আজঃ বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামে রেল ও সড়কপথ অবরোধ করে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাত দফা দাবিতে চট্টগ্রাম মহানগরীতে রেললাইনে ট্রেন আটকে ও সড়ক অবরোধ করে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের কারণে কক্সবাজারসহ দক্ষিণ চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও উত্তর চট্টগ্রামের রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আটকে পড়া ট্রেন ও সড়কে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীদের গরমের মধ্যে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এ সময় তারা ঢাকা ছেড়ে আসা কক্সবাজারগামী ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ ট্রেন আটকে দেন। একইসঙ্গে রেললাইন সংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে যানবাহন আটকে সড়কের উভয়পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর নিয়োগবিধি সংশোধন, ব্যবহারিক ক্লাসের প্রশিক্ষক পদের নাম ‘ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর’ না করাসহ সাত দফা দাবিতে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি শুরু করেন।
আটকে পড়া পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী আলামিন বলেন, আমরা তো যাত্রী, সকাল ৬টার দিকে আমরা ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছি। রোজা-রমজানের দিন খুব কষ্ট পাচ্ছি। আমরা রোজাদার মানুষ। ছোট বাচ্চারা কষ্ট পাচ্ছে। আমরা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে আটকে আছি।
হোসাইন শামীম নামে আরেক যাত্রী বলেন, সকাল ৬টায় ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে আমরা চট্টগ্রাম পৌঁছেছি সাড়ে ১১টার দিকে। আমরা যাব কক্সবাজার। আড়াই ঘণ্টার মতো এখানে আটকে আছি।

ফেরদৌসি আক্তার নামে আরেক যাত্রী বলেন, রেলের যাত্রীদের আটকে রেখে কি দাবি আদায় হবে? আমরা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি। যদি বাসের কাউন্টার কাছে থাকতো আমি গাড়ি নিয়ে চলে যেতাম। আমার হাসবেন্ডও অসুস্থ।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, দুই নম্বর গেটে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা কক্সবাজারগামী একটি ট্রেন আটকে দিয়ে আন্দোলন করছে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ট্রেনটি সেখানে আটকে আছে। ওই রুট দিয়ে নাজিরহাটগামী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনও চলাচল করে। এখন ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে।

এদিন দুপুর ১২টায় নগরীর দুই নম্বর গেইট এলাকায় প্রথমে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন প্রায়ই দেড় শতাধিক পলিটেকনিক শিক্ষার্থী। চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, শ্যামলী, এমআইটিসহ বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচিতে যোগ দেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘নন টেক, মুক্ত করো, কারিগরি পথ খুলো, ২৪ আমার অহঙ্কার, কারিগরি আন্দোলন আমার অহঙ্কার, মামা এখন মাস্টার, মামার বাড়ির আবদার, এক, দুই, তিন, চার, কারিগরিতে দুর্নীতি ছাড়’- সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীদের সাত দফা দাবি হলো- জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে, ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরসহ সকল পদে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনবল নিয়োগ দিতে হবে, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের জন্য সকল বিভাগীয় শহরে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় অতি শিগগিরই স্থাপন করতে হবে, কারিগরি শিক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

শিক্ষক পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর চাকরির আবেদন বাস্তবায়ন করতে হবে, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য প্রাইভেট সেক্টরে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল নির্ধারণ করে দিতে হবে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইন্সট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ কোটা অনতিবিলম্বে বিলুপ্ত করতে হবে ও অবিলম্বে অযৌক্তিক রায় বাতিল করে পূর্বের নিয়োগ পদ্ধতি বহাল রাখতে হবে।
বিক্ষোভে আসা চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ইফতেখার উদ্দিন বলেন, আমরা চার বছর কষ্ট করে যে ডিপ্লোমা পাশ করব। আর ওরা এসএসসি ও এইচএসসি পাশ করে এসেছে আমাদের পড়াতে। ওরা কি জানে? ওরা ইঞ্জিনিয়ারিং এর কি জানে? ওরা সর্ব্বোচ্চ ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি পড়াবে আর কি। ওদের কীভাবে ৩০ শতাংশ কোটা দেয়।

মাহাদি আফসার নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এখানে রাতের আঁধারে নিয়োগ হয়েছে, যেটা ২০১৩ সালে হয়েছিল। তারা জেনারেল লাইন থেকে এসেছিল। আমরা চার বছর ধরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি। ডিপ্লোমা শেষ করার পর সরকারি চাকরিতে দশম গ্রেড আমাদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দশম গ্রেডের চাকরি শুধু ডিপ্লোমা পাশ শিক্ষার্থীদের। যারা এসএসসি বা এইচএসসি পাশ তারা কখনও দশম গ্রেডে আসতে পারবে না। তাদের গ্রেড ১৫ বা ১৬। তাদের নিয়োগ হয়েছে রাতের আঁধারে। আমরা এ ভুয়া নিয়োগ মানি না। জেনারেলে পড়ে যদি ওরাই আমাদের জায়গা নেই, তাহলে আমরা কেন ডিপ্লোমা পড়ছি। একজন এসএসসি পাশ করা ছেলে কীভাবে একজন ডিপ্লোমার শিক্ষার্থীকে পড়াবে এ যুক্তি কি মানা যায়?

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের কিছু দাবি নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছিল। দুই ঘণ্টা তারা সড়ক অবরোধ করে রেখিছিল। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। দুপুর আড়াইটার দিকে তারা সড়ক ছেড়ে দেন। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজন ও বর্নিল সাজের মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসব মুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ।আজ মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩ সনের সূচনাকে স্বাগত জানান স্থানীয়া।

সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী পলো, খেওয়া জাল, পালকি সহ বিভিন্ন দেশীয় উপাদান প্রদর্শন করেন। শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন ৭০’পাবনা-৩ আসনের এমপি মাওলানা আলী আছগার ।

উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মিজানুর রহমান,ওসি সাকিউল আযম,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফৌরদাউস হোসাইন, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক ফরিদুল ইসলাম,কৃষক দলের সভাপতি মোঃ আখিরুজ্জামান মাসুম প্রমুখ শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান । যেখানে স্থানীয় শিল্পীরা গান, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এছাড়া মেলা, পান্তা খাওয়া এবং খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। সব মিলিয়ে ভাঙ্গুড়াবাসী আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেন নতুন বছর।

সুস্থ জীবনের জন্য নিরাপদ পরিবেশ অপরিহার্য : চুয়েট ভিসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেছেন, মানুষের সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জন্য নিরাপদ ও নির্মল পরিবেশ অপরিহার্য। আর এই নির্মল পরিবেশের অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে কার্যকর ও টেকসই স্যানিটেশন ব্যবস্থা। স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন শুধু জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নই নিশ্চিত করে না, বরং দারিদ্র্য বিমোচন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি আরও বলেন, আমাদের নগরায়ণের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে জলাবদ্ধতা। নগরের খাল, ড্রেন, বক্স কালভার্ট এবং স্যুয়ারেজ লাইন অবৈধ দখল ও কঠিন বর্জ্যে ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন খাল ও জলাধার পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং নগরবাসীর দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা।

সোমবার দুপুরে চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের সেমিনার কক্ষে ইনস্টিটিউট অব রিভার, হারভার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স কতৃর্ক আয়োজিত “বিল্ডিং রেজিলিয়েন্ট সেনিটেশন সিস্টেমঃ এসটিপি, এফএসএম অ্যান্ড সাসটেইনেবল ড্রেইনেজ ইন প্র্যাকটিস” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বুয়েট এর পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং গ্লোবাল সেনিটেশন গ্র্যাজুয়েট স্কুল (জিএসজিএস) এর রিজিওনাল ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর আহমেদ এবং চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগ এর বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোঃ রিয়াজ আকতার মল্লিক। এতে সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউট অব রিভার, হারভার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এর পরিচালক অধ্যাপক ড. আসিফুল হক।

সেমিনারে রিসোর্স পার্সন ছিলেন বুয়েট এর পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং জিএসজিএস এর রিজিওনাল ডিরেক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর আহমেদ, ইনস্টিটিউট অব রিভার, হারভার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এর পরিচালক অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন। সেমিনার সঞ্চালনা করেন আইআরএইসইএস সহকারী অধ্যাপক ড. মো: আরিফ হোসেন ।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ