আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

মির্জা ফখরুলসহ পরিবারের সদস্যদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার প্রতিবাদে কর্মসূচি।

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভার্চুয়াল মব ও তথ্য সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোসহ ঠাকুরগাঁওয়ের অহংকার বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা বানোয়াট এবং কাল্পনিক প্রচারণার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় জেলার বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে জেলা শহরের চৌরাস্তায় এ কর্মসুচি পালন করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান এ মানববন্ধনে জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মী, অ্যাডভোকেট, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাসহ সর্ব শ্রেণী পেশার মানুষ এতে অংশ নেয়।

এসময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, কিছুদিন আগে জ্যাকব মিল্টন নামে এক ব্যাক্তি আমেরিকায় বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা বানোয়াট এবং কাল্পনিক প্রচারণা চালিয়েছে। তারই প্রতিবাদে এ কর্মসুচি পালিত হচ্ছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু ঠাকুরগাঁও জেলার নয় সারাদেশের অহংকার। তিনি একজন নম্র ও ভদ্র মানুষ যা মানুষের অজানা নয়। মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে আইনজীবীরা ওই জ্যাকব মিল্টরে বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন বলে বক্তব্যে তুলে ধরেন। অবিলম্বে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়া ওই জ্যাকব মিল্টনকে আইনের আওতায় আনার দাবি তুলেন বক্তারা। যদি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা জ্যাকব মিল্টনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেন তাহলে আরো কঠোর কর্মসুচির হুশীয়ারি উচ্চারণও করেন বক্তারা।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে জ্যাকব মিল্টন নামে এক ব্যাক্তি আমেরিকা থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক পেইজ থেকে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি যা বলেছেন তা হুবহু তুলে ধরা হলো- মির্জা ফখরুল আপনি তো ওই মানুষ। আপনিতো ওই একটা মানুষ রাইট। আপনি খুব নীতিবান, আপনি নাকি সৃজনশীল রাজনীতি করেন। মির্জা ফয়সাল আমিন নামে একটা লোক আছে ঠাকুরগাঁওয়ে। আমি শুনেছি সে নাকি আপনার ভাই। আপনি তাকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছিলেন। সাবেক মেয়র ও নির্বাহী সদস্য বানিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তবে ঋণ খেলাপি হিসেবে সে সময় নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও জমা পরেছে। মির্জা ফখরুল আপনি অত্যান্ত ক্লিন না। ওকে। অ্যাডভেটেক অরুনাংশু দত্ত টিটো উপজেলা চেয়ারম্যান ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা এবং আওয়ামীলীগ নেতার বাড়িতে হামলা ঠেকানো এবং ওই অরুনাংশু দত্ত টিটোকে
নিরাপদে বর্ডার পার করা এবং জেলায় তার যাবতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্বটা আপনার পরিবার নিয়েছে। মির্জা ফখরুল। আপনি নিয়েছেন। আপনার ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন নিয়েছে। এ বাবদ দশ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে না। দশ কোটি না যেনো এগারো কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। আপনি কয় টাকা পেয়েছেন। ৫ই আগস্টের আগে মির্জা ফয়সাল তার কোন নিজস্ব গাড়ি ছিল না। কিন্তু এগারো কোটি টাকার পরে মির্জা ফয়সাল আমিন এখন অত্যান্ত দামি গাড়িতে চলে। জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায় এর নিরাপত্তাও বিধান করেছেন মির্জা সাহেব আপনি এবং আপনার পরিবার। এবং বিনিময় মুল্য আবার কয়েক কোটি টাকা। আপনি কত পেয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে ১১ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পান ইশরাত ফারজানা। কাজে যোগদান করেই সরকারি নানা অধিদপ্তরের সাথে বৈঠক করলেও জেলা বিএনপি নেতাদের সাথে বৈঠক না করায় ক্ষুদ্ধ হন আপনার ভাই মির্জা ফয়সাল। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নির্মাণ ভবন চাঁদা দাবি ঘটনায় বাঁধা দিলে ইসরাত ফারজানাকে ২৭ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও থেকে রাঙ্গামাটিতে বদলি করা হয়। যার পেছনে আপনি ইনফ্লোয়েস করেছেন। মির্জা ফখরুল। ঠাকুরগাঁও থেকে তাকে একজন জেলা প্রশাসককে কথায় পাঠাইছেন বান্দরবন। এবং এই কাজটা কিভাবে হয়েছে। রাঙ্গামাটিতে পৌছাইয়া আপনি পাইছেন কি। মানে আপনি বিএনপি বি কাহুনা। কারন আপনি বিএনপির অনেক চোঁখকে হেফাজত করেন। তাদেরকে আপনি শুয়রের বাঁচা বলে গালি দেন না। কারন ভাগ টাক আপনার ভাগে আসে মির্জা ফখরুল। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভবন নির্মানের কাজ পাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে মির্জা ফয়সালের কর্মীরা। সেই টাকার বিষয়টি নিস্পত্তি না হওয়ায় আজবদি নির্মাণ কাজ থেমে রয়েছে। মির্জা ফখরুল আপনি আপনার ভাইকে দিয়ে এগুলো করাচ্ছেন। তো এগুলোকি আপনার দায়িত্বের মধ্যে পরে। আপনি না একজন স্বজ্যন ব্যাক্তি রাজনীতিবিদ। ঠাকুরগাঁও সদরে সরকারিভাবে সুইপার কোলনি নির্মানে জন্য টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ পাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছেও বিপুল অংক চাঁদা দাবি করেছে। আপনার ভাই এবং আপনার পরিবার। এছাড়াও প্রশাসন ইউএনও টিএনও এবং উচ্চ পর্যায়ের বিশেষ করে পুলিশ সুপারের কাছে যে কোন কাজ বা মামলা সংক্রান্ত কাজে গেলে স্পস্ট বলে দেয় কাজ হয়ে যাবে কিন্তু মির্জার অফিস ঘুরে আসেন। আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মামলা ভয় দেখানো চার্জশিট থেকে নাম বাদ দেয়ার মাধ্যমে বেশ ভাল ইনকাম করেছেন আপনারা। আপনি এবং আপনার ছোট ভাই। পাশাপাশি বিশাল অংক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় দেড়শ আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে জামাই আদরে আপনার ঘরে বসিয়ে আপনার ভাই খাইয়েছে। কিন্তু নিজ দলের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মানববন্ধন করে । মানববন্ধনের মুখোমুখি হন। আপনারা। যেটা পরবর্তিতে স্থগিত হয়। মির্জা ফয়সাল ও তার অনুসারীদের চাঁদাবাজি ও অনিয়ম নিয়ে ফাস্ট এপ্রিল নিজ জেলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রম্ন করা হলে আপনি সেসব প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ওখান থেকে কেটি পরেছিলন।
এর বাইরেই ওই ভিডিওতে নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরেন জ্যাকব মিল্টন।

এতেই ক্ষুদ্ধ হয়ে মানবন্ধনের ডাক দেয়া হয়। আর এ মানববন্ধনে অংশ নেয় জেলার সর্ব স্তরের মানুষ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ