আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

দুই লক্ষাধিক লোকের কর্মসংস্থান হবে চট্টগ্রাম কেইপিজেডে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের আনোয়ারার কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (কেইপিজেড) দীর্ঘদিনের ভূমি জটিলতা কাটিয়ে বিদেশি বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং দুই লক্ষাধিক লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। প্রায় ২৬ বছর পর জমির মালিকানা স্বত্ব (দলিল) পেয়েছে কেইপিজেড। গত সোমবার দুই হাজার ৪৮৩ একর জমির এই দলিল হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক। এদিকে বিদেশি বিনিয়োগ টানতে কেইপিজেড শুরু থেকেই পরিবেশবান্ধব অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা হয়। ৮২২ একর জমিতে ৩০ লক্ষাধিক গাছ লাগানো হয়। এছাড়াও রয়েছে ৩৩টি লেক ও জলাশয়। এসব জলাশয়ে ৬০০ মিলিয়ন গ্যালন বৃষ্টির পানি ধরে রাখা যায়।

জানা গেছে, কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলায় অবস্থিত কোরিয়ান ইপিজেড। এ শিল্পাঞ্চলের জন্য ১৯৯৭ সালে দুই হাজার ৪৯২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। ১৯৯৯ সালে অধিগ্রহণকৃত জমি কেইপিজেড কর্তৃপক্ষকে হস্তান্তর করে সরকার। কারখানা স্থাপন ও উৎপাদনে যায় ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে। বর্তমানে ইয়াংওয়ানের ৪৮টি কারখানা উৎপাদনে রয়েছে। এসব কারখানায় ৩৩ হাজার শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। কিন্তু জমি আয়ত্বে থাকলেও মালিকানা স্বত্ব বা দলিল ছিল না। এখন দলিল হস্তান্তরের মাধ্যমে মালিকানা স্বত্ব ফিরে পায় কোরিয়ান ইপিজেড।
এদিকে, গত সোমবার কেইপিজেড এলাকা পরিদর্শন করেছে চীন, ভারত, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশের ৬০ জন বিনিয়োগকারী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি। কেইপিজেড পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত কোম্পানি ইয়াংওয়ান করপোরেশন। এ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান কিহাক সাং বাংলাদেশে বিদেশিদের বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে কোরিয়ান ইপিজেড কর্তৃপক্ষের নিকট দুই হাজার ৪৮৩ একর জমির দলিল হস্তান্তর করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফরিদা খানম।
সংশ্লিষ্টরা জানান, জমি অধিগ্রহণ বুঝে পাওয়ার পর শিল্প-কারখানা নির্মাণ করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন মালিকানা স্বত্ব (দলিল) না থাকায় অনেকটা বেকায়দায় ছিল কর্তৃপক্ষ। বিনিয়োগ করতে আসা অনেক কোম্পানি ভূমি জটিলতার কারণে বিনিয়োগ না করে ফিরে গেছে।
এ বিষয়ে কেইপিজেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. মুশফিকুর রহমান বলেন, বিনিয়োগের জন্য কেইপিজেড একটি আদর্শিক এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ জায়গা। ভূমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বিনিয়োগকারীদের বিল্ডিং ভাড়ায় দিতাম। তারা সেখানে কারখানা তৈরি করে উৎপাদন করছে। বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার কেইপিজেডের দীর্ঘদিনের ভূমি সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান করেছে। এখন বিনিয়োগ ভূমিসংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী ফিরে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন বৈদেশিক বিনিয়োগকারীরা এখানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বর্তমান সরকার বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের টানতে কাজ করে যাচ্ছে, এজন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম জানান, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মহোদয়ের নির্দেশনায় কোরিয়ান ইপিজেড কর্তৃপক্ষকে দুই হাজার ৪৮৩ একর জমির দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। এরমধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অধিগ্রহণকৃত জমি সংক্রান্ত জটিলতা মাত্র ২ মাসের মধ্যে নিরসন করা হয়েছে। এরফলে কোরিয়ান ইপিজেডে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে। চট্টগ্রাম জেলায় দুই লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) এ কে এম গোলাম মোর্শেদ খান বলেন, ১৯৯৭ সালে জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে কেইপিজেড কর্তৃপক্ষকে অধিগ্রহণ করা জমি আমরা বুঝিয়ে দিয়েছি। কিন্তু জমির দখল বুঝে পেলেও জমির মালিকানা বা দলিল পায়নি। প্রধান উপদেষ্টা স্যারের নির্দেশনা ও বেজার চেয়ারম্যান স্যারের প্রচেষ্টায় দ্রুত সময়ের মধ্যে দলিল হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, জমির মালিকানা না থাকলে বিনিয়োগকারীরা বড় বিনিয়োগে এগিয়ে আসবে না। এখন দলিল হস্তান্তরের মাধ্যমে বৈদেশিক বিনিয়োগকারী আগ্রহী হয়ে ওঠেছে। ইতিমধ্যে বিদেশি একটি বিনিয়োগকারী দল পরিদর্শন করে গেছেন।
কেইপিজেড কর্মকর্তারা জানান, একটি বিশ্বমানের টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপনের কাজ চলছে। টেক্সটাইল জোনে ৫টি পোশাক তৈরির কারখানা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে দুটি চালু করা হয়েছে। বাকি তিনটির ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে। এছাড়া কেইপিজেডে ১০০ একর জমিতে আইটি পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে দুটি আইটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আরও কয়েকটি ভবন নির্মীয়মাণ রয়েছে। এছাড়া আরও ৫০ একর জমির ওপর আইটি ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্সের জন্য ১৬টি ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। দুটি আইটি পার্ক নির্মাণ কাজ শেষ হলে ২০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। আইটি পার্ক ছাড়াও স্কুল এন্ড কলেজ এবং ৬শ শয্যার একটি হাসপাতাল নির্মীয়মাণ রয়েছে। অন্যদিকে কেইপিজেডে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বিশাল সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট রয়েছে। ইতোমধ্যে ৩৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ