আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

মির্জা ফখরুলসহ পরিবারের সদস্যদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার প্রতিবাদে কর্মসূচি।

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভার্চুয়াল মব ও তথ্য সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোসহ ঠাকুরগাঁওয়ের অহংকার বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা বানোয়াট এবং কাল্পনিক প্রচারণার বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় জেলার বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে জেলা শহরের চৌরাস্তায় এ কর্মসুচি পালন করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান এ মানববন্ধনে জেলা বিএনপি’র নেতাকর্মী, অ্যাডভোকেট, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাসহ সর্ব শ্রেণী পেশার মানুষ এতে অংশ নেয়।

এসময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, কিছুদিন আগে জ্যাকব মিল্টন নামে এক ব্যাক্তি আমেরিকায় বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিন ও তার পরিবারের সদস্যদের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা বানোয়াট এবং কাল্পনিক প্রচারণা চালিয়েছে। তারই প্রতিবাদে এ কর্মসুচি পালিত হচ্ছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু ঠাকুরগাঁও জেলার নয় সারাদেশের অহংকার। তিনি একজন নম্র ও ভদ্র মানুষ যা মানুষের অজানা নয়। মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে আইনজীবীরা ওই জ্যাকব মিল্টরে বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করবেন বলে বক্তব্যে তুলে ধরেন। অবিলম্বে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়া ওই জ্যাকব মিল্টনকে আইনের আওতায় আনার দাবি তুলেন বক্তারা। যদি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা জ্যাকব মিল্টনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেন তাহলে আরো কঠোর কর্মসুচির হুশীয়ারি উচ্চারণও করেন বক্তারা।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে জ্যাকব মিল্টন নামে এক ব্যাক্তি আমেরিকা থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক পেইজ থেকে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি যা বলেছেন তা হুবহু তুলে ধরা হলো- মির্জা ফখরুল আপনি তো ওই মানুষ। আপনিতো ওই একটা মানুষ রাইট। আপনি খুব নীতিবান, আপনি নাকি সৃজনশীল রাজনীতি করেন। মির্জা ফয়সাল আমিন নামে একটা লোক আছে ঠাকুরগাঁওয়ে। আমি শুনেছি সে নাকি আপনার ভাই। আপনি তাকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বানিয়েছিলেন। সাবেক মেয়র ও নির্বাহী সদস্য বানিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। তবে ঋণ খেলাপি হিসেবে সে সময় নির্বাচন কমিশনে অভিযোগও জমা পরেছে। মির্জা ফখরুল আপনি অত্যান্ত ক্লিন না। ওকে। অ্যাডভেটেক অরুনাংশু দত্ত টিটো উপজেলা চেয়ারম্যান ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা এবং আওয়ামীলীগ নেতার বাড়িতে হামলা ঠেকানো এবং ওই অরুনাংশু দত্ত টিটোকে
নিরাপদে বর্ডার পার করা এবং জেলায় তার যাবতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্বটা আপনার পরিবার নিয়েছে। মির্জা ফখরুল। আপনি নিয়েছেন। আপনার ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন নিয়েছে। এ বাবদ দশ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে না। দশ কোটি না যেনো এগারো কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। আপনি কয় টাকা পেয়েছেন। ৫ই আগস্টের আগে মির্জা ফয়সাল তার কোন নিজস্ব গাড়ি ছিল না। কিন্তু এগারো কোটি টাকার পরে মির্জা ফয়সাল আমিন এখন অত্যান্ত দামি গাড়িতে চলে। জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায় এর নিরাপত্তাও বিধান করেছেন মির্জা সাহেব আপনি এবং আপনার পরিবার। এবং বিনিময় মুল্য আবার কয়েক কোটি টাকা। আপনি কত পেয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের প্রথম নারী জেলা প্রশাসক হিসেবে ১১ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পান ইশরাত ফারজানা। কাজে যোগদান করেই সরকারি নানা অধিদপ্তরের সাথে বৈঠক করলেও জেলা বিএনপি নেতাদের সাথে বৈঠক না করায় ক্ষুদ্ধ হন আপনার ভাই মির্জা ফয়সাল। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় নির্মাণ ভবন চাঁদা দাবি ঘটনায় বাঁধা দিলে ইসরাত ফারজানাকে ২৭ নভেম্বর ঠাকুরগাঁও থেকে রাঙ্গামাটিতে বদলি করা হয়। যার পেছনে আপনি ইনফ্লোয়েস করেছেন। মির্জা ফখরুল। ঠাকুরগাঁও থেকে তাকে একজন জেলা প্রশাসককে কথায় পাঠাইছেন বান্দরবন। এবং এই কাজটা কিভাবে হয়েছে। রাঙ্গামাটিতে পৌছাইয়া আপনি পাইছেন কি। মানে আপনি বিএনপি বি কাহুনা। কারন আপনি বিএনপির অনেক চোঁখকে হেফাজত করেন। তাদেরকে আপনি শুয়রের বাঁচা বলে গালি দেন না। কারন ভাগ টাক আপনার ভাগে আসে মির্জা ফখরুল। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভবন নির্মানের কাজ পাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে মির্জা ফয়সালের কর্মীরা। সেই টাকার বিষয়টি নিস্পত্তি না হওয়ায় আজবদি নির্মাণ কাজ থেমে রয়েছে। মির্জা ফখরুল আপনি আপনার ভাইকে দিয়ে এগুলো করাচ্ছেন। তো এগুলোকি আপনার দায়িত্বের মধ্যে পরে। আপনি না একজন স্বজ্যন ব্যাক্তি রাজনীতিবিদ। ঠাকুরগাঁও সদরে সরকারিভাবে সুইপার কোলনি নির্মানে জন্য টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ পাওয়া ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছেও বিপুল অংক চাঁদা দাবি করেছে। আপনার ভাই এবং আপনার পরিবার। এছাড়াও প্রশাসন ইউএনও টিএনও এবং উচ্চ পর্যায়ের বিশেষ করে পুলিশ সুপারের কাছে যে কোন কাজ বা মামলা সংক্রান্ত কাজে গেলে স্পস্ট বলে দেয় কাজ হয়ে যাবে কিন্তু মির্জার অফিস ঘুরে আসেন। আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মামলা ভয় দেখানো চার্জশিট থেকে নাম বাদ দেয়ার মাধ্যমে বেশ ভাল ইনকাম করেছেন আপনারা। আপনি এবং আপনার ছোট ভাই। পাশাপাশি বিশাল অংক লেনদেনের মাধ্যমে প্রায় দেড়শ আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে জামাই আদরে আপনার ঘরে বসিয়ে আপনার ভাই খাইয়েছে। কিন্তু নিজ দলের নেতাকর্মীদের তোপের মুখে মানববন্ধন করে । মানববন্ধনের মুখোমুখি হন। আপনারা। যেটা পরবর্তিতে স্থগিত হয়। মির্জা ফয়সাল ও তার অনুসারীদের চাঁদাবাজি ও অনিয়ম নিয়ে ফাস্ট এপ্রিল নিজ জেলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রম্ন করা হলে আপনি সেসব প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ওখান থেকে কেটি পরেছিলন।
এর বাইরেই ওই ভিডিওতে নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরেন জ্যাকব মিল্টন।

এতেই ক্ষুদ্ধ হয়ে মানবন্ধনের ডাক দেয়া হয়। আর এ মানববন্ধনে অংশ নেয় জেলার সর্ব স্তরের মানুষ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ