আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার দোসরেরা এখনো বহাল তবিয়তে: আবদুস সালাম মামুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফ্যাসিবাদ উৎখাত আন্দোলনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিচারপতি আবদুস সালাম মামুন বলেছেন, হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার দোসরেরা এখনো বহাল তবিয়তে। বিগত ১৭ বছর আন্দোলনের ফলে জনগণের বিজয় অর্জিত হয়েছে গত ৫ আগস্ট। জনগণের বিজয়ের মাধ্যমে শিশু ও গণহত্যাকারিরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। দেশ থেকে স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে।

এখন আমাদের দেশকে গড়তে হবে। আমরা জনগণের মালিকানা জনগণকে ফিরিয়ে দিতে চাই। গত ১৭ বছর জনগণ ভোটাধিকার হারা। তাদের ভোটাধিকার ফেরত দিয়ে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার গঠন করতে হবে। জনস্রোতে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভেসে গেছে। এক্ষেত্রে তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনতা যে ইতিহাস তৈরি করেছে। তা পুরো পৃথিবীর ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

তিনি আজ শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব এস রহমান হলে দুপুর সাড়ে ১১ টায় ফ্যাসিবাদ উৎখাত আন্দোলন চট্টগ্রাম উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর শাখার প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী এম এ হাশেম রাজুর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের বাংলাদেশের সাংগঠনিক সচিব সাংবাদিক আলমগীর নূরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর যাবত গণতন্ত্র ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য লড়াই করেছি।

এখনো আন্দোলনে আছি আমরা, যতদিন জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারবে ততদিন অব্যাহত থাকবে আন্দোলন। তাই ভোটাধিকারের মাধ্যমে দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপিলটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাসস ব্যুরো চীপ মোহাম্মদ শাহ নওয়াজ বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে ধ্বংস করেছে। তারা বাংলাদেশকে লুটপাট ও মাফিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার কিছু দোসর এখনও দেশে রয়ে গেছে, যারা আবারো দেশকে আক্রমণ করতে পারে। সেই ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক চোখ হারানো সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদ বলেন, হাজার হাজার ছাত্র জনতার মায়ের বুক খালি হওয়ার মধ্য দিয়ে যে স্বপ্ন নিয়ে গত ১৭ বছর ধরে স্বৈরাচারমুক্ত একটি নতুন মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামো কায়েম করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের মানচিত্র রক্তে রঞ্জিত হয়েছিলো সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ফ্যাসিবাদ ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন বাংলাদেশের মাটিতে অব্যাহত থাকবে।

এম এ হাশেম রাজু বলেন, নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে একযোগে দল মতের উর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি। গত ১৭ বছরের সব ঝড়-ঝঞ্ঝা আর গ্লানি মুছে দিয়ে এই নতুন প্রজন্মের হাত ধরে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা থামব না, আমরা আমাদের স্বপ্ন পূর্ণ করবই।

সংগঠনের বাংলাদেশে সাংগঠনিক সচিব সাবেক ছাত্রনেতা আলমগীর নূর বলেন, গত ১৭ বছরে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকার আইনের সুশাসন, গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা, জনগণের সাংবিধানিক অধিকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এখনো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগুলোতে সেই স্বৈরাচারের দোসর বহাল তবিয়তে রয়েছে। অনতিবিলম্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. ইউনুস সাহেব আপনি দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের সের্বোচ্চ রাষ্ট্র কাঠামো সচিবালয়সহ সারাদেশে ঘাপটি মেরে বসে থাকা খুনি স্বৈরাচারের দোসরদের বাধ্যতামূলক অবসরের ব্যবস্থা করবেন নইলে দুর্বার গণ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
বিশেষ অতিথি ডেনমার্ক বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক গোলাম সরোয়ার খান বলেন, গত ১৪ বছর নিজের মা-বাবার চেহারা দেখিনি, ফ্যাসিষ্ট হাসিনা রাষ্ট্রদ্রোহীর মামলার হুমকী দিয়েছে, দেশে থাকা পরিবার পরিজনকে।

ডেনমার্ক বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সোনিয়া আফরোজ খান বলেন, বিদেশের মাটিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আকাংখা বুকে ধারণ করে দাবী আদায়ের লক্ষ্যে ডেনিচ ও ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ঘেরাও করে প্রতিদিন মিছিল মিটিং করেছি। দেশে আর কোন ফ্যাসিষ্ট দেখতে চাই না।বক্তব্য রাখেন এডভোকেট আবদুল মান্নান, জায়েদ তালুকদার, ফরিদ উদ্দিন, মিনহাজ উদ্দিন চৌধুরী রানা, মোহাম্মদ জায়েদ উদ্দিন, সাবেক ছাত্র নেতা ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, এড: সৈয়দ এহেসানুল হক, ডবলমুরিং থানা বিএনপি নেতা হাজী আবদুর রহিম, সাংবাদিক নুররুল ইসলাম রিপন, জাহিদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ শফিকুর

রহমান, সাংবাদিক মোঃ ইমতিয়াজ ফারুকী, ইঞ্জিনিয়ার মাজেদুল আলম, ওসমান সরওয়ার খান, মো: রাশেদ, মো. মিজান, মো: বাবুলু, মো: খোকন, মো: আকতার, মো: মিনহাজ রানা, মো. শাকিল, মো. তায়েস, মো: জাহেদ, মো: নুরুল আলম ও মো: আরিফ প্রমুখ। প্রতিনিধি সম্মেলনে হাউজের নিকট উপদেষ্টা মন্ডলীতে ৩ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। মো: জাহিদুল করিম কচি, মো: শাহ নওয়াজ ও কামরুল হুদা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার কমিটি গঠন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ মিরসরাই উপজেলা শাখার এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ চট্টগ্রাম উত্তর জেলার আহবায়ক লায়ন তাহের আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পরিষদের উত্তর জেলার সদস্য সচিব আবু সাঈদ, পরিষদের উত্তর জেলার যুগ্ন আহবায়ক আবুল কাশেম আজাদ (ভিপি শামীম), যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ হোসেন,নাছির উদ্দিন বিপ্লব। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সাবেক ছাত্রনেতা মো. দেলোয়ার হোসেনকে আহবায়ক, অধ্যাপক ছালাহুদ্দীন মোহাম্মদ ছলিম নিজামীকে সদস্যসচিব এবং শহিদুল ইসলাম, আবুল বশর, মো. নিজাম উদ্দিন, মেসকাত উদ্দিন, কামরুল হাসান আজাদ, শামছু উদ্দিন, জিয়া উল হক জিল্লু, ইসমাইল হোসেন খোকন, সিরাজুল ইসলাম লিটন প্রমূখকে সদস্য করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী একমাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার নির্দেশ দেন জেলার নেতৃবৃন্দ।

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ