আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ) উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্মসূচির প্রথম দিন ২৫ মার্চ বিকাল ৩টায় রয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর, জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় ও মহানগরী জামায়াতের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখবেন।

২৬ মার্চ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সংগঠনের সর্বস্তরের জন্য আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।এর আগে, ২৬ মার্চ সকালে জাতীয় সংসদের মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা: শফিকুর রহমান এমপি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন এবং শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করবেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন- ১৯৭১ সালের ৩৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। “গণহত্যা দিবস’ উপলক্ষ্যে আমি সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতাকামী বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত ও নৃশংসতম গণহত্যার দিন। এ কালো রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী “অপারেশন সার্চলাইট”-এর নামে বাংলাদেশের নিরস্ত্র স্বাধীনতাকামী মানুষের উপর ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস গণহত্যা চালায়। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও নিরপরাধ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন- ২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল একটি সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ। সুপরিকল্পিত এ হত্যাযজ্ঞ কেন প্রতিরোধ করা গেলো না- এ ব্যাপারে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃশ্যমান ভূমিকা এখনো ইতিহাসের গবেষণার বিষয়। তবে ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে ‘উই রিভোল্ট’ বলে গণহত্যার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র প্রতিরোধ করে গড়ে তুলে চট্টগ্রামের ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট। গণহত্যা প্রতিরোধের মধ্য দিয়েই শুরু হয়ে যায় দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার মূল্য ও তাৎপর্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হলে ২৫ মার্চের গণহত্যা দিবস সম্পর্কেও জানা জরুরি। আসুন, আমরা সবাই রাষ্ট্র ও সমাজে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সাম্য, মানবিক মর্যাদা সামাজিক সুবিচার, প্রতিষ্ঠা করে শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করি। একটি ন্যায়ভিত্তিক উন্নত সমৃদ্ধ স্বনির্ভর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।
তিনি সব শহিদের বিদেহী আত্মাকে মাগফিরাত দান করেন। ‘গণহত্যা দিবস” উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সফলতাও কামনা করেন।

জুলাই যোদ্ধাদের অবৈতনিক শিকার আওতায় নেয়া হবে – শিক্ষামন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জুলাই আন্দোলনে আহত, পঙ্গুত্ববরণকারী শিক্ষার্থী এবং শহিদদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।মঙ্গলবার ২৪ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

জানা যায়, গণ-অভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে আহত ও পঙ্গু শিক্ষার্থীদের ‘জুলাই শিক্ষার্থী যোদ্ধা’ হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের এবং নিহতদের সন্তানদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ফি মওকুফ করা হবে।একই কর্মসূচির আওতায় আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস বিতরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে। এছাড়া এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি ও মাদ্রাসা পর্যায়ের সব শিক্ষকের হাতে ট্যাব সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ