আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

রুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ফল প্রকাশ করা হয়। ওয়েবসাইটে তিনটি ক্যাটাগরিতে মেধাক্রম প্রকাশ করা হয়েছে। মেধা তালিকায় আসা শিক্ষার্থীরা আগামী ৮ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বিভাগের পছন্দক্রম প্রদান করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রুয়েট জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এবার দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে রুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি প্রিলিমিনারি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মনোনীত ৮ হাজার দুই জন পরীক্ষার্থীকে নিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের পর আবারও এককভাবে স্নাতক শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করলো রুয়েট। এ বছর ১৪টি বিভাগে মোট এক হাজার ২৩৫টি সাধারণ আসন রয়েছে। এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য সংরক্ষিত ৫টি আসন রয়েছে।

রুয়েটের ওয়েবসাইটে তিনটি ক্যাটাগরিতে মেধাক্রম প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক বিভাগে এক হাজার ২৩০ সিটের বিপরীতে ৭ হাজার ৯৩০ জনের তালিকা দেওয়া হয়েছে। খ বিভাগ এবং পার্বত্য জনগোষ্ঠীর জন্য যথাক্রমে ৩০ সিট ও ৫ সিটের বিপরীতে ৫২৪ জন ও ১৬ জনের তালিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ভর্তির জন্য মেধাক্রম এক থেকে এক হাজার ২০০ জন। এর মধ্যে মেধাক্রম এক থেকে ৩০ প্রার্থীদের সশরীরে নিরীক্ষা বোর্ডে উপস্থিত হতে হবে। আগামী ১৯ মার্চ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে তাদের উপস্থিত হতে হবে। সংরক্ষিত আসনের ক্ষেত্রে বান্দরবান জেলার অধিবাসী, পার্বত্য জেলা ও অন্যান্য এলাকার উপজাতি/ক্ষুদ্র জাতিসত্তা/নৃ-গোষ্ঠী মেধাক্রম ১ থেকে ১৬ প্রার্থীদেরও একই সময়ে উপস্থিত থাকতে হবে।

অনলাইন চয়েস ফর্ম পূরণ সংক্রান্ত নির্দেশনা:
মেধা তালিকায় (সারণি-১, ২ ও ৩) স্থানপ্রাপ্ত সব প্রার্থীকে ৮ মার্চ ২০২৫ (শনিবার) সকাল ১০টা থেকে ১৫ মার্চ ২০২৫ (শনিবার) রাত ১১টা ৫৯ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে https://admission.ruet.ac.bd/ -এ গিয়ে অ্যাডমিশন পোর্টালে (Admission Portal) লগ ইন করে অনলাইন চয়েস ফর্মের (Online Choice Form) প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ এবং বিভাগের পছন্দক্রম প্রদান করতে হবে। প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য ১৩টি পছন্দসহ একটি পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে। তবে স্থাপত্য (Architecture) বিভাগের জন্য পছন্দক্রম পূরণের কোনও প্রয়োজন নেই। অনলাইন চয়েস ফর্মে দেওয়া তথ্য ও পছন্দক্রম ১৫ মার্চ ২০২৫ (শনিবার) রাত ১১টা ৫৯ পর্যন্ত পরিবর্তন করা যাবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে ভর্তির দিন ভর্তি কমিটির অনুমোদনক্রমে নির্ধারিত বুথে পছন্দক্রম পরিবর্তন করা যেতে পারে।

ভর্তি হতে যা যা লাগবে:
যাচাই-বাছাই কমিটি দ্বারা প্রার্থীদের সনদপত্রাদি যাচাই করে জমাদানের পর ওইদিনই (১৯ মার্চ ২০২৫) স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। পরদিন ২০ মার্চ সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ১৮ হাজার ৫০০ টাকা রূপালী ব্যাংক রুয়েট শাখায় জমা দিয়ে ভর্তি হতে হবে। তবে কোনও প্রার্থী ভর্তির দিন ভর্তি কার্যক্রম সমাপ্ত করে একই দিনে ভর্তির জন্য নির্ধারিত ফি কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে উল্লিখিত ব্যাংকে জমা দিতে পারবে।

ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পূরণ করা প্রিন্টেড ভর্তি ফরমের কপি, মাধ্যমিক বা সমমান এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার মূল সনদপত্র ও গ্রেডশিটের মূল কপি আনতে হবে। এ ছাড়া সবশেষ উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার মূল প্রশংসাপত্রের মূলকপি, সত্যায়িত ছাড়া সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন দুই কপি ছবি, স্বাক্ষর সংবলিত রুয়েটের লিখিত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আনতে হবে। সংরক্ষিত আসনে ভর্তির জন্য আনতে হবে স্থানীয় চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত সদনপত্র। এ ছাড়া অন্যান্য উপজাতিদের জন্য একই সমমানের সনদপত্র আনতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরুমপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মিজান (৫৩) ও সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন (৩৮)।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, র‌্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৫ জানুয়ারি নগরের খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১৬ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ২৬ জানুয়ারি ভোরে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় পৃথক অভিযানে সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব-৭ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজন র‌্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

কসাইকে ‘খুনের পর টুকরো লাশ ছড়িয়ে দেয়া প্রেমিকা’ গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ এলাকায় পরকীয়া প্রেমের জেরে এক কসাইকে হত্যার পর তার লাশ টুকরো করে তার প্রেমিকা বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিনভর নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন শহীদনগর ও লোহারপুল এলাকার খাল ও বিভিন্ন স্থান থেকে খুন হওয়া আনিসের লাশের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, নিহত মো. আনিছের (৩৮) সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকা সুফিয়া আক্তার (৩৯) নামে এক নারীর পরিকল্পনায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী আনিছকে অভিযুক্ত নারী বাসায় ডেকে নিয়ে সহযোগীদের সহায়তায় পাথরের শীল ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। পরবর্তীতে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারী সুফিয়া আক্তারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিহত আনিছ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চিকদাইর এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি সুফিয়া আক্তার নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন পাঠানপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জানুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার শহীদনগর চারতলার মোড় এলাকায় একটি কালো পলিথিনে মোড়ানো মানবদেহের দুটি কাটা হাত পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার পরপরই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও মরদেহের অবশিষ্ট অংশ উদ্ধারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে উদ্ধারকৃত জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্রে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানান, আনিছ গত ২০ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষে পুলিশ অভিযান শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় রাত আনুমানিক চারটার দিকে শহীদনগর এলাকা থেকে সুফিয়া আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।
চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ উত্তর জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সুফিয়া আক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, নিহত আনিছের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল।

পরবর্তীতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ ও মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তিনি আনিছকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি বিকেলে আনিছকে পাঠানপাড়ার বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পাথরের শীল দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়।

পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ টুকরা টুকরা করে কালো পলিথিনে ভরে আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে শহীদনগর ও শীতলকর্ণা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহের খণ্ডিত বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করা হচ্ছে।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ