আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে গ্রেফতার আরও -১০ মবের কবলে পুলিশ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গায় ‘উচ্ছৃঙ্খল’ একদল লোক পরিকল্পিতভাবে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) হেনস্থা করার ঘটনায় আরও ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার রাত থেকে রোববার ভোররাত পর্যন্ত মহানগরীর পাঁচলাইশ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।

গ্রেফতার ১০ জন হলেন- গনপতি (৫৭), হামিদুর রহমান (৩০), রোহান (২০), আরিফ প্রমাণিক (৩৫), রাব্বি (৩৫), শুভ (১৯), জীবন (২৬), রুমেল (৩০), রেজাউল করিম (৪৫) ও সিয়াম শেখ (১৮)। পুলিশ জানিয়েছে, আগে গ্রেফতার হওয়া দুই জনসহ এই ১২ জনই মবের সঙ্গে জড়িত ছিল।

ওসি শফিকুল জানিয়েছেন, এরা মাদক সেবন ও ছিনতাইয়ে জড়িত। তারা পতেঙ্গা থানার এসআই ইউসুফ আলীকে দলবদ্ধ হয়ে পরিকল্পিতভাবে মারধর ও হেনস্থা করেছিল। এর আগে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে নগরীর পতেঙ্গা থানার আউটার রিং রোডে সমুদ্র সৈকত এলাকায় এ মবের ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয় জনতা দুই জনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তারা হলেন- সাইমন (২৭) ও আলী ইমাদ (২২)।

নগর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মাহমুদা বেগম সোনিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে বসে কয়েকজন যুবক মাদক সেবন করছে বলে তথ্য পৌঁছে জরুরি সেবা নম্বর ট্রিপল নাইনে। তখন সেখানে আউটার রিং রোডে চেকপোস্টে ডিউটি করছিলেন এসআই ইউসুফ। ট্রিপল নাইনের তথ্যে তিনি এগিয়ে গেলে দুই যুবক প্রথমে তাকে ভুয়া পুলিশ বলে চেঁচামেচি শুরু করে।এরপর তারা নিজেদের আরও লোকজন সেখানে নিয়ে আসেন। তারা এসআই ইউসুফকে ঘিরে মবের ঘটনা ঘটায়। তারা ইউসুফের কাছ থেকে ওয়াকিটকি, মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।

ইউনিফর্ম পরা একজন পুলিশ সদস্য হেনস্থার শিকার হচ্ছেন দেখে সমুদ্র সৈকত এলাকার লোকজন সেখানে যান। তারা হেনস্থাকারীদের দুই জনকে ধরে পিটুনি দেন। পুলিশ তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া ওয়াকিটকি, মোবাইল ও মানিব্যাগ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পতেঙ্গা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সর্বশেষ গ্রেফতার ১০ জনকে আদালতে পাঠানো হচ্ছে বলে ওসি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বগুড়া থেকে সাকিব আল হাসান গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাকিব আল হাসানকে গ্রেফতার করেছআদমদীঘি থানার পুলিশ। আদমদীঘিতে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের করা নাশকতা মামলায় উপজেলা ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উপজেলার তালশন কালীবাড়ী মন্দিরসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সাকিব আল হাসান আদমদীঘি উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক । তিনি উপজেলার তালশন গ্রামের ওছমান আলী খন্দকারের ছেলে।

আদমদীঘি থানার পুলিশ জানায়, একটি নাশকতা মামলার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে আদমদীঘি সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, সে সময় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ওই হামলায় অংশ নেন।ঘটনার পর একই বছরের ২৫ আগস্ট বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি নাশকতা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও প্রায় ২৫০ জনকে আসামি করা হয়। আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া জানান, বিএনপি অফিসে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাকিবকে আটক করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে যুবককে পেটানোর পর বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হত্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের কোতোয়ালী থানা এলাকায় চুরির অভিযোগে যুবককে পেটানোর পর বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ জনতা। রোববার দুপুরে নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠ সংলগ্ন রেলওয়ে পাবলিক হাই স্কুলের গেটের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধারে গেলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি অবরোধ করে রাখে। এ সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।কোতোয়ালী থানার ডিউটি অফিসার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ