আজঃ শনিবার ২৮ মার্চ, ২০২৬

কলমাকান্দা সীমান্তে বন্য হাতির তাণ্ডব, আতঙ্কে গ্রামবাসী।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জাগিরপাড়ায় ভারত থেকে আসা বন্য হাতির পালের তাণ্ডবে ব্যাপক ফসলহানির ঘটনা ঘটেছে।

জানায় গত সোমবার (২৮ এপ্রিল) দিনগত রাতে কাঁচাপাকা ধান ক্ষেতে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী তাণ্ডব চালায় ১৫-২০টি হাতির একটি দল। এসময় ক্ষেতের ধান মাড়িয়ে ফেলার পাশাপাশি গাছপালা ভাঙচুর করে তারা। হাতির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে কলমাকান্দার জাগিরপাড়া, হাতিবেড়, চন্দ্রডিঙ্গা ও বেতগড়া গ্রামসহ আশপাশের এলাকায়।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর ভারতের মেঘালয়ের গারো পাহাড় থেকে খাবারের সন্ধানে এই অঞ্চলে ঢুকে পড়ে বন্য হাতির পাল। দিনের বেলায় টিলায় অবস্থান করলেও রাত হলেই দলবেঁধে নেমে আসে লোকালয়ে। ক্ষতিগ্রস্ত করে ফসল, ভাঙচুর করে ঘরবাড়ি ও গাছপালা।

জাগিরপাড়া গ্রামের কৃষক আবুল মিয়া বলেন, প্রতি মৌসুমেই হাতির দল ফসল নষ্ট করে যায়। এবারও ধান কাটার আগেই ক্ষেত শেষ করে দিয়েছে। আমরা এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চাই।

পাঁচগাঁও গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, হাতির হাত থেকে ফসল বাঁচাতে আমরা রাতে মশাল, টর্চলাইট আর লাঠি নিয়ে পাহারা দিই। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নেতা সুদীপ্ত হাজং বলেন, হাতির দল একবার ক্ষেতে নামলে তা ধ্বংস করেই ছাড়ে। স্থানীয়দের শত চেষ্টায়ও ঠেকানো যাচ্ছে না। সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান খান পাঠান বলেন, সীমান্ত এলাকায় হাতির আক্রমণ এখন নিয়মিত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছর কোটি টাকার ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাইযুল ওয়াসীমা নাহাত বলেন, বিষয়টি জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর সহধর্মিণী চলে গেলেন নাফেরার দেশে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর সহধর্মিণী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দিলারা হাফিজ- সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!

মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন ভোলা জেলা সমিতি, চট্টগ্রাম এর নেতৃবৃন্দ। এক শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন – বাংলাদেশের ইতিহাসে ভোলা জেলার নন্দিত জননেতা মাননীয় স্পীকারের সহধর্মিণীর অকাল মৃত্যু আমাদের শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিয়েছে। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুমা দিলারা হাফিজ জীবিতাবস্থায় সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন – সংগ্রামে জননেতা মেজর (অবঃ)উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের পাশে থেকে শক্তি ও সাহস যুগিয়েছেন।আমরা তাঁহার বিদেহী আত্মার সদাগতি কামনা করছি।

চট্টলা এক্সপ্রেসের পাওয়ার কারে অগ্নিকান্ডে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার পর ঘটনা তদন্তে এ কমিটি গঠন করা হয়।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে (ডিটিও) কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ফৌজদারহাটের বিএমএ গেট এলাকায় চলন্ত অবস্থায় ট্রেনটির পাওয়ার কারে আগুন লাগে। পরে আগুন পাশের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে সরে যান।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডের সময় কিছুক্ষণ রেল চলাচল ব্যাহত হলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ