আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

কিডনি চিকিৎসা সহজলভ্য করতে হবে:চসিক মেয়র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, অথচ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার অভাবে তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। চিকিৎসার ব্যয়ভার অধিকাংশ মানুষের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাই কিডনি চিকিৎসা সহজলভ্য করতে হলে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, কিডনি রোগের চিকিৎসায় অন্যতম প্রধান উপায় হলো ডায়ালাইসিস। কিন্তু চট্টগ্রামের মতো বড় শহরেও ডায়ালাইসিস সেন্টারের সংখ্যা সীমিত। এতে রোগীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় এবং অনেকে সময়মতো চিকিৎসা পান না। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চায়, তাই আমরা চাই নগরীতে ডায়ালাইসিস সেন্টারের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হোক। তিনি আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে কম খরচে বা বিনামূল্যে ডায়ালাইসিস সেবা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও এ বিষয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

কিডনি রোগের অন্যতম কারণ সম্পর্কে সচেতনতার অভাবের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, শুরুতে এই রোগ ধরা না পড়লে পরবর্তীতে এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তাই কিডনি রোগের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষকে কিডনি রোগের ঝুঁকি সম্পর্কে জানাতে হবে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত পানি পান করার গুরুত্ব বোঝাতে হবে। শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানান মেয়র। তিনি বলেন, শুধু কিডনি রোগ নয়, অন্যান্য জটিল রোগের চিকিৎসা সহজলভ্য করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। চট্টগ্রামে একটি অত্যাধুনিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে কিডনি রোগীদের জন্য বিশেষ সেবা নিশ্চিত করা হবে।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কিডনী রোগ বিভাগ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় বৃহস্পতিবার বিশ্ব কিডনী দিবস ‘২০২৫ পালিত হয়েছে। এবারের কিডনী দিবসের প্রতিপাদ্য ’আপনার কিডনী কি সুস্থ? দ্রুত শনাক্ত করুন, কিডনী স্বাস্থ্য সুরক্ষা করুন।’
বিশ্ব কিডনী দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত কর্মচারীদের প্রাথমিক কিডনী রোগ সনাক্তকরন বিষয়ক সপ্তাহ ব্যাপী কর্মসূচী আগামী ১২ থেকে ১৭ এপ্রিল নেফ্রোলজি বিভাগে আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়াও কিডনী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বৈজ্ঞানিক সেমিনার, আলোচনা সভা, রেলি, হাসপাতালে আগত রোগী ও স্বজনদের মাঝে সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের নতুন একাডেমিক ভবনের নিচতলায় কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। কিডনী রোগ বিভাগ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা মো নুরুল হুদার সভাপতিত্বে উক্ত সেমিনারে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ ওমর ফারুক ইউসুফ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও কিডনী রোগ বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ইমরান বিন ইউনুস, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের

পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন ,চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ আব্দুর রব, চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা এম এ কাসেম, অধ্যাপক ডাঃ এ এম এম এহতেশামুল হক, ইউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ কাজী মোঃ মনোয়ারুল করিম বাবর। আলোচনার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডাঃ মোঃ ফয়েজুর রহমান।

সেমিনারে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেন ডা রোসান্না বিনতে কামাল। কিডনী রোগ বিভাগের বিগত বছরের কার্যক্রমগুলো তুলে ধরা ও পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা মেরিনা আরজুমান্দ।
সভাশেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দ মাহতাবুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শফিউল হায়দার রুশনী ও ডাঃ রফিকুল হাসান। নেফ্রোলজি বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ ইমরান বিন ইউনুস চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন থেকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হওয়ায় নেফ্রোলজি বিভাগের পক্ষ থেকে উনাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সেমিনারে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত সকল শিক্ষক ও চিকিৎসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সেমিনার শেষে রোগী ও সাধারণ জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন। শোভাযাত্রা নতুন একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পুরো অনুষ্ঠানে সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেন ডাঃ মোহাম্মদ আবদুল কাদের, ডাঃ জাহেদ উদ্দিন। উল্লেখ্য প্রতি বছর বিশ্বব্যাপি কিডনী রোগ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মার্চ মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার বিশ্ব কিডনী দিবস পালিত হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ