আজঃ মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬

নগরীর পৃথক দুইটি স্থানে ইফতার বিতরণকালে মুহাম্মদ শাহেদ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফ্যাসিস্টের দোসরেরা দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত
জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ আজ ২১ মার্চ (শুক্রবার) খুলশী থানা যুবদল ও পাঁচলাইশ থানা যুবদলের অন্তর্ভূক্ত ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন ইউনিট যুবদলের উদ্যোগে মাসব্যাপি কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ পৃথক পৃথক স্থানে শ্রমজীবি ও পথচারী মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন।

এসময় মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে আওয়ামী ফ্যাসিস্টের দোসরেরা নতুন নতুন দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। খুনি হাসিনা ভারতে বসে দিবাস্বপ্নে বিভোর। এদেশের মানুষ আর আওয়ামীলীগ দেখতে চাই না। আওয়ামীলীগ মানে খুনি, লুঠেরা ও দুর্নীতিবাজ। তাদের হাতে এদেশের মানচিত্র নিরাপদ নয়। হাসিনার দালালেরা নতুন নতুন ফন্দি ফিকির করছে। এদেশের আপমর জনসাধারণ তাদের ফাদে পা দেবে না। তিনি আরো বলেন, এদেশের সবচেয়ে নির্যাতিত পরিবার হলো শহীদ জিয়া পরিবার। বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীর ঘরে ঘরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের নির্যাতনের চিহ্ন এখনো বিরাজমান। খুনীর সাথে বন্ধুত্ব হয় না। যারা এই বন্ধুত্বের স্বপ্ন দেখছেন তারা বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি, যুবদল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন ঐক্যবদ্ধ।

ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ তারেক রশিদ, যুবদলের সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, সাবেক কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুর হোসেন উজ্জ্বল, সাবেক প্রচার সম্পাদক জিল্লুর রহমান জুয়েল, মহিউদ্দিন মুকুল, নুরুল ইসলাম মোল্লা, জহিরুল ইসলাম জহির, হামিদুল হক চৌধুরী, গুলজার হোসেন মিন্টু, শাহবাব ইয়াজদানী, কলিম উল্লাহ, শহিদুল ইসলাম কুট্টি, রিদোয়ান হোসেন জনি, ৭ নং য়ার্ড যুবদলের সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ জাবেদ হোসেন, হাসান চৌধুরী তোফা, সোলেমান হোসেন মনা, মোঃ জাভেদ হোসেন, জসিম উদ্দিন তালুকদার, মোঃ সুমন, মোঃ আলমগীর, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ শাহজাহান, মোঃ রুবেল, মোঃ সুমন, রুবেল, ইকবাল, শফিউল সামু, খুলশী থানা যুবদল নেতা সাজ্জাদ হোসেন, সাজু. লিটন, সাহেদ, নুরল ইসলাম রাজন, আসলাম, সোহেল, পারভেজ, সিপলো, শওকত, আজমির, শুকুর, আজাদ, ইমাম হোসেন, আমির হোসেন, আবু বক্কর, ফারুক,

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার বেড়ায় রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা বেড়া উপজেলার বড়শিলা গ্রামের এক বৃদ্ধ রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২০ মার্চ সকালে বেড়া উপজেলা বড়সিলা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে ফজলু রহমান (৫৫) নামে এক ভ্যান রিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে বেড়া থানা পুলিশ। নিহত বৃদ্ধ পৌরসভার হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌরসভা এলাকার বড়শিলা গ্রামে ধানের ক্ষেত থেকে বৃদ্ধ রিকশা চালকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশ কে খবর দেয়।

বেড়া থানার অফিসার ইনচার্জ নিতাই চন্দ্র জানান, থানা পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ