আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

কবরস্তানে বাড়ী নির্মাণের পরিকল্পনা

রাজশাহী সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর তানোরে কবরস্থান দখল করে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। পৌর সদর তানোর মোল্লাপাড়া পাড়া গ্রামে ঘটে রয়েছে এমন ঘটনা। এ ঘটনায় অসহায় রহিমা বেগম বাদি হয়ে সাজু তার ভাই আফজাল ও আজমতকে বিবাদী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়াও রাজশাহীর সিনিয়র জজ আদালতে জমি সংক্রান্ত প্রবেট মামলা চলমান। যার মোকদ্দমা নং টিএল ৫/২০২৩, মূল মোকদ্দমা নং মিস ৫২/২০১৪ ইং। এঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে এক প্রকার উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, তানোর গ্রামের রাস্তার পূর্ব দিকে জায়গা বাড়ি নির্মাণের জন্য খনন করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি গাছ কাটা হয়। ওই জায়গায় চারটি কবর রয়েছে। জায়গার পূর্ব দিকে অসহায় রহিমা বেগমের বাড়ি। তার বাড়ির উত্তরে আজমত ও সাজুদের বাড়ি। সেখানেই কয়েকজন বয়োজ্যেষ্ঠ লোক ছিলেন তারা জানান এই জায়গার উপরে চারটি কবর ছিল এবং গাছ কেটে বাড়ি নির্মাণের জন্য খনন করেছে। যেখানে কবর আছে সে জায়গায় কিভাবে বাড়ি হয় এমন প্রশ্ন তাদের।

জানা গেছে, রহিমা বেগমের স্বামী মারা যাওয়ার আগে বিগত ১৯৯৫ সালে জমি দান করেন। অবশ্য তাদের সংসারে কোন সন্তান ছিল না। মারা যাওয়ার আগে স্ত্রী রহিমা বেগমকে সাড়ে ৬ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়। কিন্তু দলিলে উল্লেখ থাকে জীবিত অবস্থায় কোন দাবি দাওয়া করতে পারবে না। রহিমা বেগমের স্বামী মিরচান মারা যাবার পর তার ওয়ারিশ ভাতিজা জালিয়াতি করে সাড়ে ৬ শতাংশ জমি বিক্রি করে দেন সাজু, আফজাল ও আজমতের কাছে। জমির সঠিক মালিকানা পেতে বিগত ২০১৪ সালে সিনিয়র জেলা জজ আদালতে প্রবেট মামলা করেন রহিমা বেগম। মামলাটি চলমান রয়েছে। এঅবস্থায় রবিবার সকালের দিকে ওই জায়গায় বাড়ি নির্মাণের জন্য খনন করতে লাগলে ৯৯৯ কল করেন অসহায় রহিমা বেগম। সাথে সাথে পুলিশ গিয়ে বন্ধ করে দেয়।

রহিমা বেগম কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার স্বামী আমাকে জায়গার দলিল করে দিয়েছে। জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। মামলায় আমি হেরে গেলে সেচ্ছায় জায়গা ছেড়ে দিব। কারন আমার লাঠি নাই, কথা বলার লোক নাই, আমি তো তাদের সাথে মারপিট করতে পারব না। আমার স্বামী সহ মোট চারটি কবর আছে। আমি মারা গেলে এখানেই কবর দিতে হবে। তারা জায়গাটা জবর দখল করলে কবর দেয়ার জায়গা থাকবে না।

অভিযুক্ত আজমত জানান, ওই মহিলার কিছুই নেই,কখনো পুলিশ আনছে। এসব করে কোন লাভ হবে না। কারন দলিল যার জায়গা তার। আদালতে মামলা চলছে কিভাবে জমির দখল নিতে চান জানতে চাইলে তিনি জানান, কিসের মামলা, আমাদের দলিল আছে, বাড়ি করব পারলে কেউ যান ঠেকাই বলেও দাম্ভিকতা দেখান।

ওসি আফজাল হোসেন জানান, আদালতে মামলা চলমান অবস্থায় জায়গায় কোন স্থাপনা নির্মাণ করা যাবেনা। করলে আদালত অবমাননা করা হবে। বিষয় টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ