আজঃ রবিবার ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল নারী শ্রমিকের

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের অক্সিজেন এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী শ্রমিকের মৃত্য হয়েছে। এ দুর্ঘটনা ঘটে। ওই শ্রমিকরে নাম হল সাদিয়া আক্তার (৩৫)। তিন পেশায় একজন পোশাকশ্রমিক বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দীন মজুমদার জানান, ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী আহত হন। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ওসি শহীদুল ইসলাম জানান, সকালে ওই নারী বাসা থেকে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। অক্সিজেন এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় চট্টগ্রাম থেকে নাজিরহাটগামী একটি ট্রেন তাকে ধাক্কা দেয়। পরে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরের ১৬ থানায় ৬০৭টি ভোট কেন্দ্রর মধ্যে ৩০৮টি ঝুঁকিপূর্ণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের ১৬টি থানায় ৬০৭টি ভোট কেন্দ্রর মধ্যে ৩০৮টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এসব থানাগুলোর মধ্যে বন্দর থানা এলাকায় কোন ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র না থাকলেও আকবরশাহ থানার ২২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ন বলে পুলিশ চিহ্নিত করেছে। নগরের এসব থানার মধ্যে চারটি সংসদীয় আসন ও হাটহাজারীর আংশিক এলাকা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় নগর পুলিশ।এদিকে ঝুঁকি মোকাবেলায় এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভোটের চারদিন আগে থেকে এবং ভোটের পরবর্তী দুই দিন মিলিয়ে মোট ছয়দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকবে।

নগর পুলিশের তালিকা অনুযায়ী, সবেচেয়ে বেশি অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে খুলশীতে। সেখানে ৪৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বন্দর থানা এলাকায় অধিক গুরুত্বপূর্ণ কোনো কেন্দ্র নেই। আকবরশাহ থানার ২২টি কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলোই অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নগর পুলিশের করা তালিকা অনুযায়ী- নগরীর চারটি আসন ও হাটহাজারীর আংশিক নির্বাচনী এলাকার ১৬ থানায় ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৬০৭টি। ভোটকেন্দ্রগুলোকে সাধারণ, গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ- এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩০৮টি কেন্দ্রকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এদিকে কোতোয়ালী থানার ৫২ কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮টি ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। এছাড়া সদরঘাট থানার ২৩ কেন্দ্রের মধ্যে ১৫, চকবাজারের ১৬ কেন্দ্রের মধ্যে ৪, বাকলিয়ার ৩৯ কেন্দ্রের মধ্যে ১৩, চান্দগাঁওয়ে ৫৬ কেন্দ্রের মধ্যে ২৭, পাঁচলাইশে ৩২ কেন্দ্রের মধ্যে ১৮, বায়েজিদে ৫৬ কেন্দ্রের মধ্যে ১৮, ডবলমুরিংয়ে ৪৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১৮, হালিশহরে ৪২ কেন্দ্রের মধ্যে ৩২, পাহাড়তলীতে ২৮ কেন্দ্রের মধ্যে ১৯, ইপিজেডে ৩১ কেন্দ্রের মধ্যে ১৩, পতেঙ্গায় ২৫ কেন্দ্রের মধ্যে ৭ এবং কর্ণফুলী থানা এলাকায় ৪৭ কেন্দ্রের মধ্যে ১৯ কেন্দ্রকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

এর আগে গত ৬ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে মাঠ পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে পাঠানো পরিপত্রে বলা হয়েছে, অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রসহ চারজন পুলিশ, একজন অস্ত্রধারী সেকশন কমান্ডারের নেতৃত্বে একজন সাধারণ আনসার, প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তার জন্য একজন অস্ত্রসহ আনসার সদস্য, অস্ত্রসহ একজন সহকারী সেকশন কমান্ডার, লাঠিসহ চারজন মহিলা ও ছয়জন পুরুষ আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে অস্ত্রসহ তিনজন পুলিশ সদস্য,

অস্ত্রসহ একজন সেকশন কমান্ডারসহ একজন আনসার সদস্য, প্রিজাইডিং অফিসারের নিরাপত্তার জন্য একজন অস্ত্রসহ আনসার সদস্য, সহকারী সেকশন কমান্ডারের নেতৃত্বে একজন আনসার সদস্য ও চারজন মহিলা এবং ছয়জন পুরুষসহ ১০ জন আনসার সদস্য কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে।এছাড়া নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড (উপকূলীয় এলাকায়), র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্য নিয়োজিত থাকবে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, পুলিশ কমিশনার গুরুত্ব বিবেচনায় রিটার্নিং অফিসারের সাথে পরামর্শক্রমে প্রয়োজন অনুসারে ভোটকেন্দ্রে পুলিশ এবং আনসার ও ভিডিপি সদস্য সংখ্যা কম বেশি করতে পারবেন।

ওয়েজ বোর্ড ছাড়া কোনো মিডিয়া আমরা চলতে দেব না-বিএফইউজে মহাসচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে কেউ কেউ হস্তক্ষেপ করতে চায়। আমি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই—এই প্রেসক্লাব চলবে প্রেসক্লাবের সদস্যদের মতামতে; কোনো দল বা সরকারের মতামতে নয়, কোনো উপদেষ্টার মতামতে নয়।
শনিবার সন্ধ্যায় ভিআইপি লাউঞ্জে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সাংবাদিকদের কোনো প্রতিষ্ঠানে দিকে হাত বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না, হাত ভেঙে দেওয়া হবে। এটা কোনো দলের কার্যালয় হবে না। কোনো দলের ইঙ্গিতে এই প্রেসক্লাব পরিচালিত হবে না, কোনো সরকার বা উপদেষ্টার ইচ্ছায় এই প্রেসক্লাব পরিচালিত হবে না। এই প্রেসক্লাব একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। এই প্রেসক্লাব চলবে এখানকার সদস্যরা মিলে যে সিদ্ধান্ত নিবেন, এখানকার যে গঠনতন্ত্র আছে সেই অনুযায়ী; যেভাবে জাতীয় প্রেসক্লাব চলছে। এখানে বক্রচক্ষে দেখার কেউ চেষ্টা করবেন না। আমরা সেটা থামিয়ে দিতে জানি এবং থামিয়ে দেব।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর আমাদের কিছু কিছু সাংবাদিকের কারণে সাংবাদিকতার যে মর্যাদা, সেটা ম্লান হয়ে গিয়েছে। কিছু কিছু সাংবাদিকের এত বেশি দলদাসত্ব সাংবাদিকতাকে একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছে। কিছু কিছু সাংবাদিকের লোভ ও লালসা আমাদের সাংবাদিকদের সম্পর্কে মানুষের মধ্যে বিরূপ ধারণা তৈরি করেছে। সে সময়ে শুধু চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নয়, জাতীয় প্রেসক্লাবসহ অধিকাংশ প্রেসক্লাবগুলো আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পরিণত হয়েছিল। কিছু ছদ্মবেশী সাংবাদিক সেই কাজটি করেছিলেন। এই কাজটি কিন্তু তাদের ছিল না।

যখন ছাত্র-জনতা নির্বিচারে ও নির্মমভাবে হত্যার শিকার হচ্ছিল, তখন এই তথাকথিত কিছু সাংবাদিক সেই রক্তপাতকে উৎসাহিত করেছেন উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, এদেরকে আমি জাতির বিবেক বলি কীভাবে? এদেরকে আমি সাংবাদিক বলি কীভাবে? এরা তো জাতির শত্রু, সমাজের শত্রু; এদেরকে সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে ‘শত্রু’ হিসেবে আমাদের চিহ্নিত করতে হবে। এদের সাথে কোনো আপস হতে পারে না। যারা আমার সন্তানদের নির্মম হত্যাকে উৎসাহিত করেছে, যারা আমার পেশাকে কলঙ্কিত করেছে, যারা গণমাধ্যমের আস্থা নষ্ট করে দিয়েছে—ওদেরকে গণমাধ্যমের বন্ধু বলা যাবে না, শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এবং গণমাধ্যমে চিহ্নিত করাটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।

সাংবাদিকদের বাঁচার একটিই পথ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সেটা হলো ঐক্যবদ্ধতা, একতাবদ্ধতা। একসাথেই আমরা সবার হাত ধরে এগোবো। সেটা যদি পারি, আমরা বাঁচতে পারবো; না হলে আমাদেরকে নির্যাতিত ও নিপীড়িত হতে হবে। আর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে প্রকৃত সাংবাদিকদের সাথে, কোনো সন্ত্রাসীর সাথে নয়, কোনো দলদাসের সাথে নয়। আমরা যদি গণমাধ্যমকে বাঁচাতে চাই, নিজেরা বাঁচতে চাই, আমাদের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চাই, তাহলে এক শামিয়ানার নিচে সমবেত হওয়ার বিকল্প নেই।

বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, ওয়েজ বোর্ড ছাড়া কোনো মিডিয়া আমরা চলতে দেব না। ‘নো ওয়েজ বোর্ড, নো মিডিয়া’ নীতিমালা কার্যকর করতে হবে। এই নীতিমালার শুভঙ্করের ফাঁকি রাখা যাবে না। আপনারা ঘোষণা দিচ্ছেন যে নবম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি, দশম ওয়েজ বোর্ড দিচ্ছি—বাস্তবে হাতেগোনা দু-চারজনকে দেন, অন্যদের দেন না; বিশেষ করে ঢাকার বাইরের সাংবাদিকরা পায় না। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। অবিলম্বে নবম ওয়েজ বোর্ড সকল গণমাধ্যমে কার্যকর করার আহ্বান জানাচ্ছি এবং দশম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।

সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, আরিচ আহমেদ শাহ ও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ। ক্লাবের সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুলের সঞ্চালনায় এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ হোসাইন এবং মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল কাইয়ুম।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ