আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

গুণীজন সংবর্ধনা সম্পন্ন।

বলাই আচায্য বলাই

মানবকল্যাণমুখী জ্যোতিষশাস্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে প্রতিটি জ্যোতিষীর সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ২৬ মার্চ বুধবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক হলে এক গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ এ. আর. আচার্য্য। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এডভোকেট ড. নুরুল ইসলাম বখতেয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি চট্টগ্রাম সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটি বাবু স্বপন মল্লিক, মৎস্যবিজ্ঞানী বাবু নীলরতন দাশগুপ্ত, ও চট্টগ্রাম জ্যোতিষশাস্ত্র গবেষণা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মিন্টু কুমার আচার্য্য। সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট জ্যোতিষী কার্তিক কুমার আচার্য্য ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা বিশিষ্ট জ্যোতিষী লিটন আচার্য্য। যারা জ্যোতিষ শাস্ত্রকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য অপরিসীম গবেষণার মাধ্যমে প্রাচ্য ও মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ভারতে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন, তাদেরকে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মানসূচক মানপত্র প্রদান করা হয়। চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশের সমগ্র জ্যোতিষীদের উদ্দেশ্যে তারা বলেন, বর্তমান সময়ে জ্যোতিষ শাস্ত্র বিষয়ে সকল জ্যোতিষীদেরকে গবেষণায় এগিয়ে আসতে হবে এবং নতুন গবেষণালব্ধ আবিষ্কারকে সমগ্র দেশের জনগণের কল্যাণে প্রয়োগ করতে হবে। এভাবে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন জ্যোতিষীদের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে। উল্লেখিত দুইজন সংবর্ধিত অতিথি বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটির প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন একটি সুন্দর গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে তাদেরকে সংবর্ধিত করার জন্য। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেছেন, এই মানবকল্যাণমুখী জ্যোতিষশাস্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে প্রতিটি জ্যোতিষীর সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে এবং সাধারণ মানুষের মঙ্গলের জন্য অবদান রাখতে হবে। তাহলে এই ধরনের গুণীজন সংবর্ধনার প্রশংসা সাদরে মানুষ গ্রহণ করবে। পরিশেষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির বর্তমান সভাপতি অধ্যক্ষ এ আর আচার্য্য শারীরিক অসুস্থতার কারণে সংগঠন পরিচালনায় অক্ষম হওয়ার বিষয়ে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এডভোকেট ড. নুরুল ইসলাম বখতেয়ার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে চট্টগ্রামের কমিটিতে লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য বলাইকে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। এই কৃতজ্ঞতার জন্য সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ এ. আর. আচার্য্য ফুলের তোড়া দিয়ে ভারপ্রাপ্ত সভাপতিকে অভিনন্দন জানান। উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা থেকে প্রকৃত জ্যোতিষীগণ সমবেত হয়েছিলেন।

তন্মধ্যে জ্যোতিষশাস্ত্রে তত্ত্ব বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন পন্ডিত সলিল আচার্য্য, স্বপন চক্রবর্তী, লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য, টিবলু আচার্য্য, সৈকত আচার্য্য রাসেল, পিপলু আচার্য্য পূজন, লায়ন পন্ডিত অপু চক্রবর্ত্তী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ চিন্ময় সিংহ, অরুপ আচার্য্য, দিবাকর আচার্য্য, লায়ন বিপুল সরকার বিপ্লব, সৈয়দ আতিকুর রহমান, তপন নয়ন আচার্য্য প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হলে মে দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য বিলীন হয়ে যাবে।শিকাগো শহরে শ্রমিকরা তাদের রক্তের বিনিময়ে যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, সেই চেতনা আজও আমাদের সামনে প্রাসঙ্গিক। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো আমরা সব শ্রমিকের ন্যায্য দাবি পূরণ করতে পারিনি।

তিনি শুক্রবার (১ মে) দুপুরে নগরীর টাইগার পাস মোড়ে মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, প্রতিটি সেক্টরেই শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। রাস্তা নির্মাণ থেকে শুরু করে ভবন, নালা-নর্দমা পরিষ্কার, নগরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখার প্রতিটি কাজে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। আজ আমরা যে উন্নত অবকাঠামো ও নগরজীবন উপভোগ করছি, তা শ্রমিকদের ঘাম ও শ্রমের ফল।

তিনি আরও বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবেও জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করেন। নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমরা দিন-রাত কাজ করছি। কোথাও পানি জমলে বা কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সেখানে ছুটে যাই, যাতে মানুষের কষ্ট কমানো যায়।

রুট লেভেলের শ্রমিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, তাদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বকেয়া থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকরা অনেক সময় বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নামে, যা আমাদের জন্য দুঃখজনক।


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে প্রায় ১২০০ অস্থায়ী শ্রমিককে স্থায়ী করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এটি ছিল তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। ঝুঁকি নিয়েই আমরা এটি বাস্তবায়ন করেছি, কারণ তারা দীর্ঘদিন অসহায় অবস্থায় ছিলেন।

এ সময় তিনি শ্রমিকবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য পাঁচটি আবাসন নির্মাণে ৩০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং সিটি কর্পোরেশনের জন্য ৬০ কোটি টাকার সরকারি অনুদান শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে শ্রমিকদের ৫ হাজার টাকা করে বোনাস প্রদানকেও তিনি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শেষে মেয়র একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধ করতে হবে। তিনি বলেন, এই নীতিকে বাস্তবে প্রয়োগ করা গেলে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হবে এবং তারা দেশের উন্নয়ন ও একটি সুন্দর চট্টগ্রাম গড়তে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আবু ফয়েজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমির হোসেনের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর চৌধুরী, রাজনীতিবিদ তোফাজ্জল হোসেন, মিল্টন ডেকোরেটারসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এস এম সামশুল হক। বক্তব্য রাখেন মে দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক শামসুল ইসলাম আরজু, সদস্য সচিব মো. সোলাইমান সুমন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহ আলম ফিরোজী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সংগঠনের নেতা কে এম শহীদুল্লাহ, কাজল ইসলাম, মাঈন উদ্দিন তাপস, সাইফুল ইসলাম শাহীন, মো. হাসান, মিজানুর রহমান, জসিম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, রাসেল হাওলাদার, ইয়াছিন মিয়াজি, মনির হোসেন, মো. সোহাগ, আবদুস সালাম, মো. শফি, জসিম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, কাজী গোলাম মোস্তফা, এম এ হাকিম, এস এম ফজলুল হক, ওয়াজেদ আলী ওমর, ইমাম হোসেন মাসুদ প্রমুখ।

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ