আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

চন্দনাইশ সমিতি-চট্টগ্রাম আয়োজিত চক্ষু শিবিরে ছানি অপারেশন সম্পন্ন।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চন্দনাইশ সমিতি-চট্টগ্রামের আয়োজনে এবং জাহানারা মোনাফ ফাউন্ডেশন (JMG) ও শেভরন আই হসপিটালের যৌথ সহযোগিতায় ‘চক্ষু শিবির ২০২৫’-এর অধীনে প্রথম ধাপে ছানি অপারেশন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। আজ নগরীর পাঁচলাইশ শেভরন আই হসপিটালে আয়োজিত এই শিবিরে বাছাইকৃত ২২৫ জন রোগীর মধ্য থেকে প্রথম পর্যায়ে ১১০ জনের ছানি অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়।

সোমবার উক্ত ক্যাম্পের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি চক্ষু চিকিৎসা ও অপারেশন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং আয়োজকদের এই মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ধাপে ধাপে বাকি রোগীদেরও ছানি অপারেশন সম্পন্ন করা হবে এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এই উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বয়ে একটি সফল চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন করায় স্থানীয়রা আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারে না : সাঈদ আল নোমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান বলেছেন, রাজনীতি শুধু নেতৃত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের জন্য কী উপকারী, কোন উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে-তা ভেবে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করাই সংসদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি বলেণ, নিজের জীবন, পরিবার, চিন্তা-ভাবনা এবং সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। এটিকে নিজের সেবামূলক জীবনের প্রথম ও প্রধান কাজ হিসেবে দেখি। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নিজের পিতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের উন্নয়নমূলক অবদানের কথা তুলে ধরে সাঈদ আল নোমান বলেন, তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে কর্ণফুলী তৃতীয় সেতু নির্মাণ, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড প্রতিষ্ঠা, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে চার শহীদের স্মরণে কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়-যা একটি মুরগির খামার থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয়। এ ছাড়া স্টেডিয়াম উন্নয়ন, জমিয়াতুল ফালাহ ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণে কাজের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সাঈদ আল নোমান বলেন, আমার পিতা শুধু গণমানুষের নেতা ছিলেন না, নীরবে উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন।এখন সময় এসেছে, নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় কার্যকর অবদান রাখার যোগ্যতা ও সম্ভাবনা নিয়ে ভাবার।

চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, জেনারেল হাসপাতালের সক্ষমতা বর্তমানে খুবই সীমিত। এটিকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজে রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-১০ আসনের পাহাড়তলী, খুলশী ও হালিশহর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের ঘাটতি প্রকট। খুলশীতে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও হালিশহর ও পাহাড়তলীতে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই।তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ উন্নত বেসরকারি শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারে না।

ফলে চিকিৎসাসেবাকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে। বড় পরিসরে সরকারি উদ্যোগ ছাড়া এই খাতে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।তিনি হালিশহর ও পাহাড়তলী এলাকায় বৃহৎ পরিসরে সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আহ্বান জানান।তাঁর মতে, এতে শুধু একটি এলাকা নয়, পুরো চট্টগ্রামের মানুষ উপকৃত হবে।

আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোড দোকান মালিক সমবায় সমিতি’র নব নির্বাচিত কার্যকরী পরিষদ ২০২৬-২৮ শপথ ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১৯ জানুয়ারি সকাল ১০.০০ ঘটিকায় সি ইপিজেড ব্যারিস্টার কলেজ সংলগ্ন আব্দুল মাবুদ সওদাগর রোডস্থ মাঠে অন্তবর্তী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ রানা এর সভাপতিত্বে ও উপদেষ্টা বাবু শ্যামল বিশ্বাস এর সঞ্চালনায় হাফেজ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এর কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শপথ বাক্য পাঠ করান নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অন্তবর্তী কমিটির সদস্য প্রকাশ কান্তি দাশ।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রবিএ গীতা পাঠ করেছেন শ্রী আপেল দেবনাথ মহোদয় এবং প্রবিএ এিপিটক পাঠ করেছেন সন্জয় চাকমা।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন সভাপতি মোহাম্মদ কাউসার,সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি মো: আজাদ,সহ সাধারণ সম্পাদক অনিক দে,অর্থ সম্পাদক ইকবাল বাহার,সহ অর্থ সম্পাদক সুমন সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয় কুমার দে, সমাজ ও ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রবিউল হক সুমন,প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক মো: ইব্রাহীম, সদস্য দীপন চাকমা,আজিজ মিয়া।
উপদেষ্টা সদস্য হলেন – সাইফুল ইসলাম মিয়া,বাবু শ্যামল বিশ্বাস, হাজী মোহাম্মদ জাহেদ হোসেন, স্বপন গোলদার,মনির হোসেন,আফজাল হোসেন।
এছাড়া উপ কমিটির সদস্য হলেন যারা,

মোহাম্মদ আবুল কাশেম,নাঈম উদ্দিন রানা,মোহাম্মদ হিরো, মোহাম্মদ নুর আলম,ইয়াছিন উদ্দিন, শাকিল বড়ুয়া।এতে উপস্থিত ছিলেন দোকান মালিক সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ সহ এলাকার গণ্যমান্য সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।

নবনির্বাচিত কার্যকরী সদস্যদের শুভেচ্ছা বক্তব্য, উপস্থিত সদস্যদের সাথে পরিচয় শেষে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ আব্দুর রহিম। তিনি ব্যবসায়ীদের একতা সততার উপর গুরুত্ব দিয়ে সংগঠন এর উন্নয়নে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন

সমিতির নিয়ম কানুন মেনে চলা, একে অপরের সহযোগী হিসেবে কাজ করা,রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে সে দিকে গুরুত্ব দিয়ে সকলকে সততার সঙ্গে ব্যবসায় পরিচালনা আহবান জানিয়ে ধৈর্য্য সহকারে অনুষ্ঠানে থাকায় সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সভাপতি অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ