আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ব্লগবাড়ির আয়োজনে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা “নূরের পাখি সিজন-২” সম্পন্ন

স ম জিয়াউর রহমান, চট্টগ্রাম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মননশীল প্লাটফরম ব্লগবাড়ির আয়োজনে ও ফুলের হাসি ফাউন্ডেশন তত্ত্বাবধানে “হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা “নূরের পাখি সিজন-২ ২০২৫” প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এ প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়। ফুলের হাসি ফাউন্ডেশন সভাপতি অধ্যক্ষ ডা সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতায়, ব্লোগ বাড়ির চেয়ারম্যান কাজী সাঈদের তত্বাবধানে, গিয়াস উদ্দীন ও তসলিম হাসানের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল কলেজের চেয়ারম্যান লায়ন মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান এবং হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আইয়ুব।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আজাদীর নির্বাহী পরিচালক শিহাব মালেক, ফিলনে প্রোপার্টিজ লিমিটেড সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল্লাহ নাসের, এপিক প্রোপার্টিজ লি. এর হেড অব ব্র‍্যান্ড কমিউনিকেশন মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন, ফুলকলি গ্রুপ জিএম আবদুস সবুর, ডাক্তার মেসবাহ উদ্দীন তুহিন, নাগরিক টিভির ব্যুরোচিফ এ কে আজাদ, পটিয়া জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক দিদারুল আলম, হালিশহর প্রিমিয়ার ব্যাংক প্রিন্সিপাল অফিসার গিয়াস উদ্দিন সেলিম, বেওয়ারিশ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাতা শওকত হোসেন পিপিএম, মোঃ নাসির উদ্দিন, হালিশহর প্রি-ক্যাডেট স্কুল সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, ফুলের হাসি ফাউন্ডেন উপদেষ্টা মোস্তাফিজুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মো: লোকমান হোসাইন, এডভোকেট বরকতুল্লাহ খান, এডভোকেট আল-আমিন, এডভোকেট হুমায়ুন কবির হিমু, আব্দুল নুর, প্রবাসী ক্লাব চেয়ারম্যান খন্দকার হেলাল উদ্দিন সিআইপি, ক্যাপ্টেন মুসলিম ফারুকসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

উক্ত প্রতিযোগিতায় ৩০০ অধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন, যেখানে প্রথম পুরস্কার নগদ ২০,০০০ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার নগদ ১৫,০০০ টাকা, তৃতীয় পুরস্কার নগদ ১০,০০০ টাকা এবং চতুর্থ থেকে দশম স্থান অর্জন কারীদের প্রদান করা হয়েছে সম্মাননা স্মরক।

প্রথম পুরস্কার অর্জন করেন হাফেজ আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, দ্বিতীয় পুরস্কার অর্জন করেন হাফেজ রেজাউল করিম, তৃতীয় পুরস্কার অর্জন করেন হাফেজ মোহাম্মদ সাঈদ।
এছাড়া চতুর্থ থেকে দশম স্থান অর্জন করেন যথাক্রমে হাফেজ আব্দুল্লাহ আল তামিম, হাফেজ নাফিছ উদ্দীন, হাফেজ আব্দুর রহমান, হাফেজ মোহাম্মদ ওমায়ের, হাফেজ জাহেদুল ইসলাম, হাফেজ মোহাম্মদ আনাছ ও হাফেজ মুফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ডা সানাউল্লাহ বলেন, সুস্থ সংস্কৃতি মননে এবং দ্বীনের খেদমতে ব্লগবাড়ি’র কার্যক্রম গতিশীল থাকবে।
ব্লগবাড়ির লক্ষ্য কেবল চট্টগ্রাম আঞ্চলিক বা দেশের মধ্যে আবব্ধ নয়, আমরা চাই এই কুরআনের প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দিতে। এতে আপনাদেরও সহযোগিতা আমরা কামনা করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ