এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য, নগর আমীর এবং প্রবীণ পার্লামেন্টারিয়ান আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম-৮ আসন তথা বোয়ালখালী, চাঁদগাঁও ও পাঁচলাইশ সংসদীয় এলাকা জামায়াতের ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি। সাম্প্রতিক সময়ে এ অঞ্চলে সংগঠনের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের জন্য কর্মীরা প্রস্তুত রয়েছে। সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এ আসনে ভোট বিপ্লব হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, এবার জামায়াত নেতাদের নির্বাচিত করতে জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে।
২ এপ্রিল চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. আবু নাসেরের পাঁচলাইশস্থ বাসভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ঈদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সমাবেশে জামায়াতের বিভিন্ন ওয়ার্ড, শ্রমিক, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বোয়ালখালী থানা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. খোরশেদ আলম।বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিমের সদস্য জাফর সাদেক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার নায়েবে আমীর অধ্যাপক নুরুল্লাহ এবং নগর জামায়াতের এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ।

জাফর সাদেক বলেন, দেশের মানুষ বারবার সরকার পরিবর্তন দেখেছে এবং এখন তারা প্রকৃত পরিবর্তন চায়। জামায়াতের দিকে জনগণ প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে, তাই দলীয় নেতাকর্মীদের সেই প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে ডা. আবু নাসের বলেন, “আমি সংসদ সদস্য নই, বরং জনগণের সেবক হতে চাই। নির্বাচনের এখনো অনেক সময় বাকি, তবে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা দেখে আমি অভিভূত।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পাঁচলাইশ থানা জামায়াতের আমীর ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাসান রুমী, চাঁদগাঁও থানা সেক্রেটারি জসিম উদ্দীন সরকার, পাঁচলাইশ থানা এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি তাওহীদ আজাদ, মাওলানা তৈয়ব আলী মজিদি, শিক্ষক নেতা মাওলানা দিদারুল আলম, শ্রমিকনেতা মশিউর রহমান, ছাত্রনেতা আব্দুর রহিম ও নুরুল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।









