আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

হাটহাজারীতে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের কল্যাণে ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেছেন, চট্টগ্রাম জেলায় হাটহাজারী উপজেলা একটি আধুনিক উপ শহর। তাই এ এলাকার ঐতিহ্য রক্ষায় প্রান্তিক পর্যায় থেকে সকল স্তরের বৈষম্য দূর করে জনগণের কল্যাণে সামগ্রিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আজ সকাল ১০ ঘটিকার সময় আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে এরই লক্ষ্যে অত্র সংগঠনের ৭৫টি ইউনিটের ২১টি সাংগঠনিক কমিটি গঠনকল্পে বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। ২১টি সাংগঠনিক ইউনিট কমিটিগুলো

যথাক্রমে নাজির হাট কলেজ শাখার আহ্বায়ক মোঃ জমির উদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ একরামুল হাসান লিটন, ফরহাদাবাদ নুর আলী মিয়ার হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ আইনুল হোসেন, সদস্য সচিব মোঃ সালেহ উদ্দিন, শান্তির হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ আবুল বশর চৌধুরী, সদস্য সচিব মোঃ আরিফুল ইসলাম, পশ্চিম ধলই শাখার আহ্বায়ক মোঃ মুশফিকুল আলম, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন, কাটির হাট মহিলা কলেজ শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস, সদস্য সচিব রোকেয়া জেসমিন, ফরহাদাবাদ বংশাল শাখার মোঃ নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব রবিউল হোসেন,

কাটির হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ জামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ রেজাউল করিম, এনায়েতপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য সচিব মোঃ আবু তাহের, গুমানমর্দন পেশকার হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ জে.ইউ. খান, সদস্য সচিব মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন, সাদেক নগর শাখার আহ্বায়ক এম.জে. চৌধুরী বাবর, সদস্য সচিব মোঃ জসিম উদ্দিন, গুমানমর্দন কাটাখালী শাখার আহ্বায়ক মিঠু বড়ুয়া, সদস্য সচিব মোঃ লোকমান হোসেন, নাঙ্গল মোড়া শাখার আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোঃ শামসুল আলম, বালু খালী শাখার আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল করিম, সদস্য সচিব মোঃ সালাহ উদ্দিন, সরকার হাট বাজার শাখার আহ্বায়ক মোঃ সেলিম উদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ রমিজ উদ্দিন, পশ্চিম মির্জাপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ
আজিজুর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ আলী, মির্জাপুর ওবাইদুল্লাহ নগর শাখার আহ্বায়ক মোঃ শফিউল আলম, সদস্য সচিব মোঃ সুলতান আলম, চারিয়া মুরাদপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ ফোরকান, সদস্য সচিব মোঃ জানে আলম, চারিয়া বাজার শাখার আহ্বায়ক মোঃ তৌহিদুল আলম, সদস্য সচিব মিলন কান্তি শীল, চারিয়া মুছার দোকান শাখার আহ্বায়ক মোঃ হায়দার, সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেন, মির্জাপুর মুহুরী হাট শাখার মোঃ ইমতিয়াজ হোসেন, সদস্য সচিব জিংকু বড়ুয়া, আলমপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ জামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হারুন কে দিয়ে গঠন করা হয়। বাকী ৫৪টি কমিটি আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে। এ কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় গ্রহণযোগ্য, শিক্ষিত, সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে প্রত্যেক ইউনিটের নূন্যতম ২১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সংগঠনের চেয়ারম্যান বরাবরে জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে ফোরামের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, আগামীতে হাটহাজারী কৃষি ইনস্টিটিউটকে হাটহাজারী কৃষি

বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, ফতেয়াবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, কাটির হাট উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কেএস নজুমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের অন্তর্ভুক্তকরণ, এনায়েতপুর থেকে সরকার হাটের মধ্যবর্তী স্থানে একটি পূর্ণাঙ্গ কলেজ প্রতিষ্ঠান। সকল ধর্মের, বর্ণের, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সহ অবস্থান এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা। অক্সিজেন থেকে নাজিরহাট পর্যন্ত, হাটহাজারী থেকে সত্ত্বারঘাট পর্যন্ত, কাপতাই রাস্তার মাথা থেকে মদুনাঘাট পর্যন্ত মূল সড়কের সাথে উপ-সড়ক ও নালাগুলোর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করণ। মদুনাঘাট হইতে নাজিরহাট পর্যন্ত হালদা নদীর পশ্চিমাংশ বেড়ি বাঁধ নির্মাণ। নাজিরহাট কলেজ মাঠ, কাটিরহাট মাঠ, মির্জাপুর মাঠ, হাটহাজারী মাঠ, ফতেয়াবাদ মাঠ, কুয়াইশ কলেজ মাঠকে খেলার মান উপযোগি করে মিনি স্টেডিয়াম

নির্মাণ এবং হাটহাজারীতে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করণ। হাটহাজারী সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইশত শয্যা বিশিষ্ট, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ত্রিশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রূপান্তর করণ এবং একটি ডায়বেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করণ, হাটহাজারীর প্রেস ক্লাবের আধুনিকায়ন, হাটহাজারীর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা। যারা এ সংগঠনের সাথে কাজ করতে আগ্রহী তারা (সড়ংঃধভধসধংঁসনফ@মসধরষ.পড়স) ই-মেইলে অবহেলিত এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজ করতে হবে এমন বর্ণনা সহ জীবন বৃত্তান্ত প্রেরণের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ