আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সংবর্ধিত হলেন ইয়াকুব সৈনিক

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাই বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব ইয়াকুব সৈনিককে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উষ্ণ সম্বর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

২২ ফেব্রুয়ারী)(শনিবার) বিকাল ৪ টায় তিনি দুবাই থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাকে ফুলেল সংবর্ধনা জানান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সংবর্ধনায় উপস্থিতিদের উদ্দেশ্যে আলহাজ ইয়াকুব সৈনিক বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশীরা এখনো দেশে জান মালের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিদেশে বাংলাদেশ মিশন গুলোতে আওয়ামী দোসররা এখনো তৎপর। তিনি বলেন যে চেতনা নিয়ে বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে হলে অন্তর্বর্তী সরকারকে অত্যন্ত সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। দেশে-বিদেশে প্রবাসীদের আশা প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরোও বলেন, রেমিট্যান্স যোদ্ধা—এমন একটি শব্দ, যা আজকের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য মর্যাদার প্রতীক। আমরা প্রবাসী বাংলাদেশি, যাঁরা নিজেদের পরিবার এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বিদেশে পরিশ্রম করে থাকি । তাঁদের কঠোর পরিশ্রম এবং ত্যাগের ফলে বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার যে মজুদ গড়ে তুলেছে, তা আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে। এই প্রবাসীরা যদি দেশের অর্থনীতিতে অবদান না রাখতেন, তাহলে আরও অনেক আগেই আমাদের দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিত। কারণ, বছরের পর বছর ধরে দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতা ও আমলারা দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।

সংবর্ধিত অতিথিকে বিমানবন্দরে বরণকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির নেতা ও সংগঠক আলহাজ্ব নাসিম উদ্দিন চৌধুরী,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের চট্টগ্রাম বিভাগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, ব্যবসায়ী মোঃ গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য আশরাফ হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর কৃষক দলের যুগ্ন আহবায়ক মাহাবুবুর রহমান, বিজনেস বাংলাদেশ পতিকার ব্যুরো চীফ ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম,সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আরিফ, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোঃ আব্দুল্লাহ, যুব নেতা মোঃ সুমন, মহানগর বি এন পি,র সিনিয়র সদস্য মো আশরাফুল ইসলাম, জাবেদ আহমেদ, সরকারি সিটি কলেজ ছাত্র দল নেতা মো আরফান ও মো মনজুরুল ইসলাম সুমন।এছাড়া বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ