আজঃ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাঁশের নানান ধরনের ব্যবহার হচ্ছে যুগ যুগ ধরে।

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলার প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাস্তার পাশে বাঁশের আড়ত দেখে দাঁড়ালাম ।কথা হলো বাঁশের আরতের মালিকের সাথে।আমাদের দেশে প্রাচীনতম একটি উদ্ভিদ বাঁশ। বাঁশ আমাদের বিভিন্ন কাজে আসে। আমাদের দেশের বিভিন্ন গ্রাম অঞ্চলগুলোতে বাঁশ দেখা যায়। বাঁশ পাওয়া যায় না এমন কোন এলাকা নেই। গ্রামের দিকে গেলে অনেক বাঁশের ঝাড় রয়েছে ।তবে এগুলো সংখ্যা কম ।

বাঁশ দিয়ে নানান রকম কাজ করা হয়। বাঁশ দিয়ে বাড়ি তৈরি করা যায়। বাড়ির খুটি তৈরিতে বাঁশ ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও বেড়া ,টং এবং ডেকোরেশন এর কাজ করতে গেলে প্রচুর পরিমাণে বাঁশের দরকার হয়। এছাড়াও এখন অনেক পরিমাণে বাড়ির কাজ হচ্ছে এজন্য বাড়িতে কাজ করতে বাঁশের প্রচুর দরকার হয়

এজন্য রাজমিস্ত্রিরা বাঁশ প্রচুর পরিমাণে কিনে নিয়ে গিয়ে বাড়ির কাজে ব্যবহার করে। এছাড়াও বাঁশ এখন ঢাকা সহ বড় বড় শহরে ট্র্যাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এজন্য বাঁশের দাম অনেক বেশি। একটি বাঁশ কিনতে গেলে ৪০০ টাকা লাগে।রাজশাহীর, মৌগাছিতে প্রচুর পানের চাষ হয় । পানের বরজ বানাতে এই বাশের ব্যপক ব্যবহার হয় ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে পাবনা-০৩ (চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মহি উদ্দিন সাহেব আমীরে জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখা।

“চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ” শিরোনামে ঘোষিত এ ইশতেহারে-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু কল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়, নির্বাচিত হলে চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর এই তিন উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষা খাতে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো আধুনিকায়ন, চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়।
কৃষি খাতে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ, সার-বীজ সহজলভ্য করা এবং সরকারি উদ্যোগে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে শিল্প স্থাপন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার বলেন, ৭০,পাবনা-০৩ এলাকায় “আমি নির্বাচিত হলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তিন এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করব ইনশাল্লাহ।একটি ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতেই আমার এই অঙ্গীকার।”তিনি উন্নয়ন ও সুশাসন বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেন।

আলোচিত খবর

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে।শেখ আব্দুর রশিদ বলেন- নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ