আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

গুণীজন সংবর্ধনা সম্পন্ন।

বলাই আচায্য বলাই

মানবকল্যাণমুখী জ্যোতিষশাস্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে প্রতিটি জ্যোতিষীর সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত ২৬ মার্চ বুধবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক হলে এক গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ এ. আর. আচার্য্য। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এডভোকেট ড. নুরুল ইসলাম বখতেয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি চট্টগ্রাম সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটি বাবু স্বপন মল্লিক, মৎস্যবিজ্ঞানী বাবু নীলরতন দাশগুপ্ত, ও চট্টগ্রাম জ্যোতিষশাস্ত্র গবেষণা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মিন্টু কুমার আচার্য্য। সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট জ্যোতিষী কার্তিক কুমার আচার্য্য ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা বিশিষ্ট জ্যোতিষী লিটন আচার্য্য। যারা জ্যোতিষ শাস্ত্রকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য অপরিসীম গবেষণার মাধ্যমে প্রাচ্য ও মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ভারতে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন, তাদেরকে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মানসূচক মানপত্র প্রদান করা হয়। চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশের সমগ্র জ্যোতিষীদের উদ্দেশ্যে তারা বলেন, বর্তমান সময়ে জ্যোতিষ শাস্ত্র বিষয়ে সকল জ্যোতিষীদেরকে গবেষণায় এগিয়ে আসতে হবে এবং নতুন গবেষণালব্ধ আবিষ্কারকে সমগ্র দেশের জনগণের কল্যাণে প্রয়োগ করতে হবে। এভাবে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন জ্যোতিষীদের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে। উল্লেখিত দুইজন সংবর্ধিত অতিথি বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটির প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন একটি সুন্দর গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে তাদেরকে সংবর্ধিত করার জন্য। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেছেন, এই মানবকল্যাণমুখী জ্যোতিষশাস্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে প্রতিটি জ্যোতিষীর সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে এবং সাধারণ মানুষের মঙ্গলের জন্য অবদান রাখতে হবে। তাহলে এই ধরনের গুণীজন সংবর্ধনার প্রশংসা সাদরে মানুষ গ্রহণ করবে। পরিশেষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির বর্তমান সভাপতি অধ্যক্ষ এ আর আচার্য্য শারীরিক অসুস্থতার কারণে সংগঠন পরিচালনায় অক্ষম হওয়ার বিষয়ে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এডভোকেট ড. নুরুল ইসলাম বখতেয়ার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে চট্টগ্রামের কমিটিতে লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য বলাইকে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। এই কৃতজ্ঞতার জন্য সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ এ. আর. আচার্য্য ফুলের তোড়া দিয়ে ভারপ্রাপ্ত সভাপতিকে অভিনন্দন জানান। উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলা থেকে প্রকৃত জ্যোতিষীগণ সমবেত হয়েছিলেন।

তন্মধ্যে জ্যোতিষশাস্ত্রে তত্ত্ব বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন পন্ডিত সলিল আচার্য্য, স্বপন চক্রবর্তী, লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য, টিবলু আচার্য্য, সৈকত আচার্য্য রাসেল, পিপলু আচার্য্য পূজন, লায়ন পন্ডিত অপু চক্রবর্ত্তী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ চিন্ময় সিংহ, অরুপ আচার্য্য, দিবাকর আচার্য্য, লায়ন বিপুল সরকার বিপ্লব, সৈয়দ আতিকুর রহমান, তপন নয়ন আচার্য্য প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ