আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে সবজির বাজার অস্থির কমেছে মাংসের দাম।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের ছুটির পর চৈত্র সংক্রান্তির পাঁচনকে ঘিরে হরেক রকমের সবজিতে ভরপুর বাজার। তবে হাতে গোনা কিছু সবজির দাম কমলেও বেশির ভাগই বাড়তির দিকে। গেল রমজানজুড়ে নিত্যপণ্যের দামের সঙ্গে সবজির দাম হাতের নাগালে থাকলেও ঈদের পর বদলে গেছে সেই চিত্র। ৩০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে প্রায় সবজি। এগুলোর মধ্যে আবার ঝিঙে, সজনে ও কাঁকরোল বিক্রি হচ্ছে উচ্চমূল্যে। বিশেষ করে কাঁচাবাজারগুলোতে খুচরা পর্যায়ে সবজির দাম কিছুটা চড়া। তবে কমেছে সব ধরনের
মাংসের দাম। এছাড়া মুদিপণ্য ও মাছের দাম অপরিবর্তিত আছে। নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগপণ্যের দরের এ চিত্র পাওয়া গেছে।ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষ হলেও বাজারে এখনও ক্রেতার আনাগোণা কম দেখা গেছে। তবে দোকানপাট সব খোলা আছে। পণ্যের সরবরাহও স্বাভাবিক দেখা গেছে।

বাজারে খুচরা পর্যায়ে বেগুন, ঢেঁড়স, পটল প্রতিকেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁকরোল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা, করলা ৯০-১০০ টাকা, পেঁপে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা-ধুন্দল ৫০ টাকা, ঝিঙা ৬০-৭০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পেঁয়াজকলি ৩০ টাকা, কচুর লতি ১০০ টাকা, কচুরমুখী ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।তবে আড়তে এসব সবজির দাম প্রতিকেজি ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কম আছে বলে আড়তদারেরা জানিয়েছেন।

এছাড়া খুচরা পর্যায়ে লেবু আকারভেদে ১২০ থেকে ২২০ টাকা, শসা প্রতিকেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কাঁচা মরিচ ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ধনেপাতা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। লাল শাক, লাউ শাক, কলমি শাকসহ বিভিন্ন ধরনের শাক ২৫ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এখনও শীতকালীন সবজি মিলছে প্রচুর পরিমাণে। বাঁধাকপি-ফুলকপির দাম প্রতিকেজি ৩০ টাকার মধ্যে দেখা গেছে।
রেয়াজউদ্দিন বাজারের এক আড়তদার বলেন, গ্রীষ্মকালীন সবজির সরবরাহ এখনও পুরোদমে শুরু হয়নি। এর মধ্যে ঈদুল ফিতরের বন্ধ গেছে। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে সপ্তাহ দু’য়েক পর দাম আরও কমতে পারে।

ঈদুল ফিতরের আগমুহুর্তে বাজারে চড়া হয়ে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের মাংসের দাম কমে আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে অন্তঃত ৫০ টাকা কমে ১৮০ থেকে ১৯৫ টাকায়। কক মুরগি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কমেছে অন্তঃত ৪০ টাকা। দেশি মুরগি ৫৬০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কমেছে অন্তঃত ১৫০ টাকা।

এছাড়া বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯৫০ টাকা, খাসির মাংস বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে। ফার্মের মুরগির প্রতি ডজন লাল ডিম ১১৫ থেকে ১৩০ টাকা, সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
মাছের মধ্যে আকার ও ওজন অনুযায়ী ইলিশ মাছ ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা, রুই মাছ ৩৬০ থেকে ৫৫০ টাকা, কাতল মাছ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, বেলে ৫০০ থেকে ১ হাজার ৩০০, কালিবাউশ ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, কাঁচকি ৬০০ টাকা, কৈ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং মাছ ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টেংরা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা, শোল মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিতল ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা, সরপুঁটি ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, রূপচাঁদা ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

পেঁয়াজের দাম ক্রেতার নাগালের মধ্যে আছে। মান ও আকারভেদে প্রতি কেজি নতুন দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। এর মধ্যে ছোট আকারের পেঁয়াজ ৪০ টাকা এবং বড় আকারের পেঁয়াজ ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

প্রতি কেজি সাদা আলু বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকা, লাল আলু ৩০ টাকায়। নতুন বগুড়ার আলু ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া নতুন দেশি রসুন ১২০ টাকা, চায়না রসুন ২২০ টাকা, চায়না আদা ১৮০ টাকা, নতুন ভারতীয় আদা ১২০ দরে বিক্রি হয়েছে।

মুদিপণ্যের মধ্যে ছোট মসুর ডাল ১৩৫ টাকা, মোটা মসুর ডাল ১১০ টাকা, বড় মুগ ডাল ১৪০ টাকা, ছোট মুগ ডাল ১৭০ টাকা, খেসারি ডাল ১১০ টাকা, বুটের ডাল ১২০ টাকা, মাষকলাইয়ের ডাল ১৯০ টাকা, ডাবলি ৬০ টাকা, ছোলা ১২০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১২৫ টাকা, খোলা চিনি ১২০ টাকা, দুই কেজি প্যাকেট ময়দা ১৫০ টাকা, আটা দুই কেজির প্যাকেট ১১৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল ৮৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক লিটার বোতল ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা, দুই লিটার বোতল ৩৪৮ থেকে ৩৫০ টাকায়

বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকা, পাম সুপার ১৬০ টাকা, সরিষার তেল খোলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি লিটার ১৯০ টাকায়।
তবে চালের দর আগের মতোই আছে। বাজারে ২৫ কেজির বস্তা নাজিরশাইল সিদ্ধ (মজুমদার ব্র্যান্ড) ২২০০ টাকা, ভারতীয় নাজিরশাইল (হোয়াইট গোল্ড) ২০৫০ টাকা, জিরাশাইল সিদ্ধ ৫০ কেজির বস্তা ৪২০০ থেকে ৪২৫০ টাকা, ২৫ কেজির বস্তা কাটারিভোগ আতপ ২১৫০ থেকে ২৩০০ টাকা এবং সাধারণ মানের পাইজাম আতপ ১৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কাটারিভোগ সিদ্ধ ২৫ কেজির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২৪০০ টাকায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

চট্টগ্রাম বন্দরে এলেন নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহ প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বিগত সময়ের নানা অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নী দূর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলা করে বন্দরের নানা যুগোপযুগি সংস্কার করেছেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইম হ্রাস, ডুয়েল টাইম হ্রাস, পোর্ট লিমিট বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, ডিজিটাইজেশন, ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক আইএসপিএস এর জিরো অবজারভেশন প্রভৃতি বিষয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে আরো জানান যে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যি হাবে পরিনত হবে যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে । এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে । চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানীকৃত রেফার কন্টেইনার সংরক্ষনে কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তাছাড়া বন্দরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা থাকার কারনে বন্দরে নির্বিঘ্নে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মর্মে মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরো দক্ষ, অধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে বন্দর কেন্দ্রিক বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকে রপ্তানীকৃত পণ্য খালাস কাজে চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগিত কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধিদলেরে Micheal Pennell, Economic Unit Chief, Paul Frost, Commercial Counselor, Firoze Ahmed, Political Specialist, Asif Ahmed, Economic Specialist চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ ওমর ফারুক ও সচিব মোহাম্মদ আজিজুল মওলাসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ