জমির ধরণ ও পরিমাণ ভেদে ঘুষ নির্ধারণ করে দিয়ে বিতর্কিত।

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

অবশেষে রূপগঞ্জের পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের সেই এসিল্যান্ডের বদলি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের জমির ধরণ ও পরিমাণ ভেদে ঘুষ নির্ধারিত করে দেওয়া সেই বিতর্কিত সহকারী কমিশনার (ভূমি) উবায়দুর রহমান সাহেলকে গত ৮এপ্রিল মঙ্গলবার বদলি করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশে তাকে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে বদলি করা হয়। স্বেচ্ছাচারি এসিল্যান্ড উবায়দুর রহমান সাহেলের বদলির খবরে এলাকার জমির মালিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

তার অন্যত্র বদলি হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে সাধারণ জমির মালিকরা। সদ্য যোগদান করা এসিল্যান্ড মোঃ তাছবীর হোসেনের কাছে জমি মালিকদের প্রত্যাশা, তিনি ঘুষমুক্ত নামজারিসহ অন্যান্য কার্যক্রম দ্রুত পরিচালনা করবেন।
নামজারি বা নাম খারিজ করতে সরকার নির্ধারিত খরচ কোর্ট ফি ২০টাকা, নোটিশজারি ৫০টাকা, খতিয়ান ফি ১০০টাকা, রেকর্ড সংশোধন ফি ১হাজার টাকা সর্বমোট ১ হাজার ১৭০ টাকা। এক্ষেত্রে এসিল্যান্ড উবায়দুর রহমান সাহেল জমির ধরণ ও পরিমাণ ভেদে ঘুষের টাকা নির্ধারণ করে দেন। সে অনুযায়ী নামজারির ক্ষেত্রে অর্পিত সম্পত্তি ‘ক’ তালিকায় প্রকাশিত জমি, ‘খ’ তালিকায় প্রকাশিত জমি ও নরমাল জমির নামজারি করা হয়।

জমির ধরণ হিসেবে ‘ক’ তালিকায় প্রকাশিত ১শতাংশ জমির নামজারি ৫হাজার টাকা, ‘খ’ তালিকায় প্রকাশিত ১শতাংশ জমির নামজারি ৩হাজার টাকা ও নরমাল ১শতাংশ থেকে ১০শতাংশ জমির নামজারি ১০হাজার টাকা থেকে ২০হাজার টাকা ঘুষ নির্ধারণ করে দিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) উবায়দুর রহমান সাহেল বিতর্কিত হয়ে উঠে। এছাড়া রাজউকের পূর্বাচল উপশহরের ৩কাঠা প্লটের জমির নামজারি ২০হাজার টাকা, ৫কাঠা প্লটের জমির নামজারি ৩০হাজার টাকা, সাড়ে ৭কাঠা প্লটের জমির নামজারি ৪০হাজার টাকা ও ১০কাঠা প্লটের জমির নামজারি ৭৫হাজার টাকা নির্ধারণ

করে দেন। জমির কাগজপত্রের গড়মিল অনুযায়ী টাকার পরিমাণ আরো বেশি আদায় করা হয়। আদায়কৃত টাকার ২৫ভাগ ইউনিয়ন ভূমি অফিস, ২৫ভাগ সার্ভেয়ার ও কানুনগো, ৫০ভাগ সহকারী কমিশনার ভূমি উবায়দুর রহমান সাহেল ভাগ ভাটোয়ারা করে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সুযোগ পেয়ে ইউনিয়ন তহসিলদাররা ঘুষবাণিজ্যে মেতে উঠে।

গত ২০২৪ সালের ১৪জুলাই এককালের ছাত্রলীগ নেতা উবায়দুর রহমান সাহেল রূপগঞ্জের পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি উপজেলা ভূমি অফিসকে অনিয়ম, ঘুষবাণিজ্য আর দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করেন। এরপর উপজেলা ভূমি অফিসের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদও প্রকাশিত হয়। তার বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা, জাল দলিলে জমি নামজারি (খারিজ) করা, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সেবাপ্রত্যাশীদের হয়রানি করাসহ নানা অভিযোগ উঠে।

জানা গেছে, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীর ততবিরে উবাদুর রহমান সাহেল পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলে সহকারী কমিশনার(ভূমি) হিসেবে যোগদান করেন। রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভা, দাউদপুর, ভোলাবো, রূপগঞ্জ ও কাতেয়পাড়া ইউনিয়ন নিয়ে পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেল গঠিত হয়। রূপগঞ্জ ইউনিয়নের বাঘবের কেয়ারিয়া এলাকায় গোলাম দস্তগীর গাজী আবাসন প্রকল্প জি পার্ক গড়ে তোলা হয়। কাঞ্চন পৌরসভা, কাতেয়পাড়া, ভোলাবো ও দাউদপুর ইউনিয়নে প্রায় অর্ধশতাধিক আবাসন প্রকল্প গড়ে উঠে। এখানে দায়িত্বে নিয়োজিত করেন উবায়দুর রহমান সাহেলকে। আবাসন প্রকল্পের পাশাপাশি সাধারণ জমির মালিকদের কাছ থেকে নামজারি করতে নেওয়া হতো বিপুল পরিমাণ টাকা। একজনের জমি অন্যজনের নামে নামজারি করা হয়। আবার মিসকেস করে অর্থের বিনিময়ে জমির সঠিক মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হতো। এসব টাকা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আনুপাতিক হারে ভাগ-বাটোয়ারা হয়ে আসছে।

গত এক বছরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উবায়দুর রহমান সাহেল পূর্বাচল উপশহরের ৩নম্বর সেক্টরের গুতিয়াবো এলাকায় প্লট ও আশপাশের এলাকায় জমি ক্রয় করেছেন। হয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক। ছাত্রলীগ করা উবায়দুর রহমান সাহেল জমির খারিজ করতে নিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা। আবাসন প্রকল্পের যোগসাজসে জমি না কিনে জোর পূর্বক বালু ভরাট, খাড়া দলিল, ভূয়া দলিলে নামজারি করা হয়। এসকল আবাসন প্রকল্প গুলোর হাত থেকে রেহাই পেতে নামজারি ও মিসকেস মামলা দায়ের করেন জমি মালিকরা। আর এ অফিসে নামজারি করা মানে অসীম ভোগান্তি মাথা নেয়া। এসিল্যান্ড আবাসন প্রকল্পের মালিকদের সঙ্গে টাকার বিনিময়ে আতাঁত করেই নামজারি করতে দেরি করেন। উবায়দুর রহমান সাহেলের কাছে অসহায় হয়ে পড়ে জমির মালিকরা।

ভূমিহীনদের মাঝে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত, খতিয়ানের ভুল সংশোধন, নামজারি ও জমাভাগ, ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণীর আপত্তি-নিষ্পত্তি, দেওয়ানি আদালতের রায় বা আদেশমূলে রেকর্ড সংশোধন, ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন নিষ্পত্তি, জমা একত্রকরণ ও বিবিধ কেসের আদেশের নকল বা সার্টিফায়েড কপি প্রদান কোনটিরই টাকা ছাড়া কাজ হয় না।

সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে দালালেরা যে টাকা নেন, তা ভাগ-বাঁটোয়ারাও হয় নানা ধাপে। ভূমি অফিসে নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তোলা সহ সকল কাজে সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে অনৈতিকভাবে বাড়তি টাকা নেয়া হয়। চুক্তির টাকা ছাড়া কোনো ফাইলই নড়ে না। তার দুর্নীতির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ভূমি মালিকেরা। ঘুষখোর এই ভূমি কর্মকর্তা তার ইচ্ছামত দুর্নীতি করে চলেছেন।
পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার উবায়দুর রহমান সাহেল তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি বদলি হয়ে গেছি। ব্যস্ততা দেখিয়ে এর বেশি কিছু বলতে তিনি রাজি হননি।

এ ব্যাপারে সদ্য যোগদানকারী পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার মোঃ তাছবীর হোসেন বলেন, জমি নামজারির ডিজিটাল সেবা ই-নামজারি সার্ভারটি ঠিক থাকলে সাধারণ মানুষ ভোগান্তি, হয়রানি ও ঘুষ ছাড়াই সঠিক সময়ে নাজমারি পেয়ে যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়ন ফকিরাবাদে বকশিপাড়ায় স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে। তমা খাতুনের স্বামী বক্কর হোসেন এখন ভেড়ামারা থানা পুলিশ হেফাজতে। তমা খাতুন (১৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। নিহত তমা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহতের মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তমার মৃত্যুর পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ জাহেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ধর্ষণের কোনো আলামত বা প্রমাণ পুলিশ পায়নি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে ভর্তির সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

চট্টগ্রামে এবার ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৫ বছরের শিশুর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর দুইদিন পর এবার সিরাজুল মনিরা (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সিরাজুল মনিরা সীতাকুণ্ড পৌরসভার আমিরাবাদ এলাকার নুরুন্নবীর মেয়ে। অন্যদিকে হাসপাতালে ভর্তির একদিন না পেরোতেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রাফসান মোহাম্মদ নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাদের কাছে ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত রাফসান মোহাম্মদ প্রাচুর্য সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট তুলাতলি এলাকার সাত নম্বর ওয়ার্ডের মৃত নুরুল আলমের ছেলে। পরিবারের তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে রাফসান বড় ছেলে ছিলেন। রাফসান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।

মনিরার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকদিন ধরে তীব্র জ্বরসহ নানান শারীরিক অসুস্থতায় খুব দুর্বল হয়ে পড়ে সে। অবস্থার অবনতি হতে দেখে অভিভাবকরা তাকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সীতাকুণ্ড পৌরসদরের মেডিকেয়ার ল্যাবে নিয়ে আসলে চিকিৎসক এনএসওয়ান পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে ভর্তি করাতে বলেন চিকিৎসক। সেখানে বুধবার তাকে আইসিইউতে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে রাফসানের ভগ্নিপতি মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন জানান, রাফসান গত পাঁচদিন আগ থেকে জ্বরে ভুগছিলেন। পরে ১০ সেপ্টেম্বর তাকে চট্টগ্রাম নগরীর মেরনসিটি নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তার স্বজনরা তাকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। পরে রাফসানকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দুইটার সময় তার মৃত্যু হয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার সময় ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করালাম দুই দুইটার সময় রাফসান মারা যান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিল করেছে। যা অতিরিক্ত।
পরিবারের অভিযোগ, অল্প সময়ের চিকিৎসার বিপরীতে এত বেশি বিল হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে চাপে পড়েছেন। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ