আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

গনতান্ত্রিক যুবদল ও সেচ্ছাসেবকদলের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর এলডিপির সহযোগী সংগঠন গনতান্ত্রিক যুবদল ও গনতান্ত্রিক সেচ্ছাসেবকদলের উদ্যোগে এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রমের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজারে রোজাদার ও পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর এলডিপির সিনিয়র সদস্য নুরুল আসগর চৌধুরী। সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি বি এম সায়েদুল হকের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন,কোতোয়ালি থানা এলডিপির সাধারণ সম্পাদক ইকরামুল করিম ইমন, খুলশী থানার সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর গনতান্ত্রিক যুবদলের সভাপতি আজহারুল ইসলাম অপু। প্রধান অতিথি বলেন, ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম বিদ্রোহকারী সম্মুখযোদ্ধা, সাবেক মন্ত্রী এবং প্রবীণ রাজনীতিবিদ।
রাষ্ট্রের প্রয়োজনে তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ দেখতে দেশের সর্বস্তরের জনগণের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। সিনিয়র সহসভাপতি মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনাম উদ্দিন, সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ রানা,যুবদলের তৈয়ব,আবুল কালাম,ইউসুফ, মোরশেদ,মারুফ, সেচ্ছাসেবক দলের শাহাবুদ্দিন, শারুক প্রমুখ। সংক্ষিপ্ত আয়োজনে ২শতাধিক রোজাদার ও পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ সম্পন্ন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহান মে দিবসে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি নাসিমন ভবনে গিয়ে শেষ হয়।সংগঠনের সভাপতি দিদারুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ সেলিম ভুইঞা, মোঃ বশির,শাহেদ আলম, মাবুদ, নাছির, শাহ আলম,মোঃজামশেদ, মহিউদ্দিন, মোঃমফজ্জল,হেদায়েত উল্ল্যা মোঃইসমাইলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সাইফুল ও সোমনাথ রাজু। এছাড়াও শ্রমিক ইউনিয়নের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রেরণার উৎস। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

চট্টগ্রামে উদীচীর উদ্যোগে মহান মে দিবস উদযাপনে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

“রক্তে ধোয়া মে তোমায় সেলাম’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আজ চট্টগ্রাম শাহআমানত মার্কেট সংলগ্ন আমতল চত্বরে উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের আয়োজনে মহান মে দিবসের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১০ টায় উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক জসীম চৌধুরী সবুজের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক এডভোকেট অসীম বিকাশ দাশের সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের সহ সভাপতি ডা: অসীম কুমার চৌধুরী, চট্টগ্রাম থিয়েটার এর দলপ্রধান এডভোকেট দীপক চৌধুরী, ভাস্কর ধর,লেকচারার নরেন সাহা প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, মে দিবস হলো দুনিয়ার মেহনতী মানুষের সঙ্কল্প গ্রহণের দিন। এই সঙ্কল্প হলো সামাজিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে শ্রেণী বৈষম্যের বিলোপসাধন।

মে দিবস দুনিয়ার শ্রমিকের এক হওয়ার ব্রত। আন্তর্জাতিক সংগ্রাম আর সৌভ্রাতৃত্বের দিন, শ্রমজীবী মানুষের উৎসবের দিন, জাগরণের গান, সংগ্রামে ঐক্য ও গভীর প্রেরণা। মে দিবস শোষণ মুক্তির অঙ্গীকার, ধনকুবেরের ত্রাস, সমাজতন্ত্র গড়ার নতুন শপথ । মে দিবস হলো কাজের সময় হ্রাস ও মজুরি বৃদ্ধির এক আন্দোলন এবং দুনিয়ার শ্রমিক সংহতি দিবস, পুঁজিবাদী শোষণ মুক্তির সংগ্রামী শপথ।

শ্রমিকশ্রেণীর আন্দোলন থেকেই উঠে এসেছে এইদিনটি। আন্দোলনের পথ কখনই মসৃণ ছিল না, মসৃণ থাকেও না, সময়ের নিয়মেই ছিল নানা ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাতে, জুলুম অত্যাচারে, প্রতিরোধে, ধর্মঘটে, মিছিলে, সংগ্রামী ঐক্যে রক্তলাঞ্ছিত। মে দিবস একদিনে এই আন্তর্জাতিক চেহারা পায়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস। রয়েছে অনেক রক্তঝরার কাহিনী। জন্মলগ্ন থেকেই শ্রমিকশ্রেণীর ইতিহাস সংগ্রামের ইতিহাস। শ্রমিকশ্রেণীকে উদয়াস্ত কাজ করতে হবে আঠারো ঘণ্টা, কুড়ি ঘণ্টা পর্যন্ত ছিল কাজের সময়-সীমা এই অসম সীমারেখার প্রতিবাদ জানিয়েই ১৮৮৬ সালে শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকশ্রনীর প্রতিবাদ এবং পরবর্তীতে রক্তাক্ত আন্দোলনের মধ্য দিয়েই শ্রমিক দিবসের প্রতিষ্ঠা পায়।

উক্ত আয়োজনে,শ্রমিকের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গণসংগীত পরিবেশন করেন উদীচী চট্টগ্রাম জেলা সংসদের শিল্পীকর্মীরা। প্রতিবাদী আবৃত্তি পাঠ করেন শান্তা সেন গুপ্ত, একক সংগীত পরিবেশন করেন সীমা দাশ। স্কেচ গ্যালারি নন্দনের পরিবেশনায় পথনাটক “গুপ্তবিদ্যা “মঞ্চস্থ করা হয়।সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন “বিশ্বতান ”এর হৃদিতা দাশ পূজা,নরেন সাহা, নিভূ সেন,দূর্জয় দাশ, রুনা বড়ুয়া, আলেয়া বড়ুয়া, পম্পি চৌধুরী প্রমুখ।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ