলে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

অন্যদিকে নগরীর ৭০ লাখ মানুষের এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা না আনলে জলাবদ্ধতা নিরসনে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন চার প্রকল্প ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকারের তিন সংস্থা। এর মধ্যে সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মূল প্রকল্পটি নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। যা বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। প্রকল্পটির অধীনে নগরের ৩৬টি খাল পরিষ্কার ও সংস্কার করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সিটি কর্পোরেশনের সংগ্রহের বাইরে থাকা প্রতিবছর উৎপাদিত ১০ লাখ টন বর্জ্য। এসব বর্জ্য গিয়ে পড়ছে খালে। পরিষ্কারের পরদিনই বর্জ্যে ভরাট হয়ে যাচ্ছে খাল। ফলে প্রকল্পের তিন ভাগের বেশি কাজ শেষ হলেও জলাবদ্ধতা নিরসন দৃশ্যমান হচ্ছে না।

প্রকল্পটির পরিচালক সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফেরদৌস আহমেদ বলেন, প্রকল্পের আওতায় থাকা খালগুলো একাধিকবার পরিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু আবর্জনা অপসারণের পরদিন গিয়ে দেখা যায় খাল ভরাট হয়ে আছে। অনেক জায়গায় প্রতিদিন বাসা-বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা বর্জ্য রাখা হয় খালের পাড়ে। খোলা জায়গায় রাখা এসব বর্জ্যরে অধিকাংশ খালে পড়ে ভরাট হয়। ফলে পানি চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়ে জলাবদ্ধতা হয়। খালে জমাট বাঁধা বর্জ্যরে অধিকাংশই পলিথিন, ককশিট ও প্লাস্টিকের মতো অপচনশীল বর্জ্য।

এদিকে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্প ও দুই হাজার ৭৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু হতে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সিডিএ। এক হাজার ৬২০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলমগ্নতা/জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিষ্কাশন উন্নয়ন’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ১ হাজার ৩৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নগরীর বাড়ইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত খাল খনন করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। সিডিএ’র ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্পটির পূর্ত কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী ও জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক আহমদ মঈনুদ্দিন বলেন, নগরীতে উৎপাদিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা না আনলে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পরও নগরীর জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন আসবে না। খাল-নালা সংস্কার ও নির্মাণ এবং খালের মুখে স্লুইসগেট নির্মাণের কারণে জলাবদ্ধতার প্রকোপ কিছুটা কমে আসবে। কিন্তু আবর্জনায় খাল-নালা ভরাট হয়ে থাকলে পানি আটকে জলাবদ্ধতা হবেই।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প বাস্তবায়নে এক মতবিনিময় সভায় অর্ন্তবর্তী সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক খাল-নালায় ময়লা ফেললে জেল-জরিমানা করার ব্যাপারে চসিককে চিন্তা করতে বলেন। এ সময় তিনি বলেন, চসিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনেক ধরনের কাজ করতে পারে। প্রথমে সচেতনতা, তারপর সতর্কতা, এরপর শাস্তি; এভাবে যদি এগিয়ে যাওয়া যায় আশা করি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পাওয়া যাবে। নগরে বসবাসকারী যে সমস্ত পরিবার শতভাগ কমপ্লায়েন্স মেনে চলবে তাদের পুরস্কৃত করা যেতে পারে। এগুলো যারা মান্য করবে না তাদের তিরস্কার এবং জরিমানা করা যায়। যারা কোনভাবেই মানবে না তাদের দুয়েকজনকে জেলও দিতে পারি। তাহলে ময়লা যত্রতত্র ফেলবে না।
এদিকে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি খাল থেকে বর্জ্য অপসারণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এছাড়া খালের ভেতর অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় সাড়ে তিন হাজার স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিন্তু বর্জ্য অপসারণ করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের। নগরবাসীর যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা ও সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য সংগ্রহে গাফিলতি এর জন্য দায়ী বলে মনে করছেন তারা। ফলে একেকটি খাল একাধিকবার পরিষ্কারের পরও ভরাট হয়ে থাকে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি প্রতিদিন ৭৪০ গ্রাম বর্জ্য উৎপাদন করে। সে হিসেবে ৭০ লাখ লোকের চট্টগ্রাম নগরে প্রতিদিন বর্জ্য উৎপাদন হয় ৫ হাজার ১৮০ টন। বছরে উৎপাদন করে ১৮ লাখ ৯০ হাজার ৭০০ টন বর্জ্য। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বছর তারা বর্জ্য সংগ্রহ করেছে ৯ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ টন। বাকি প্রায় ১০ লাখ টন বর্জ্য নালা-নর্দমা ও খাল হয়ে নদীতে চলে যায়। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দূষণরোধ, নাব্য বৃদ্ধি এবং অবৈধ দখল রোধকল্পে মহাপরিকল্পনা করেছে সরকার।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান বলেন, বর্জ্য সংগ্রহের যে ব্যবস্থা রয়েছে তা সন্তোষজনক নয়। ন্যূনতম যে ব্যবস্থা রয়েছে তাতেও আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত না করার কারণে শৃঙ্খলা আনা যাচ্ছে না। নির্ধারিত সময়ে নির্দিষ্ট স্থানে নগরবাসীর বর্জ্য ফেলা নিশ্চিত করতে হবে। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা বন্ধে জরিমানা ও কঠোর শাস্তি দিতে হবে। তবেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আসবে। জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের সুফল পাবে নগরবাসী। নয়তো জনগণের অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছু হবে না।

স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইনে আইন প্রয়োগের এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সিটি কর্পোরেশনকে। বর্জ্য সংগ্রহে বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও এখন পর্যন্ত আইনের প্রয়োগ দেখা যায়নি। আইনের পঞ্চম তফসিলে বর্জ্য ফেলে খাল-নালা ভরাটকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এই অপরাধে দণ্ডের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে সিটি কর্পোরেশনকে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তৃতীয় ভাষা শিক্ষা নিয়ে উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসির মতবিনিময়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ শিক্ষা চালুর লক্ষ্যে ভাষা কেন্দ্র স্থাপন, প্রয়োজনীয় জনবল, অঞ্চলভিত্তিক ভাষার চাহিদা এবং কোর্সের ধরন নির্ধারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।

 

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ইউজিসিতে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুনের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ২৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা অংশ নেন। বাকি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গেও পর্যায়ক্রমে এ ধরনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

 

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ভাষা কেন্দ্র স্থাপন, বিদ্যমান সক্ষমতা ও রিসোর্স ম্যাপিংয়ের তথ্য এবং প্রয়োজনীয় জনবলের চাহিদা উল্লেখ করে দ্রুত ইউজিসিকে অবহিত করতে বলা হয়।

 

তৃতীয় ভাষা নির্বাচনে অঞ্চলভিত্তিক চাহিদাকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ভাষা চালুর প্রয়োজন নেই। কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক চাহিদা বিবেচনায় বিএমইটির তথ্য যাচাই করে রিসোর্স ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক ভাষা নির্বাচন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

 

সভায় তৃতীয় ভাষা নন-ক্রেডিট কোর্সের পাশাপাশি বিভাগভিত্তিক অন্তত একটি ভাষা ক্রেডিট কোর্স চালুর প্রস্তাব করা হয়। নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, বেকারদের জন্য ছয় মাস মেয়াদি ভাষা কোর্স এবং দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে ভাষাশিক্ষক তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।

 

ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে হবে। নির্বাচনী ইশতেহারে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার বিষয়টি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে এবং মান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

 

সভায় তৃতীয় ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কোর্সের সুযোগ, কারিকুলামে শিল্পখাতের সম্পৃক্ততা, যৌথ গবেষণা এবং গবেষণার ফল বাণিজ্যিকীকরণে তহবিল গঠনের প্রস্তাব করা হয়। শিল্পবাজারের চাহিদা অনুযায়ী এআই, রোবটিকস, সাইবার সিকিউরিটি ও ডেটা সায়েন্সের মতো বিষয়ে নতুন বিভাগ বা একাডেমিক কার্যক্রম চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়।

 

বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার হাব হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়েও সভায় আলোচনা হয়। এ বিষয়ে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে বাংলাদেশকে উচ্চশিক্ষার হাব হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টারন্যাশনাল অফিস খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ‘স্টাডি ইন বাংলাদেশ’ পোর্টাল চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে পোর্টালে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আবাসন, বৃত্তি ও ইন্টারন্যাশনাল অফিসসংক্রান্ত তথ্য যুক্ত করা হবে।

 

চট্টগ্রামে আগুনে ৭ দোকান ভস্মীভূত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়ার তুলাতুলিতে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ৭টি দোকান পুড়ে গেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তুলাতলীর জামাই বাজার এলাকার আলী মার্কেটে আগুনের এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, দুপুর ১টা ৫ মিনিটে তারা আগুন লাগার খবর পায়। আগুন নির্বাপণে চারটি ইউনিট অংশ নেয়।

বেলা পৌনে ৩টার দিকে আগুন নির্বাপণ সম্ভব হয়। আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শাহ ইমরান জানায়, আগুনে মার্কেটটির ৫ থেকে ৭ টি দোকান পুড়ে গেছে। আগুন নেভানোর পর ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের কাজ চলছে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ