আজঃ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম সড়ক অবরোধ করে দুঘন্টা বিক্ষোভ পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সড়ক অবরোধ করে প্রায় দুঘন্টা বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে যানবাহন আটকে দেওয়ায় সড়কের উভয়পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভের কারণে সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। পরে সরে গেলেন শিক্ষার্থীরা, দুঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

এদিন দুপুর আড়াইটার দিকে যানবাহন চালকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা সড়ক ছাড়তে বাধ্য হন। এরপর শিক্ষার্থীরা দুই নম্বর গেটের বিপ্লব উদ্যানে গিয়ে অবস্থান নেন।ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর নিয়োগবিধি সংশোধন,ব্যবহারিক ক্লাসের প্রশিক্ষক পদের নাম ‘ক্রাফট ইন্সট্রাক্টর’ না করাসহ ছয় দফা দাবিতে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি শুরু করেন। চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, শ্যামলী, এমআইটিসহ বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রায় দু শতাধিক শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচিতে যোগ দেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘নন টেক, মুক্ত করো, কারিগরি পথ খুলো, ২৪ আমার অহঙ্কার, কারিগরি আন্দোলন আমার অহঙ্কার, মামা এখন মাস্টার, মামার বাড়ির আবদার, এক,দুই, তিন, চার, কারিগরিতে দুর্নীতি ছাড়’- সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।চলতি বছরের ২০ মার্চও একই দাবিতে বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা আড়াই ঘণ্টা সড়ক ও রেললাইন অবরোধ করে আন্দোলন করেছিলেন।

ছাত্রদের ছয় দফা দাবিগুলো হলো— জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে, ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরসহ সকল পদে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনবল নিয়োগ দিতে হবে, পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের জন্য সব বিভাগীয় শহরে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় অতি শিগগিরই স্থাপন করতে হবে, কারিগরি শিক্ষা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক পদে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীর চাকরির আবেদন বাস্তবায়ন করতে হবে, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের জন্য প্রাইভেট সেক্টরে সর্বনিম্ন বেতন স্কেল নির্ধারণ করে দিতে হবে এবং জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ কোটা অনতিবিলম্বে বিলুপ্ত করতে হবে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পলিটেকনিক শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছিল। পুলিশ তাদের সড়ক ছাড়ার জন্য অনুরোধ করলেও তারা সেটা মানছিল না। দুই ঘণ্টা পর তারা সড়ক ছেড়েছেন। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক আছে।
এদিকে দুই ঘণ্টা পর নগরের গুরুত্বপূর্ণ দুই নম্বর গেট এলাকা থেকে সরে গেছেন শিক্ষার্থীরা। এতে স্বাভাবিক হয়েছে ওই এলাকার যান চলাচল। তীব্র যানজটের কারণে সাধারণ মানুষের রোষানলে পড়ে শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গণভোটে সাত আসনে জিতেছে ‘না’ ভোট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গতকাল সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। গণভোটে সারাদেশের মোট সাতটি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে।
সাতটি আসনের মধ্যে তিনটি গোপালগঞ্জ জেলার। বাকি আসনগুলো হলো- বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-১৩। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের ফলাফল শিট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি জানিয়েছে, বান্দরবানে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২২ জন ভোটারের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৪১৭টি। ‘না’ ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ১৫৬টি।
চট্টগ্রাম-১৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ২৪৬ জন ভোটারের মধ্যে ৮০ হাজার ৫৮০টি হ্যাঁ ভোটের বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬২৯টি।
রাঙামাটিতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫টি এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৬৯৯টি। সেখানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন।
এছাড়া খাগড়াছড়িতে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৩ জন ভোটারের মধ্যে ‘হ্যাঁ’-তে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৫টি এবং ‘না’-তে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪২টি।এদিকে, গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় গোপালগঞ্জ-১ আসনে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২৯৮টি। পক্ষান্তরে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৫৪ হাজার ৭১৬টি।গোপালগঞ্জ-২ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৪ হাজার ৩০১টি, ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৯০টি।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৩ হাজার ৪৯৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৯৩ হাজার ৩৬৮টি

চট্টগ্রামে মুসাফিরখানা মসজিদ শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর নন্দনকাননস্থ মুসাফিরখানা মসজিদ শপিং কমপ্লেক্স সারকারী হিসেবে দুইদিন বন্ধ দেয়ার নিয়ম থাকলেও একদিন বন্ধের নোটিশ দেয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের একদিন বন্ধের নোটিশ সাঁটানোর পর থেকে শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন নোটিশে দুইদিন বন্ধ ঘোষণা করেছে। এদিকে একদিন বন্ধের বিষয়ে চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি মোঃ আবছার হাসান চৌধুরী (জসিম)’র কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি।
জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারী মার্কেটটি বন্ধের বিষয়ে চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের নোটিশ সাাঁটানো হয়।সভাপতি মোঃ আবছার হাসান চৌধুরী (জসিম) ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত

ওই নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” অনুষ্ঠিত হবে। “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬” উপলক্ষ্যে সরকারী গেজেট বন্ধ থাকায় আগামী ১২/০২/২০২৬ বৃহস্পতিবার সকল বৈদ্যুতিক দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমুহ বন্ধ থাকবে। অতএব, আপনাদের স্ব স্ব দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমুহ বন্ধ রেখে

“আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” এ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।অন্যদিকে বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন তাদের নোটিশে দুইদিন বন্ধ ঘোষণা করেছে। বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন স্বাক্ষরিত
আজ সোমবার দেয়া নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ১১ ও ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং, রোজ- বুধবার ও বৃহস্পতিবার, ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে ।

অতএব আমরা বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে উক্ত ২ দিন আপনাদের স্ব স্ব দোকান ও প্রতিষ্ঠান সমূহ বন্ধ রাখার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করিতেছি। এ বিষয়ে সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক বলেন, আমরা মার্কেট দুইদিন বন্ধ রাখার নোটিশ দিয়েছি। তবে মালিক পক্ষের একদিন বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আলোচিত খবর

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে।শেখ আব্দুর রশিদ বলেন- নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ