আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

দখলদারদের ‘স্বর্গরাজ্য’ পলিটেকনিক-বাংলাবাজার সড়ক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের পলিটেকনিক-বাংলাবাজার সড়কটি একের পর এক দখলে চলে যাচ্ছে। এছাড়া ফুটপাত-সড়ক দখল করে দোকান নির্মাণ আর পুরো এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি রিকশার দৌরাত্ম্যে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।দখলদারদের ‘স্বর্গরাজ্যে’ পরিণত হওয়া এই চার লেনের সড়কের দুই পাশে বানানো হয়েছে কাভার্ডভ্যান, টেম্পো, সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড। বাজার, গ্যারেজ ও ওয়াশিং পয়েন্ট তৈরি করে অবৈধভাবে চলছে বাণিজ্যিক কার্যক্রম।

সরেজমিন দেখা গেছে, বাংলাবাজারে গাড়ি চলাচলের পথ বন্ধ করে বসানো হয়েছে কাঁচাবাজার। আল আমিন মসজিদ থেকে বিএসআরএমের গোডাউন পর্যন্ত এলাকায় সড়কের দুই পাশে দাঁড়ানো কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, টেম্পোর লম্বা সারি। টেক্সটাইল মোড়, টেকনিক্যাল মোড়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত রিকশার স্ট্যান্ড। পুরো সড়কের ফুটপাত দখল করে ভাতের দোকান, চায়ের দোকান এবং হকার বসা।

স্থানীয়দের অভিযোগ-সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আর পুলিশকে ‘ম্যানেজ করে’ পলিটেকনিক-বাংলাবাজার সড়ককে নিজেদের ‘সম্পত্তিতে’ পরিণত করে ফেলেছেন দখলদারেরা। রাজনৈতিক দলের পরিচয় আর প্রভাবশালী নেতাদের নাম ব্যবহার করে এসব কাজ করছেন তারা। ফলে জনগণের করের টাকায় বানানো এ সড়ক এখন আর জনগণের ব্যবহারের উপযোগী নেই। দখলদারদের দখলে চলে গেছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি কর্পোরেশনের উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা বলেন, সড়ক দখল করে অন্যকিছু করার সুযোগ নেই। দ্রুত অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। সড়ক দখলমুক্ত করা হবে বলে তিনি জানান।
জানতে চাইলে গ্রিনভ্যালি আবাসিক এলাকার বাসিন্দা রিয়াজুল করিম জানান, দেশে রাজনৈতিক পালাবদল হলেও দখলদারেরা পরিবর্তন হয়নি। তারা ফুটপাত দখলের পর এখন সড়ক দখল করেও ব্যবসা করছে। মাত্র ১ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটি ঘুরে দেখলে- মনে হয় না নগরে কোনো প্রশাসন আছে।

অবৈধ ব্যাটারি রিকশা আর গ্রাম সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন আরেক স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল কবির। তিনি বলেন, যেমন খুশি তেমন স্টাইলে চলে এসব বাহন। সারাক্ষণ টেনশনে থাকি। কখন না চালকেরা গায়ের ওপর তুলে দেয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ