আজঃ শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬

মির্জা ফখরুলসহ পরিবারের সদস্যদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার প্রতিবাদে কর্মসূচি।

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভার্চুয়াল মব ও তথ্য সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোসহ ঠাকুরগাঁওয়ের অহংকার বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা বানোয়াট এবং কাল্পনিক প্রচারণার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় জেলার বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে জেলা শহরের চৌরাস্তায় এ কর্মসুচি পালন করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান এ মানববন্ধনে জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মী, অ্যাডভোকেট, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাসহ সর্ব শ্রেণী পেশার মানুষ এতে অংশ নেয়।

এসময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, কিছুদিন আগে জ্যাকব মিল্টন নামে এক ব্যাক্তি আমেরিকায় বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা বানোয়াট এবং কাল্পনিক প্রচারণা চালিয়েছে। তারই প্রতিবাদে এ কর্মসুচি পালিত হচ্ছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু ঠাকুরগাঁও জেলার নয় সারাদেশের অহংকার। তিনি একজন নম্র ও ভদ্র মানুষ যা মানুষের অজানা নয়। মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে আইনজীবীরা ওই জ্যাকব মিল্টরে বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন বলে বক্তব্যে তুলে ধরেন। অবিলম্বে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়া ওই জ্যাকব মিল্টনকে আইনের আওতায় আনার দাবি তুলেন বক্তারা। যদি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা জ্যাকব মিল্টনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেন তাহলে আরো কঠোর কর্মসুচির হুশীয়ারি উচ্চারণও করেন বক্তারা।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে জ্যাকব মিল্টন নামে এক ব্যাক্তি আমেরিকা থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক পেইজ থেকে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি যা বলেছেন তা হুবহু তুলে ধরা হলো- মির্জা ফখরুল আপনি তো ওই মানুষ। আপনিতো ওই একটা মানুষ রাইট। আপনি খুব নীতিবান, আপনি নাকি সৃজনশীল রাজনীতি করেন। মির্জা ফয়সাল আমিন নামে একটা লোক আছে ঠাকুরগাঁওয়ে। আমি শুনেছি সে নাকি আপনার ভাই। আপনি তাকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছিলেন। সাবেক মেয়র ও নির্বাহী সদস্য বানিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তবে ঋণ খেলাপি হিসেবে সে সময় নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও জমা পরেছে। মির্জা ফখরুল আপনি অত্যান্ত ক্লিন না। ওকে। অ্যাডভেটেক অরুনাংশু দত্ত টিটো উপজেলা চেয়ারম্যান ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা এবং আওয়ামীলীগ নেতার বাড়িতে হামলা ঠেকানো এবং ওই অরুনাংশু দত্ত টিটোকে
নিরাপদে বর্ডার পার করা এবং জেলায় তার যাবতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্বটা আপনার পরিবার নিয়েছে। মির্জা ফখরুল। আপনি নিয়েছেন। আপনার ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন নিয়েছে। এ বাবদ দশ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে না। দশ কোটি না যেনো এগারো কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। আপনি কয় টাকা পেয়েছেন। ৫ই আগস্টের আগে মির্জা ফয়সাল তার কোন নিজস্ব গাড়ি ছিল না। কিন্তু এগারো কোটি টাকার পরে মির্জা ফয়সাল আমিন এখন অত্যান্ত দামি গাড়িতে চলে। জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায় এর নিরাপত্তাও বিধান করেছেন মির্জা সাহেব আপনি এবং আপনার পরিবার। এবং বিনিময় মুল্য আবার কয়েক কোটি টাকা। আপনি কত পেয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে ১১ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পান ইশরাত ফারজানা। কাজে যোগদান করেই সরকারি নানা অধিদপ্তরের সাথে বৈঠক করলেও জেলা বিএনপি নেতাদের সাথে বৈঠক না করায় ক্ষুদ্ধ হন আপনার ভাই মির্জা ফয়সাল। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নির্মাণ ভবন চাঁদা দাবি ঘটনায় বাঁধা দিলে ইসরাত ফারজানাকে ২৭ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও থেকে রাঙ্গামাটিতে বদলি করা হয়। যার পেছনে আপনি ইনফ্লোয়েস করেছেন। মির্জা ফখরুল। ঠাকুরগাঁও থেকে তাকে একজন জেলা প্রশাসককে কথায় পাঠাইছেন বান্দরবন। এবং এই কাজটা কিভাবে হয়েছে। রাঙ্গামাটিতে পৌছাইয়া আপনি পাইছেন কি। মানে আপনি বিএনপি বি কাহুনা। কারন আপনি বিএনপির অনেক চোঁখকে হেফাজত করেন। তাদেরকে আপনি শুয়রের বাঁচা বলে গালি দেন না। কারন ভাগ টাক আপনার ভাগে আসে মির্জা ফখরুল। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভবন নির্মানের কাজ পাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে মির্জা ফয়সালের কর্মীরা। সেই টাকার বিষয়টি নিস্পত্তি না হওয়ায় আজবদি নির্মাণ কাজ থেমে রয়েছে। মির্জা ফখরুল আপনি আপনার ভাইকে দিয়ে এগুলো করাচ্ছেন। তো এগুলোকি আপনার দায়িত্বের মধ্যে পরে। আপনি না একজন স্বজ্যন ব্যাক্তি রাজনীতিবিদ। ঠাকুরগাঁও সদরে সরকারিভাবে সুইপার কোলনি নির্মানে জন্য টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ পাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছেও বিপুল অংক চাঁদা দাবি করেছে। আপনার ভাই এবং আপনার পরিবার। এছাড়াও প্রশাসন ইউএনও টিএনও এবং উচ্চ পর্যায়ের বিশেষ করে পুলিশ সুপারের কাছে যে কোন কাজ বা মামলা সংক্রান্ত কাজে গেলে স্পস্ট বলে দেয় কাজ হয়ে যাবে কিন্তু মির্জার অফিস ঘুরে আসেন। আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মামলা ভয় দেখানো চার্জশিট থেকে নাম বাদ দেয়ার মাধ্যমে বেশ ভাল ইনকাম করেছেন আপনারা। আপনি এবং আপনার ছোট ভাই। পাশাপাশি বিশাল অংক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় দেড়শ আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে জামাই আদরে আপনার ঘরে বসিয়ে আপনার ভাই খাইয়েছে। কিন্তু নিজ দলের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মানববন্ধন করে । মানববন্ধনের মুখোমুখি হন। আপনারা। যেটা পরবর্তিতে স্থগিত হয়। মির্জা ফয়সাল ও তার অনুসারীদের চাঁদাবাজি ও অনিয়ম নিয়ে ফাস্ট এপ্রিল নিজ জেলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রম্ন করা হলে আপনি সেসব প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ওখান থেকে কেটি পরেছিলন।
এর বাইরেই ওই ভিডিওতে নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরেন জ্যাকব মিল্টন।

এতেই ক্ষুদ্ধ হয়ে মানবন্ধনের ডাক দেয়া হয়। আর এ মানববন্ধনে অংশ নেয় জেলার সর্ব স্তরের মানুষ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে চট্টগ্রামে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে শোক মজলিস ও শোক র‌্যালি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে কারবালার শোকাবহ ঘটনা স্মরণে চট্টগ্রামে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে শোক মজলিস ও শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর আত্মত্যাগের আদর্শ তুলে ধরার পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, বিশ্ব শান্তি এবং জঙ্গিবাদ-উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া র‌্যালীতে শোকাবহ কারবালার নানা ঘটনাবলি তাজিয়া, প্রতীকী কফিন, পতাকা, স্লোগান, মাতম ও কথামালায় তুলে ধরেন। শুক্রবার নগরের সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহ থেকে হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি নিউমার্কেট, জিপিও, কোতোয়ালী মোড়সহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে এসে শেষ হয়।

শোক মিছিলে শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোর অংশ নেন। তারা ইমাম হোসাইন (আ.)-এর প্রতীকী কফিন ও বিভিন্ন লেখা সম্বলিত পতাকা (আলাম) বহন করেন। মিছিলজুড়ে কারবালার শহীদদের স্মরণে নওহা ও মার্সিয়া পাঠ করা হয়। ‘ইয়া হোসাইন’ ও ‘লাব্বাইক ইয়া হোসাইন’সহ বিভিন্ন শোকধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে মাসায়েব মজলিস অনুষ্ঠিত হয়। এতে হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আমজাদ হোসেন কারবালার প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে হযরত ইমাম হোসাইন (আ.) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের শাহাদাতের হৃদয়বিদারক ঘটনা তুলে ধরেন। তাঁর বয়ানে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে অংশগ্রহণকারীরা বুক চাপড়ে মাতমের মাধ্যমে শোহাদায়ে কারবালার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নিউমার্কেট এলাকায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাওলানা আমজাদ হোসেন মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, ‘কারবালার শিক্ষা কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি সত্য, ন্যায়বিচার ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর এক চিরন্তন আহ্বান। আজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানসহ নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর ওপর হত্যা, নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, আমরা সকল প্রকার যুদ্ধ, আগ্রাসন ও নিরপরাধ মানুষের রক্তপাতের তীব্র নিন্দা জানাই। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং সব ধরনের জুলুম-নির্যাতনের অবসানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা কামনা করছি। একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে হত্যাকারীদের কঠিন শাস্তি কামনা করি ও ধিক্কার জানাই। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কারবালার মহান আদর্শ আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং শান্তি, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকতে শিক্ষা দেয়।’

মিছিলে ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’, ‘ইয়া হোসেন’, ‘লাব্বায়িক ইয়া হোসেন’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়। হৃদয়গ্রাহী কণ্ঠে ‘আখেরি সালাম লও ওহে নানাজান, তোমারি হোসেন যায় কারবালা ময়দান’সহ ধর্মীয় নাত, গজল পরিবেশন করে যুবকরা মাতম করেন।পিপাসার্ত পথচারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় শরবত।
মিছিলটি কালীবাড়ি মোড়, নিউমার্কেট মোড়, কোতোয়ালী মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ইমাম বাড়িতে ফিরে যায়। সেখানে দিনব্যাপী শিয়াদের চিরায়ত ঐতিহ্য অনুযায়ী আচার-অনুষ্ঠান, আলোচনা আর প্রার্থনা হয়।

বাবা তার ছোট্ট সন্তানকে কাঁধে নিয়ে শরিক হয়েছেন মিছিলে। ছোট্ট শিশুটির হাতে কালো পতাকা। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে এই বাবা বলেন, ১০ মহরম হৃদয়বিদারক ঘটনা। ইমাম হোসাইন সপরিবারে কারবালার মরু প্রান্তরে শহীদ হয়েছেন। আজ আমার বাচ্চাকে নিয়ে হাঁটছি কিন্তু সেদিন ছয় মাসের সন্তানও রেহাই পাননি ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে। সেই স্মৃতি বুকে ধারণ করে আমার সন্তানকে নিয়ে কারবালার জুলুসে এসেছি।

একজন নারী বলেন, আজ ১০ মহররম। আমাদের পবিত্র আশুরা। কারবালায় ইমাম হোসাইন শহীদ হয়েছেন, তাঁর স্মরণে আমরা শোক পালন করছি। ইসলামের জন্য, হক প্রতিষ্ঠার জন্য নবীজীর বংশধর জীবন দিয়েছেন। এমনকি ছোট্ট আলি আজগর পিপাসার্ত অবস্থায় শহীদ হয়েছেন। উনাকে তীর মেরে শহীদ করা হয়েছে। ইমামের মিছিলে যে নারীরা ছিলেন, তাঁদের ওপর জুলুম করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রতিবছর ১০ মহরম পবিত্র আশুরার দিনে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা স্মরণে নগরীর সদরঘাট থেকে এই শোক মিছিলের আয়োজন করে শিয়া সম্প্রদায়। এ উপলক্ষে সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও পালন করা হয়।

ভাঙ্গুড়ায় অবৈধ মাটিকাটার অভিযোগে যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদন্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে এক যুবক কে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ২৫ জুন গভীর রাত দুই(২) টার দিকে উপজেলাধীন পাড়-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের পাথরঘাটা বিশাপাড়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে হিমু আহমেদ(২৫) পিতা- আব্দুস সামাদ, সাং- সাভার, ফরিদপুর,পাবনা। কে বালুমহাল ও মাটি ব্যাবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৫০,০০০/= (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদন্ড করা হয়।

এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং পৌরসভা প্রশাসক মিজানুর রহমান।
এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার এসআই সুব্রত কুমার সহ পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটিকাটার কার্যক্রম চলছিল,
যা কৃষিজমি ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এই অভিযান পরিচালনা করেন।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান জানান, অবৈধভাবে মাটিকাটা ও পরিবেশ ধ্বংসের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ