আজঃ বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

৭ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের দাবীতে প্রধান উপদেষ্টা বরাবরে স্মারকলিপি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের “হাটহাজারীর উন্নয়নে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, নোবেল বিজয়ী, বীর চট্টলার কৃতি সন্তান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস বরাবরে আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের “হাটহাজারীর উন্নয়নে ৭ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের দাবীতে স্মারকলিপি” প্রদান করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম’র নিকট আলোকিত হাটহাজারী উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন গ্লোবাল বাংলাদেশের

সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম এ স্মারকলিপি চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে হস্তান্তর করেন। ৭ দফা কর্মসূচিগুলো যথাক্রমে ঃ (১) স্বাস্থ্যখাতঃ ভৌগলিক অবস্থান এবং একাদিক প্রবেশপথ বিবেচনায় হাটহাজারী উপজেলায় ফটিকা ও মিঠাই ছড়া মৌজায় “চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল” স্থাপন জরুরী, হাটাহাজারীর সকল ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে সম্প্রসারণ, নার্সিং কলেজ স্থাপন এবং একটি ডায়বেটিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করণ। (২) যোগাযোগ খাতঃ

হাটহাজারীর মূল সড়কের যানযট নিরশনের লক্ষ্যে ওভারপাস সহ ৬ লাইন বিশিষ্ট আধুনিক মহা সড়ক নির্মাণ, সড়ক দূর্ঘটনা মোকাবেলায় হাটহাজারীর বড় মাদ্রাসা হইতে নাজিরহাট হালদা ব্রিজ পর্যন্ত সিংঙ্গেল ডিবাইডার নির্মাণ এবং হাটহাজারীর মূল সড়কের সাথে সংযুক্ত উপ-সড়ক গুলোর প্রয়োজনীয় উন্নয়ন। ( ৩) শিক্ষাখাতঃ হাটহাজারীর কৃষি ইনিষ্টিটিউকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রুপান্তর, চট্ট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিটি বিষয়ে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি, হাটহাজারীর প্রাচীন উচ্চ বিদ্যালয় গুলোকে জাতীয়করণ, মির্জাপুর ইউনিয়নে একটি পূর্ণাঙ্গ কলেজ প্রতিষ্ঠা, হাটহাজারীতে একটি

প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা। (৪) বন্যা ও দূযোর্গ মোকাবেলাঃ হাটহাজারী ১নং ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের মন্দাগিনী হইতে বুড়িশ্বর ইউনিয়ন পর্যন্ত হালদা নদীর পশ্চিম পাড় সুরক্ষার জন্য বাধঁ/ব্লক নির্মাণ করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা এবং হাটহাজারীর নিচু এলাকার ইউনিয়ন গুলোতে সাইক্লোন কেন্দ্র নির্মাণ। (৫) ক্রীড়াখাতঃ হাটহাজারীতে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, নাজিরহাট কলেজ মাঠ, ফরহাদাবাদ বিদ্যালয় মাঠ, কাটিরহাট বিদ্যালয় মাঠ, মির্জাপুর বিদ্যালয় মাঠ,

হাটহাজারী মাঠ, ফতেয়াবাদ মাঠ, কুয়াইশ কলেজ মাঠকে খেলার মান উপযোগী করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা সহ মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং এলাকা ভিত্তিক সামাজিক ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান গুলোকে খেলার মান উন্নত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। (৬) প্রশাসন ঢেলে সাজানোঃ হাটহাজারী মডেল থানার আওতাধীন ৪টি পুলিশ ষ্টেশন/পুলিশ বিট স্থাপনঃ (ক) নূর আলী মিয়ার হাট (খ) সরকারহাট (গ) বড়দিঘীর পাড় এবং (ঘ)

নজুমিয়ার হাট। (৭) সামাজিক ক্ষেত্রেঃ সকল ধর্মের, বর্ণের, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সহ- অবস্থান সৌহর্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, প্রতিটি মানুষের জীবনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করণ, হাটহাজারীর প্রেস ক্লাবের আধুনিকায়ন, হাটহাজারীর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান। সংগঠনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোস্তফা আলম আশা করেন এই প্রকল্প শুধু হাটহাজারী নয়,

পুরো উত্তর চট্টগ্রামের সাথে দুই পার্বত্য জেলায় ও দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। প্রধান উপদেষ্টার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি সংকটময় সময়ে যে প্রত্যশা জেগেছে তা দ্বিতীয় স্বাধীন জাতীর গভীর বিশ্বাসের প্রতিফলন। আমরা গর্বিত, তিনি আমাদের চট্টগ্রামের হাটহাজারীর সূর্য সন্তান। এই অঞ্চলের তৃনমূল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও Southউন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তাবায়নে ৭ দফা কর্মসূচী অতীবগুরুত্বপূর্ণ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, মেট্টোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ শাহ্ নেওয়াজ, সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম শিল্পী, ফোরামের মুহাম্মদ সোলতানুল আলম, মুহাম্মদ ইকরাম, জিকু চৌধুরী, চঞ্চল রায়, মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মুহাম্মদ রবিউল হোসেন প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতবিনিময়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের সদস্যরা।মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি দুপুরে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের দুই সদস্য অংশ নেন।

মতবিনিময়কালে চট্টগ্রামের মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক পরিবেশ, ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের প্রস্তুতি, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং সামগ্রিক নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।মতবিনিময়ে উভয় পক্ষ নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনছুর, প্রচার ও প্রকাশ সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল এবং প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ আজাদ।

মহাসমাবেশ ২৫ জানুয়ারী ২১ বছর পর চট্টগ্রামে আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা। সমাবেশের প্রস্তুতির জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নগরীর মেহেদিবাগের বাসভবনে যৌথসভা আহ্বান করেছেন।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সভায় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।

নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন। প্রোগ্রামটা যদিও এখনো ফাইনালি সাজানো হয়নি। উনি কি বিমানে আসবেন না-কি সড়কপথে আসবেন, সেটা এখনো ফাইনাল হয়নি। তবে উনি ২৪ তারিখ রাতে চট্টগ্রামে অবস্থান করবেন, এটা ফাইনাল হয়েছে এবং ২৫ জানুয়ারি উনি সমাবেশ করবেন ইনশল্লাহ।

নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মঞ্চ স্থাপনের প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে। পলোগ্রাউন্ড ময়দানে গিয়ে মাঠের সার্বিক অবস্থা, মঞ্চ স্থাপন, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত বিষয় খতিয়ে দেখেন। একইসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা আসলে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এবং আনন্দিত। আমি যখন ২০১২ সালে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, আমরা একটা ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ এখানে (পলোগ্রাউন্ড) করেছিলাম। এটাই ছিল আক্ষরিক অর্থে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশ। এরপর আর সমাবেশ হয়নি। উনি ২০১৭ সালে আরেকবার এসেছিলেন, সেটা ছিল পথসভা, উনি সরাসরি রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়েছিলেন এবং দেখে চলে এসেছিলেন। পথে পথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ দেশনেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

এর আগে, আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, উনি চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশটা করেছিলেন লালদিঘীর ময়দানে ২০০৫ সালে মেয়র নির্বাচন উপলক্ষ্যে। ২১ বছর পার হয়ে গেছে। ২১ বছর পর উনি চট্টগ্রামে আসছেন। এখন চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক উন্মাদনা। এখানে শুধু আমাদের দলীয় নেতাকর্মী নয়, চট্টগ্রামের মানুষ উনাকে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। চট্টগ্রামবাসী উনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর উনি যখন ফিরলেন, তখন কিন্তু দেশের মানুষ বার্তা দিয়েছে যে উনাকে তারা কতটা ভালোবাসে। সেভাবে চট্টগ্রামের মানুষও একটা বার্তা উনাকে দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস। চট্টগ্রামবাসীও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন উনি কী বার্তা নিয়ে আসবেন। আমরা আশা করি জনসমাবেশটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

সমাবেশের সময় আমাদের ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বলা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে ১০টায় টাইম দেওয়া হচ্ছে, বাট সকাল থেকেই সবাই চলে আসবে। উনি হয়তো সমাবেশস্থলে আসতে সকাল ১১টা নাগাদ হতে পারে। আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, শুধু নেতাকর্মীদের নয়, আমি চট্টগ্রামবাসীকে আহ্বান জানাই, অত্যন্ত আনন্দমুখর পরিবেশে ফেস্টিভ মুডে উনাকে বরণ করে নেবেন। চট্টগ্রামকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে, দেশকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে অবশ্যই সেগুলো উনি বলবেন, একটা সুন্দর বার্তা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দেবেন।

আলোচিত খবর

গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Oplus_131072

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গণভবনে তৈরি করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

Oplus_131072

রাজনৈতিক দলের নেতা ও সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন তিনি।


রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা ও সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ছবি: পিআইডি

আরও পড়ুন

সর্বশেষ