আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

বেকারত্ব কমাতে ফিরতে হবে শহীদ জিয়ার পররাষ্ট্রনীতিতে: চসিক মেয়র।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলোর সাথে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের যে পথ সুগম করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সে পথে হাটলে দেশের বেকারত্ব হ্রাস পাবে বলে মনে করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সকালে খুলশী, পাহাড়তলী ও আকবর শাহ থানা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে শহীদ ওয়াসিম আকরাম পার্কের নামফলক উন্মোচন ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি

উদ্বোধনকালে তিনি জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে মুসলিম দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পক্ষে মত দেন।
দিনব্যাপী কর্মসূচি খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে শুরু হয়। সকালে শহীদ ওয়াসিম আকরাম পার্কের নাম ফলক উন্মোচন ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
চট্টগ্রাম জেলা ড্যাবের যুগ্ম সম্পাদক ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুনের সঞ্চালনায় সকাল ১০টায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচী উদ্বোধন করেন

অর্ন্তর্বতীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য সংস্কার বিষয়ক কমিটির বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্য প্রফেসর ডাঃ সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক ভিপি হারুনুর রশিদ হারুন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম নছরুল কদির, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ- উপাচার্য (প্রসাশন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপস্থাপক প্রফেসর মো. শাহ আলম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু, কেন্দ্রীয় রেলওয়ে শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এম আর মঞ্জু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জমির উদ্দিন নাহিদসহ নেতৃবৃন্দ।

মেয়র বলেন, জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শন ছিল মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি রক্ষা করা। এই নীতির ফলে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে। আমাদের জাতীয় আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস রেমিট্যান্স। আজ যে সংকটময় সময় অতিক্রম করছি, তাতে রেমিট্যান্সই অর্থনীতির বড় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়া দেশের শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তাদের বিদেশে কাজের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আজও তার সেই কূটনৈতিক কৌশল অনুসরণ করলে আমরা বৈদেশিক কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারবো, যা তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন জিয়াউর রহমানের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টার কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানই প্রথম সার্ক গঠনের প্রস্তাব দেন। এমনকি ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এভাবেই মুসলিম বিশ্বের আস্থাভাজন হয়ে তিনি বাংলাদেশকে কূটনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন। এই নীতির ফসল আজও আমরা ঘরে তুলছি রেমিট্যান্সের মাধ্যমে।

তিনি আরও যোগ করেন, দেশের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো দিয়ে হয় না, মানবসম্পদের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই কর্মসূচি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং একটি বার্তা, আমরা জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার আশা প্রকাশ করেন তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আমাদের অনেক নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে। আমরা এখনো পর্যন্ত তাদের স্মৃতিস্মরণে স্মৃতিসৌধ বা পার্ক করতে পারিনি। তাই আমরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের নামে পার্ক করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ