ডি-লিট উপাধি পাচ্ছেন ড. ইউনূস

চবিতে ৫ম সমাবর্তনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে প্যান্ডেলে বসতে পারবে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৫ম সমাবর্তনের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পড়াশোনা সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ দিতে উক্ত সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার চট্টগ্রাম নগরীর প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য মোহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার সমাবর্তন আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরেন।উপাচার্য বলেন, আগামী বুধবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় ২৩ হাজার স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করবেন। এ সমাবর্তনে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ডি.লিট, ডিগ্রি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অতিথিসহ প্রায় ২৫ হাজার লোকের বসার জন্য মূল প্যান্ডেল রেডি হচ্ছে।

তিনি বলেন, সমাবর্তনের প্রধান বিষয় হচ্ছে সার্টিফিকেট প্রদান বা গ্রহণ। শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য উপাচার্য এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষরসহ সনদ প্রস্তুতির কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। বিভাগ বা ইনস্টিটিউটগুলোতে সার্টিফিকেট পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। রাত-দিন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ কাজ করে যাচ্ছে। সুচারুরূপে প্রস্তুতি সম্পন্ন: আপ্যায়ন কমিটি তাদের কাজ সুচারুরূপে সম্পন্ন করছে, চট্টগ্রামের স্বনামধন্য এমব্রেসিয়া ও বার কোডের সকল ফ্যাসিলিটিস ক্যাম্পাসে নিয়ে এসে তিনটি স্থানে রত্নার আয়োজন চলছে। অতিথি এবং সমাবর্তীদের উপযুক্ত খাবার পরিবেশনের লক্ষ্যে সামগ্রিক কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

চট্টগ্রামের একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরাসরি ফ্রুটস ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হয়েছে। ১৪ মে সকাল ১০টার মধ্যে খাবার বিভাগ, ইনস্টিটিউটগুলোতে পৌঁছে যাবে এবং সমাবর্তীদের সকাল ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে বিভাগ/ইনস্টিটিউটগুলো থেকে খাবার সংগ্রহ করতে হবে।যাতায়াতে শহর থেকে ১০০ বাস: পুলিশ প্রশাসন এবং আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির স্বেচ্ছাসেবকের মাধ্যমে যাতায়াত অসুবিধা মিনিমাইজ করার চেষ্টা চলছে। ১০০টি বড় বাস শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে সকাল ৬টা থেকে যাতায়াত শুরু করবে। নির্ধারিত শাটল ট্রেনে করেও সমাবর্তীরা যেতে পারবেন। ১ নম্বর মূল গেট থেকে ক্যাম্পাসে সাধারণ কোন যানবাহন, টেক্সি বা কার প্রবেশ করতে পারবে না। ১ নম্বর গেট থেকে শাটল বাসের ব্যবস্থা থাকবে, যাতে সমাবর্তীরা ক্যাম্পাসে যেতে পারেন। ক্যাম্পাসেও শাটল বাসের ব্যবস্থা থাকবে।

সর্বাত্মক নিরাপত্তা জোরদার: নিরাপত্তার বিষয়ে সরকারি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সাথে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডি এবং প্রশাসনের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তাদের রিকয়ারমেন্ট অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার রিকয়ারমেন্ট অনুযায়ী সমাবর্তীদের কাছে ফোন যাচ্ছে। এটি অনেকে নেতিবাচকভাবে নিচ্ছে। ফেসবুকে মন্তব্য করছেন। এটি পেনিক হওয়ার মত কিছু নয়। কনভোকেশন কার্ড পেলে সে স্বাভাবিকভাবে অনুষ্ঠানে যেতে পারবেন, যদি না পুলিশ বা সংস্থা থেকে কাউকে বিশেষভাবে নিষেধ করা হবে না।

সমাবর্তীদের জন্য উপহার: সমাবর্তীদের জন্য গিফট আইটেম রেডি হচ্ছে। গিফটের মধ্যে থাকবে ব্যান, স্মরণিকা, কলম, পিন, ওয়ালেট ইত্যাদি। কনভোকেশন টুপি নিরুট হিসেবে বিবেচিত হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে অনুষ্ঠান দেখতে পারেন সেজন্য লাইভে অনুষ্ঠান সম্প্রচারের ব্যবস্থা হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসে চারটি পয়েন্টে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হবে।
৫ম সমাবর্তনে মোট উপস্থিতি: ৫ম সমাবর্তনে ৪২ জন পিএইচডি, এবং ৩৩ জন এম, ফিল, ডিগ্রিসহ মোট ২২ হাজার ৫৮৬ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হবে। কলা ও মানববিদ্যা ৪ হাজার ৯৮৮ জন, বিজ্ঞান ২ হাজার ৭৬৬ জন, ব্যবসায় প্রশাসন ৪ হাজার ৫৬৩ জন, সমাজ বিজ্ঞান ৪ হাজার ১৫৮ জন, জীববিদ্যা ১ হাজার ৬৮৫ জন, ইঞ্জিনিয়ারিং ৭৯৬ জন, আইন ৭০৩ জন, শিক্ষা ৩১৭ জন, মেরিন সায়েন্স ২৮৪ জন, চিকিৎসা ২ হাজার ২৯৬ জন বিভিন্ন ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যারা: শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূর জাহান বেগম ও ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস. এম. এ. ফায়েজ।

অংশগ্রহণকারীদের জন্য নির্দেশনা; কনভোকেশন কার্ড হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং এটা প্রদর্শন করে গাউন ও টুপি নিতে হবে। সমাবর্তন অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের জন্য অংশগ্রহণকারী গ্র্যাজুয়েটদেরকে বিভাগ/ইনস্টিটিউট/নির্দিষ্ট বুথ থেকে ১৪ মে সকাল ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে অবশ্যই প্রবেশ (আইডি) কার্ড সংগ্রহ করতে হবে। আইডি কার্ড ছাড়া নিরাপত্তাবাহিনী কাউকে সমাবর্তন অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের অনুমতি দিবে না। অংশগ্রহণকারী গ্র্যাজুয়েটরা আজ সোমবার (১২ মে) ও আগামীকাল মঙ্গলবার (১৩ মে) অফিস চলাকালীন (সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত) গাউন সংগ্রহ করতে পারবেন। ১৪ মে সকাল ৭টা থেকে অবশিষ্ট গাউন বিতরণ করা হবে।

ব্যক্তিগত গাড়ি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না: গ্র্যাজুয়েটদের ব্যক্তিগত কোন গাড়ি ১ নম্বর মূল গেট (হাটহাজারী রোড) থেকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না। ক্যাম্পাসে আসা-যাওয়ার জন্য ১ নম্বর গেট থেকে বাসের ব্যবস্থা থাকবে। গ্র্যাজুয়েটদের যাতায়াতের সুবিধার্থে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন পয়েন্টন্ট যথা- ষোলশহর শপিং কমপ্লেক্স, নিউ মার্কেট, জমিয়াতুল ফালাহ, পলিটেকনিক মোড় (ফ্লাইওভার থেকে নেমে) থেকে বাসের ব্যবস্থা থাকবে। সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত বাসগুলো শহর থেকে ক্যাম্পাসে যাতায়াত করবে এবং ক্যাম্পাস থেকে ফিরতি বাসগুলো বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে শুরু হয়ে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলবে।

শাটল ট্রেনের সময়সূচি: বটতলী স্টেশন থেকে ৭টা ৫ মিনিট ও ৭টা ৪০ মিনিট, ষোলশহর স্টেশন থেকে সাড়ে ৯টা, ১০টা ৫মিনিট, সাড়ে ১১টা এবং ফিরতি ট্রেন ক্যাম্পাস থেকে ৪টা ৪০ মিনিট, ৬টা ২০মিনিট এবং ৯টা ৪৫ মিনিট। সমাবর্তন দিনের বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনের সময়সূচি ও পরিবহন বিষয়ক বিস্তারিত দিকনির্দেশনা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। যে সব গ্র্যাজুয়েট অঙ্গীকারনামা আপলোড করে রেজিস্ট্রেশন করেছেন অথবা যাদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড নাই, তারা অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন কার্ড অথবা ৩০০ টাকার পে-অর্ডার নিয়ে আসবেন, যা গাউন নেয়ার সময় অবশ্যই জমা দিতে হবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের অন্যতম উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০টি অনুষদের অধীনে বর্তমানে ৪৮টি বিভাগ, ৬টি ইনস্টিটিউট এবং ৫টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮ হাজার ৫১৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। শিক্ষক সংখ্যা ৯৯৬, কর্মকর্তা ৪৪৫, কর্মচারী (৩য় শ্রেণি) ৫৪৫ জন এবং কর্মচারী (৪র্থ শ্রেণি) ৯৮৩ জন। শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য ১৪টি হল রয়েছে। ছাত্রদের জন্য নয়টি, ছাত্রীদের জন্য পাঁচটি এবং হোস্টেল রয়েছে একটি। স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি ছাড়াও এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম ফিল, পিএইচডি, এম.ডি, এম.এস (মেডিকেল সায়েন্স) উচ্চতর ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৬০ বছরের পথচলা পূর্ণ করতে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠার ছয় দশক পূর্তি উপলক্ষে আগামী ১৮ নভেম্বর বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তী। এ উপলক্ষে জেমসের সংগীত পরিবেশনা, র‌্যালি, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী নানা আয়োজন বাস্তবায়নে জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
জানা গেছে, হীরকজয়ন্তী উদযাপন ঘিরে ইতোমধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে আগামী ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। এতে অংশ নিতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় দশকের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে হীরকজয়ন্তীর আয়োজন নানা কর্মসূচিতে সাজানো হয়েছে। হীরকজয়ন্তী উদযাপনকে কেন্দ্র করে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে আয়োজকরা।
হীরকজয়ন্তীতে দিনের প্রথম কর্মসূচিতে থাকবে বর্ণাঢ্য র‌্যালি। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেবেন। র‌্যালি শেষে আলোচনা সভা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় দশকের পথচলা, ইতিহাস ও উল্লেখযোগ্য অর্জন নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। আর দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আবাসিক হলে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এছাড়াও সাংস্কৃতিক আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকবেন সংগীতশিল্পী ও ব্যান্ড তারকা জেমস। তার সংগীত পরিবেশনা ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।হীরকজয়ন্তী উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, ১৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের হীরকজয়ন্তী উৎসব উদযাপন হবে। উৎসবে নানা আয়োজন থাকবে। সার্বিক প্রস্তুতি শুরু করেছি। রেজিস্ট্রেশন চলমান রয়েছে, সেই সঙ্গে সাংস্কৃতিক আয়োজন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টসহ অন্যান্য প্রস্তুতি চলছে।

দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. সফি উল্যাহ চৌধুরী (৭০) নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূর নবী (৬০)। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূর নবী ও তার ভাই-বোনেরা পৈত্রিক সূত্রে ১৩ নম্বর চরপার্বতী মৌজার সিএস ৯৯১ নম্বর খতিয়ানের ১২০৮ নম্বর দাগে নকশা অনুযায়ী ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির মধ্যে পাঁচ শতাংশের মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকায় ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সফি উল্যাহ চৌধুরী অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জমিতে থাকা দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পরে সেখানে মাটি ভরাট করে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এতে নূর নবী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণের কাজে বাধা দিলে মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ ও শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী।

নূর নবী বলেন, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বসতবাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানোর পর তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে সফি উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘সেটি প্রমাণের জন্য আমি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওসির কাছে উপস্থাপন করব।’
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন অনেক অভিযোগ জমা পড়ে। লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ