আজঃ মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬

সদিচ্ছা থাকলে মানুষের কল্যাণ সম্ভব।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সমাজকল্যাণ সচিব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, এই সরকার গরিবের সরকার। অস্বচ্ছল ও সমাজে নিগৃহীত মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছে বর্তমান সরকার। আগামী অর্থবছরে সামাজিক সুরক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এবার ঈদের আগে প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ সুবিধাভোগীর মাঝে তাদের ভাতার অর্থ প্রেরণ করা হয়েছে।

আজ ৫ এপ্রিল শনিবার বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদপরবর্তী মতবিনিময় সভায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অন্তর্বর্তী কমিটির সদস্যসচিব জাহিদুল করিম কচি।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা হলেন সমাজের দর্পন। সাংবাদিকদের সাথে সরাসরি জনসম্পৃক্ততা রয়েছে। আপনাদের থেকে শোনার পর আমাদের কর্মকাণ্ডে কোনো ভুল থাকতে তা শোধরাতে পারবো। আমি মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। সততা এবং নিষ্ঠার সাথে চলতে চাইলে কম আয় করেও ভালোভাবে চলা যায়। কাজের ক্ষেত্রে সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা দরকার। চট্টগ্রামের সন্তান হিসেবে চট্টগ্রামের প্রতি আমার দরদ একটু বেশি। চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা অনেক যোগ্য। দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের ভূমিকা লক্ষ্যণীয়। ভবিষ্যতে সমাজসেবা অধিদপ্তর সাংবাদিকদের কল্যাণেও কাজ করবে। বর্তমান সরকার বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে বৈষম্য কমাতে কাজ করে যাচ্ছে।

দ্রব্যমূলের প্রসঙ্গ টেনে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, সম্প্রতি রমজানের সময় সরকার যেভাবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন তা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। ঈদের সময় ঘরমুখী মানুষ ট্রাফিক জ্যাম ছাড়াই নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পেরেছে। সদিচ্ছা ও সৎ চিন্তা-ভাবনা থাকলে মানুষের কল্যাণ করা সম্ভব। অতীতকে ভুলে গিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ এই দেশ আমার-আপনার সকলের। দেশপ্রেমের ব্রত নিয়ে কাজ করলে অবশ্যই দেশ এগিয়ে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রেস ক্লাবের সদস্যসচিব জাহিদুল করিম কচি বলেন, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আহবায়ক ফরিদা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব এগিয়ে চলেছে। গত ছয় মাসের কর্মকান্ড শীঘ্রই আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত হওয়ায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। একইসঙ্গে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য শাহনেওয়াজ রিটনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) নুরুল্লাহ নুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক কাজী নাজিমুল ইসলাম, উপপরিচালক মো, ফরিদুল আলম, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব অন্তর্বর্তী কমিটির সদস্য মুস্তফা নঈম, গোলাম মাওলা মুরাদ, হাসান মুকুল, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মজুমদার নাজিমউদ্দিন, সোহাগ ‍কুমার বিশ্বাস, কিরণ শর্মা, আবু বকর, মাহবুবুল মাওলা রিপন, আলমগীর নূর, এনাম হায়দার,জাহাঙ্গীর আলম, ফারুক মুনির, রূপালী বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদক সায়েম ফারুকী, নওশীন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ায় মিয়ানমার সীমান্তের কাছে মাইন বিস্ফোরণে মো. শাকের (২৫) আহত এক যুবককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আহত অবস্থায় তাকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়।মো. শাকের কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকার আমির হোসেনের ছেলে।

হাসপাতালে আনয়নকারীর দেওয়া তথ্যমতে, মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় কাজ করার সময় হঠাৎ মাইন বিস্ফোরণ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবককে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আসা চট্টগ্রামে ১ কোটি ২১ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ, আটক-২

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট, শুঁটকি ও কার্গো বোটসহ ২ জনকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এসব পণ্যগুলো শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আসছিল বলে কোস্ট গার্ড জানায়। সোমবার কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন চায়নাঘাট সংলগ্ন কর্ণফুলী নদী দিয়ে চট্টগ্রামে প্রবেশ করবে বলে গোপন খবরের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি। এমন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার দুপুর ২টায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন সন্দেহজনক ১টি কার্গো বোটে তল্লাশি করে অবৈধভাবে শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে আসা প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের ৩০ হাজার ২৭০ প্যাকেট বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশিসিকগারেট, ১ হাজার ৫০ কেজি শুঁটকি ও পাচারকাজে ব্যবহৃত কার্গো বোটসহ ২ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়। জব্দকরা আলামত ও আটক পাচারকারীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলেও জানান কোস্ট গার্ডের এই কর্মকর্তা।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ