আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

টঙ্গীতে হত্যার ভয় দেখিয়ে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ আটক- ২

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে এক তরুণী (১৯) দলবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি করায় মঙ্গলবার ৪ মার্চ ২০২৫ ইং তারিখ রাতে টঙ্গীর মরকুন মাষ্টারপাড়া এলাকা থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টঙ্গী পূর্ব থানার মরকুন মাস্টারপাড়া এলাকার মৃত হাজ্বী কেরামত আলীর ছেলে মোঃ মাসুম (৩৬) ও নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার নীলক্ষা গ্রামের হারিজ মিয়ার ছেলে সজিব মিয়া (২৫)। ঘটনায় জড়িত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয় নগর থানার কচুয়ামুড়া গ্রামের বিল্লাল মিয়ার ছেলে আবু বক্কর(২৬) নামে অপর এক অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।
মামলা সুত্রে জানা যায়, নির্যাতিতা ঐ তরুণী টঙ্গী মরকুন মাস্টারপাড়া এলাকায় আকিজ বেকার্স লিমিটেড নামক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ঐ তরুণী তার সহকর্মীকে নিয়ে কারখানায় কাজে যোগ দিতে বাসা থেকে বের হন। এ সময় ঐ তিন যুবক তাদের গতিরোধ করে তরুণীকে হত্যার ভয় দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি বাড়ির নির্জন কক্ষে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এসময় অভিযুক্তরা তাদের মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারন করে রাখে।

এরপর নির্যাতিতা ঐ নারীর ধর্ষণের ধারনকৃত ভিডিও দেখিয়ে দশ হাজার টাকা দাবি করে ছেড়ে দেয়। ঘটনার একদিন পর গত শুক্রবার রাতে টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী তরুণী, মামলা নং ৪৪ তারিখ ২৮/০২/২০২৫ ইং।
ঘটনার পর নির্যাতিতা ঐ তরুণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পুলিশ গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

টঙ্গী পূর্ব থানার চৌকস পুলিশ অফিসার এস আই উৎপল কুমার (পিপিএম) বলেন, ভুক্তভোগী তরুণী অভিযুক্ত দুই জনের নাম জানতেন একজনের নাম জানতেন না। দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত মাসুমকে গ্রেফতার করি। মাসুমকে জিজ্ঞাসাবাদের তার নিকটে থাকা মোবাইলে দলবদ্ধ ধর্ষণের ধারণ করা ভিডিও পাওয়া যায়। তখন সে সব কিছু স্বীকার। পরে মাসুমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সজিবকে গ্রেফতার করি। বুধবার ৫ ই মার্চ দুপুরে দুই আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করি। আদালত আসামীদের ১৬৪ ধারায় জবান বন্দী রেকর্ড করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় জড়িত থাকায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর একজনকে গ্রেফতারে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল দুই পেট্টোল পাম্প, ওজন কম ও হালনাগাদ নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে দুইটি পেট্টোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়। বুধবার বিএসটিআইয়ের পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতে এসব জরিমানা করা হয়। দুটি পেট্টোল পাম্পকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরীক্ষক প্রিময় মজকুরী জয়। অভিযানে নগরীর পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদের বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স পেট্টোল পাম্পের ডিসপেন্সিং ইউনিট যাচাই করে দেখা যায়, ডিজেল সরবরাহে প্রতি ৫ লিটারে ১২০ মিলিলিটার কম দেওয়া হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন মন্ডল অপু।

একইদিন, কাতালগঞ্জ এলাকার হাজি ইউনুস অ্যান্ড কোং নামের পেট্টোল পাম্পের ভেরিফিকেশন সনদ হালনাগাদ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে তাদের ডিসপেন্সিং ইউনিটে পরিমাপের যথার্থতা সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এছাড়া একই এলাকায় খান ব্রাদার্স সিএনজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিমাপ সঠিক এবং প্রয়োজনীয় সব সনদ হালনাগাদ থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ