আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

কালিয়াকৈরে চাপাইর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত: অধিকার আদায়ে সংহতি ও অঙ্গীকার

কালিয়াকৈর(গাজীপুর)প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও মজবুত করার প্রত্যয়ে গতকাল বুধবার বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ২ নং চাপাইর ইউনিয়ন শ্রমিক দল এক প্রাণবন্ত কর্মী সভার আয়োজন করে। চাপাইর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভায় শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
চাপাইর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ বাচ্চু মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক এবং কালিয়াকৈর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ মিনার উদ্দিন।

চাপাইর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহজাহান সিরাজের দক্ষ সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ কিরণ মাহমুদ, নাসির উদ্দিন দেওয়ান, জহিরুল ইসলাম জহির,মোঃ ওমর ফারুক, মোঃ জামাল হোসেন মন্ডল, বিপুল খান, এস.এম জয়নাল হক, মোসাঃ শাহিদা বেগম সহ ইউনিয়নের ১ থেকে ৯ নং ওয়ার্ডের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়াও, সংগঠনকে আরও গতিশীল এবং জনমুখী করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। নেতৃবৃন্দ আগামী দিনে শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তাদের বক্তব্যে ফুটে ওঠে শ্রমিক সমাজের প্রতি গভীর সংহতি এবং অধিকার আদায়ে অবিচল সংকল্প প্রতিফলন ঘটে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার বেড়ায় রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা বেড়া উপজেলার বড়শিলা গ্রামের এক বৃদ্ধ রিকশা চালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২০ মার্চ সকালে বেড়া উপজেলা বড়সিলা গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে ফজলু রহমান (৫৫) নামে এক ভ্যান রিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে বেড়া থানা পুলিশ। নিহত বৃদ্ধ পৌরসভার হাতিগাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌরসভা এলাকার বড়শিলা গ্রামে ধানের ক্ষেত থেকে বৃদ্ধ রিকশা চালকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশ কে খবর দেয়।

বেড়া থানার অফিসার ইনচার্জ নিতাই চন্দ্র জানান, থানা পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ