আজঃ সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভূমিসেবা হয়রানিমুক্ত ও জনবান্ধব করতে সরকার কাজ করছে ঃ বিভাগীয় কমিশনার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন বলেছেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক অগ্রগতি, সংস্কার ও অর্জন বিভিন্ন শ্রেণির নাগরিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে ভূমিসেবা পুরোপুরি হয়রানিমুক্ত ও জনবান্ধব করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। মিউটেশন, এলডি ট্যাক্স ও খতিয়ান সেবা এখন সম্পূর্ণ অনলাইনে। পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে যে কোন সময়ে যে কোন নাগরিক ভূমি অফিসে না এসে ঘরে বসে নিজেই নামজারির আবেদন, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, খতিয়ান সেবা ও ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

রোববার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস প্রাঙ্গনে আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী ভূমি মেলার শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভূমি মেলার এবারের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে-‘নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করি, নিজের জমি সুরক্ষিত রাখি’। ভূমি মেলার উদ্বোধন উপলক্ষে শুরুতে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। এটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এর পর বেলুন উড়িয়ে ৩ দিনব্যাপী ভূমি মেলার শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। ভূমি মন্ত্রণালয়, ভূমি সংস্কার বোর্ড ও ভুমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের সার্বিক সহযোগিতায় এ মেলার আয়োজন করা হয়। ভূমি মেলা উপলক্ষে সভা চলাকালীন সময়ে বর্তমান অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়। সভার শুরুতে অনলাইন ভূমিসেবা

সংক্রান্ত সচেতনতামূলক উত্তর বঙ্গীয় গম্বীরা সংগীত পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে ৬টি ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের প্রতিনিধির হাতে অনুমতিপত্র, গ্রাহকদের হাতে খাস জমির কবুলিয়ত ও ভূমি অধিগ্রহণের এল.এ চেক বিতরণ করা হয়। শেষে মেলার স্টল পরিদর্শন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীনসহ অন্যান্যরা।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে ও নগরীর চান্দগাঁও সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইউছুফ হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ভূমি মেলার শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও জনসচেতনতামূলক সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ, চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মনোয়ারা বেগম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নগরীর আগ্রাবাদ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভির হাসান তুরান। বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় ও জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, সারা দেশব্যাপী ভূমি উন্নয়ন কর এখন শতভাগ অনলাইনে অর্থবছরভিত্তিক আদায় করা হচ্ছে। জমির নামজারী খতিয়ান পেতে হলে দখল, দলিল ও দাখিলা প্রয়োজন। দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে ৬টি সংস্থা/এজেন্সীকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। আমরা সবসময় ভূমিসেবা দিয়ে আসছি। ভূমিসেবার দূর্নাম কাটিয়ে সুনাম ও স্বচ্ছতা আনয়নে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে একযোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা জনগণের শাসক নন, সেবক। দেশের সকল ভূমি অফিস ক্যাশলেস ও নাগরিক বান্ধব অফিস হিসাবে ঘোষিত হয়েছে। পুরোপুরি অনলাইন হওয়ার ফলে ভূমিসেবা বাবদ সরকারি আয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণে।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আহসান হাবীব পলাশ বলেন, বিভিন্ন কারণে ভূমি সংক্রান্ত সমস্যাগুলো প্রকট আকার ধারণ

করেছে। স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও সুপ্রতিষ্ঠিত ভূমি ব্যবস্থাপনা পাইনি। ২০ কোটি মানুষের দেশে ৩৫ লক্ষ মামলা ভূমি বিষয়ক। এর থেকে উত্তরণের জন্য সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটালাইজড করেছে। এখন থেকে মানুষ ঘরে বসে অনলাইনে নামজারীসহ যাবতীয় ভূমিসেবা গ্রহণ করতে পারছে। ভূমিসেবাগুলো নিতে হলে আমাদেরকে স্মার্ট হতে হবে, ধৈর্য্য হারা হলে চলবে না। ভূমিসেবা বিষয়ে সচেতন হতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী বলেন, বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা যাতে একই ছাতার নিচে একটি সিষ্টেমে চলে আসে, সে লক্ষ্যে সরকার সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ভূমি ব্যবস্থাপনা অনলাইন হওয়ায় জনগণ ঘরে বসেই হয়রানি, দুর্নীতি ও দালালমুক্ত ভূমিসেবা গ্রহণ করছে। এরই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে জনসচেতনতার বিকল্প নেই।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মনোয়ারা বেগম বলেন, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনবান্ধব ভূমিসেবার বিকল্প নেই। ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে ভূমি সংক্রান্ত সেবাসমূহ অটোমেশনের মাধ্যমে জনগণের নিকট পৌঁছানোর লক্ষ্যে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ সকল কার্যক্রম সর্বসাধারণের মাঝে ব্যাপক আকারে প্রচার প্রচারণা করা আবশ্যক।
উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস প্রাঙ্গণে মেলা চলাকালীন ১২টি স্টলের মধ্যে ৬টি স্টলে মহানগরের ৬টি সার্কেলের যাবতীয় ভূমি সেবা প্রদান করছে। ২টি স্টলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল.এ শাখা ও রেকর্ডরুমের সেবা, ২টি স্টলে চট্টগ্রাম জেলার জরিপ ও ভূমির রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত সেবা এবং অপর ২টি স্টলের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোন প্রান্তের ভূমি বিষয়ক সেবা অর্থ্যাৎ ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, ই-নামজারীর আবেদনসহ অন্যান্য সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমূল পরিবর্তন চট্টগ্রাম বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রমে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও দূরদর্শী পরিকল্পনায় ড্রেজিং কার্যক্রমে এক আমূল পরিবর্তন এসেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সকলের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সরাসরি হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের তত্ত্বাবধানে কর্ণফুলী নদীর মোহনা হতে বন্দর সীমানার অন্তর্গত প্রধান জেটি এবং কালুরঘাট পর্যন্ত নেভিগেশনাল চ্যানেলে ও বন্দর সীমার অন্যান্য চ্যানেলে নাব্যতা রক্ষায় এখন এক সাশ্রয়ী ও কার্যকর মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।


বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও চবক এর যৌথ হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ কার্য পরিচালনা করতঃ সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। কর্তৃপক্ষের এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে ড্রেজিং খাতের ব্যয় অতীতের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে, যা সংস্থার আর্থিক সাশ্রয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের হাইড্রোগ্রাফী বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত এই ড্রেজিং কার্যক্রমে বর্তমানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে দক্ষ ঠিকাদার নিয়োগ নিশ্চিত করে ড্রেজিংয়ের কাজগুলোকে ছোট ছোট পরিকল্পিত অংশে ভাগ করে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও কাজের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়ায় ঠিকাদাররা অনেক বেশি দায়বদ্ধতার সাথে কাজ সম্পন্ন করতে পারছে। বাস্তবসম্মত ব্যয় নির্ধারণ এবং আধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থার ফলে অতীতে ড্রেজিং খাতে যে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রবণতা ছিল, তা কমানো সম্ভব হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর প্রশাসনিক তদারকি এই সাফল্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। চবক-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে নিয়মিত তদারকির ফলে ড্রেজিংয়ের প্রকৃত পরিমাণ ও মান নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই কৌশলী উদ্যোগের ফলে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ নৌ-চ্যানেলগুলোতে প্রয়োজনীয় নাব্যতা সার্বক্ষণিক বজায় থাকছে, যার ফলে বড় আকৃতির বাণিজ্যিক জাহাজগুলো এখন অনেক বেশি নিরাপদে এবং নির্বিঘ্নে বন্দরে যাতায়াত করতে পারছে।

এর ফলে বন্দরের পণ্য খালাস ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নৌ-রুটে চট্টগ্রাম বন্দরের বিশ্বস্থতা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।ড্রেজিং খাতে সাশ্রয় হওয়া এই বিপুল অর্থ এখন বন্দরের অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে।

যথাযথ তদারকির ফলে ঠিকাদার-নির্ভর ড্রেজিং কার্যক্রমে এই ধরনের আর্থিক শৃঙ্খলা ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শুধুমাত্র বন্দরের অভ্যন্তরীণ ভিত্তিকেই শক্তিশালী করেনি, বরং জাতীয় অর্থনীতিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের এই ধারা বজায় রেখে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এই প্রধান প্রবেশদ্বারকে বিশ্বমানের আধুনিক বন্দরে রূপান্তর করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’র অভিযানে শটগানের কার্তুজ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বান্দরবান ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড সদর দপ্তরের আরএইচআইসি’তেমোতায়েন আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যদের সাহসিকতা ও বিচক্ষণতায় শটগানের কার্তুজ ও বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানের সময় অস্ত্র বহনকারী সন্ত্রাসীরা একটি ব্যাগ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে তাদের আনাগোনা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২৬ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টা ৫৫ মিনিটে বান্দরবান বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ট্যানেলের পশ্চিম পাশে দায়িত্ব পালনকালে বান্দরবান আনসার ব্যাটালিয়ন (১০ বিএন)-এর নায়েক মোঃ জাহিদুল ইসলাম এবং সিপাহি মকছুদুর রহমান দুইজন সন্দেহজনক ব্যক্তির গতিবিধি লক্ষ্য করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে গাঁজা সেবনের গন্ধ পাওয়া যায় এবং কথাবার্তায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়।


সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এগিয়ে গেলে তারা পূরবী পরিবহনের একটি বাসের পেছনে একটি পুরাতন শপিং ব্যাগ ফেলে রেখে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে একটি পলিথিনে মোড়ানো ১০ রাউন্ড শটগানের কার্তুজ এবং ৫টি বিভিন্ন প্রকার দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

আলোচিত খবর

বাংলার নবযাত্রা, জাহাজ বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নতুন সংযোজন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)এর বহরে যুক্ত হয়েছে এমভি ‘বাংলার নবযাত্রা’। জাহাজটি পূর্বে এক্সসিএল লায়ন (XCL LION) নামে পরিচিত ছিল।বিএসসি সূত্রে জানা যায় , চীনের তৈরি
জাহাজটির ক্লোজিং প্রোগ্রাম বিক্রেতা পক্ষের আইন প্রতিষ্ঠান স্টিভেনসন হারউড এর কার্যালয়ে শুরু হয়।

বিএসসি জানায়, জাহাজটির ডেলিভারি গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চীনের জিংজিয়াং-এর নানইয়াং শিপইয়ার্ডে সম্পন্ন হয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার মাধ্যমে বর্তমানে জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানায় এসেছে।এ বিষয়ে বিএসসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন-আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন। ‘বাংলার নবযাত্রা’ আমাদের বহরে যুক্ত হওয়ায় বিএসসির সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ