আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

হাটহাজারীতে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের কল্যাণে ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে কাজ করার আহ্বান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেছেন, চট্টগ্রাম জেলায় হাটহাজারী উপজেলা একটি আধুনিক উপ শহর। তাই এ এলাকার ঐতিহ্য রক্ষায় প্রান্তিক পর্যায় থেকে সকল স্তরের বৈষম্য দূর করে জনগণের কল্যাণে সামগ্রিকভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আজ সকাল ১০ ঘটিকার সময় আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের অস্থায়ী কার্যালয়ে এরই লক্ষ্যে অত্র সংগঠনের ৭৫টি ইউনিটের ২১টি সাংগঠনিক কমিটি গঠনকল্পে বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। ২১টি সাংগঠনিক ইউনিট কমিটিগুলো

যথাক্রমে নাজির হাট কলেজ শাখার আহ্বায়ক মোঃ জমির উদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ একরামুল হাসান লিটন, ফরহাদাবাদ নুর আলী মিয়ার হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ আইনুল হোসেন, সদস্য সচিব মোঃ সালেহ উদ্দিন, শান্তির হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ আবুল বশর চৌধুরী, সদস্য সচিব মোঃ আরিফুল ইসলাম, পশ্চিম ধলই শাখার আহ্বায়ক মোঃ মুশফিকুল আলম, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন, কাটির হাট মহিলা কলেজ শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস, সদস্য সচিব রোকেয়া জেসমিন, ফরহাদাবাদ বংশাল শাখার মোঃ নজরুল ইসলাম, সদস্য সচিব রবিউল হোসেন,

কাটির হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ জামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ রেজাউল করিম, এনায়েতপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সদস্য সচিব মোঃ আবু তাহের, গুমানমর্দন পেশকার হাট শাখার আহ্বায়ক মোঃ জে.ইউ. খান, সদস্য সচিব মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন, সাদেক নগর শাখার আহ্বায়ক এম.জে. চৌধুরী বাবর, সদস্য সচিব মোঃ জসিম উদ্দিন, গুমানমর্দন কাটাখালী শাখার আহ্বায়ক মিঠু বড়ুয়া, সদস্য সচিব মোঃ লোকমান হোসেন, নাঙ্গল মোড়া শাখার আহ্বায়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোঃ শামসুল আলম, বালু খালী শাখার আহ্বায়ক মোঃ আব্দুল করিম, সদস্য সচিব মোঃ সালাহ উদ্দিন, সরকার হাট বাজার শাখার আহ্বায়ক মোঃ সেলিম উদ্দিন, সদস্য সচিব মোঃ রমিজ উদ্দিন, পশ্চিম মির্জাপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ
আজিজুর রহমান, সদস্য সচিব মোঃ আলী, মির্জাপুর ওবাইদুল্লাহ নগর শাখার আহ্বায়ক মোঃ শফিউল আলম, সদস্য সচিব মোঃ সুলতান আলম, চারিয়া মুরাদপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ ফোরকান, সদস্য সচিব মোঃ জানে আলম, চারিয়া বাজার শাখার আহ্বায়ক মোঃ তৌহিদুল আলম, সদস্য সচিব মিলন কান্তি শীল, চারিয়া মুছার দোকান শাখার আহ্বায়ক মোঃ হায়দার, সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেন, মির্জাপুর মুহুরী হাট শাখার মোঃ ইমতিয়াজ হোসেন, সদস্য সচিব জিংকু বড়ুয়া, আলমপুর শাখার আহ্বায়ক মোঃ জামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হারুন কে দিয়ে গঠন করা হয়। বাকী ৫৪টি কমিটি আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে। এ কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকায় গ্রহণযোগ্য, শিক্ষিত, সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে প্রত্যেক ইউনিটের নূন্যতম ২১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সংগঠনের চেয়ারম্যান বরাবরে জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে ফোরামের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেন, আগামীতে হাটহাজারী কৃষি ইনস্টিটিউটকে হাটহাজারী কৃষি

বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, ফতেয়াবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, কাটির হাট উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কেএস নজুমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের অন্তর্ভুক্তকরণ, এনায়েতপুর থেকে সরকার হাটের মধ্যবর্তী স্থানে একটি পূর্ণাঙ্গ কলেজ প্রতিষ্ঠান। সকল ধর্মের, বর্ণের, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সহ অবস্থান এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা। অক্সিজেন থেকে নাজিরহাট পর্যন্ত, হাটহাজারী থেকে সত্ত্বারঘাট পর্যন্ত, কাপতাই রাস্তার মাথা থেকে মদুনাঘাট পর্যন্ত মূল সড়কের সাথে উপ-সড়ক ও নালাগুলোর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করণ। মদুনাঘাট হইতে নাজিরহাট পর্যন্ত হালদা নদীর পশ্চিমাংশ বেড়ি বাঁধ নির্মাণ। নাজিরহাট কলেজ মাঠ, কাটিরহাট মাঠ, মির্জাপুর মাঠ, হাটহাজারী মাঠ, ফতেয়াবাদ মাঠ, কুয়াইশ কলেজ মাঠকে খেলার মান উপযোগি করে মিনি স্টেডিয়াম

নির্মাণ এবং হাটহাজারীতে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করণ। হাটহাজারী সদর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইশত শয্যা বিশিষ্ট, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ত্রিশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রূপান্তর করণ এবং একটি ডায়বেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করণ, হাটহাজারীর প্রেস ক্লাবের আধুনিকায়ন, হাটহাজারীর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা। যারা এ সংগঠনের সাথে কাজ করতে আগ্রহী তারা (সড়ংঃধভধসধংঁসনফ@মসধরষ.পড়স) ই-মেইলে অবহেলিত এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজ করতে হবে এমন বর্ণনা সহ জীবন বৃত্তান্ত প্রেরণের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ