গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে পেশাজীবীদের সোচ্চার অংশগ্রহণ জনগণকে আশা জুগিয়েছিল

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ, চট্টগ্রাম'র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি), চট্টগ্রাম শাখার আয়োজনে আজ শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি কনফারেন্স হলে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, সাংবাদিক, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, আইনজীবীসহ পেশাজীবি প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি। এবং সঞ্চালনা করেন বিএসপিপি চট্টগ্রামের সদস্য সচিব ডা.খুরশীদ জামিল।

সভায় বক্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে পেশাজীবীদের করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় পেশাজীবীদের সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই নতুন করে গণজাগরণের প্রতীক হয়ে উঠেছে। এই মাসে জনগণের মধ্যে জোরালো প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে দফায় দফায় আন্দোলন, এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর একচেটিয়া ব্যবহার নিয়ে।

এই ক্রান্তিকালে দেশের বিবেক বলে পরিচিত সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (বিএসপিপি) সামনে আসে জাতিকে পথ দেখাতে। তারা চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী অসংখ্য কর্মসূচি গ্রহণ করে এবং স্পষ্ট ভাষায় সরকারের নিপীড়নের বিরুদ্ধে জীবনবাজি রেখে প্রতিবাদ করেন।

চট্টগ্রামে পেশাজীবী মতবিনিময় সভা:জুলাই বিপ্লব স্মরণে কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এই মতবিনিময় সভায়। এছাড়া বক্তারা
বিএসপিপির পক্ষে বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
অবিলম্বে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।

চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য মোঃ নসরুল কদির চৌধুরী বলেন, “জনগণের আকাঙ্ক্ষা হচ্ছে সুশাসন ও গণতন্ত্র। পেশাজীবীদের নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জনগণের পাশে দাঁড়ানো।”

ডা. খুরশীদ জামিল বলেন, স্বাস্থ্যখাতে রাজনীতির থাবা সাধারণ রোগীদের জীবনকে বিপন্ন করেছে। আমরা চিকিৎসকরা সবার আগে মানুষের পক্ষে কথা বলব।”

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের পক্ষ থেকে আমরা বলতে চাই—আমরা আর চুপ করে থাকব না। আমরা সত্য বলব, জনগণের কথা বলব, এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব।

এই জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুনভাবে শেখাচ্ছে—কীভাবে সাহসিকতা ও নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে হয়। আমরা চাই, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত হোক।”

চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবদুস সাত্তার বলেন,জুলাই বিপ্লবে চট্টগ্রামের আইনজীবীদের সাহসী ভূমিকা ছিল। জুলাই মাসে যখন দেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে পড়েছিল, তখন দেশের অন্যান্য শ্রেণির পেশাজীবীদের পাশাপাশি চট্টগ্রামের আইনজীবীরা অসামান্য সাহসিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁরা আদালতের ভেতরে ও বাইরে—উভয় ময়দানে ছিলেন সোচ্চার। সাধারণ মানুষের আইনি অধিকার, গ্রেপ্তারকৃত রাজনৈতিক কর্মী ও সাংবাদিকদের পক্ষে দাঁড়িয়ে আইনজীবীরা প্রমাণ করেছেন—ন্যায়বিচার ও সংবিধান রক্ষার শেষ ভরসাস্থল এখনো জীবিত।

অনুষ্ঠানের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, এই মুহূর্তে পেশাজীবীদের ঐক্যই পারে দেশকে নতুন গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে। আর সেই ঐক্য ও সংগ্রামে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ডা. জসিম উদ্দিন, ডা. তমিজ উদ্দিন, ডা. ইছা চৌধুরী, ডা. সারোয়ার আলম, ডা. ইমরুজ উদ্দীন, ডা. শামীম আলম মামুন, ডা. মোনায়েম ফরহাদ, ডা. সাকিরুর রশীদ, ডা. হাসান উল বান্না, ডা. সায়েফ উদ্দিন সোহাগ, ডা. রিফাত কামাল রনি, ডা. আসিফ এবং ডা. তাশফীদ।

চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি ও বিচার অঙ্গনের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান আলী চৌধুরী, মহানগর পিপি মফিজুল হক ভুঁইয়া, আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, স্পেশাল পিপি এম ইউ নুরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট জহুরুল আলম, তৌহিদুল ইসলাম, নুরুল করিম এবং মো. ওসমান।

প্রকৌশলী প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার সেলিম মো. জানে আলম, ইঞ্জিনিয়ার মো. কামরুজ্জামান, ইঞ্জিনিয়ার মো. শহীদুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মো. আমিনুর রহমান (সুমন), ইঞ্জিনিয়ার মিসবাউল আলম, ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ আলম এবং ইঞ্জিনিয়ার মামুনুল বাশরী।

সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুস্তফা নঈম (বিশেষ প্রতিনিধি ও ব্যুরো চীফ, চট্টগ্রাম, কালের কণ্ঠ), সালেহ নোমান সাধারন সম্পকদক সিএমইউজে, হাসান মুকুল (চট্টগ্রাম ব্যুরো চীফ, দিনকাল), এবং জাহাঙ্গীর আলম (চট্টগ্রাম ব্যুরো চীফ, বিজনেস বাংলাদেশ)।

ব্যাংকার প্রতিনিধি ছিলেন মেহেরাজ হোসেন খান এবং মিনহাজ উদ্দীন আহমেদ।শিক্ষক সমাজের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন এম এন শাপা ও মো. আবদুল হক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সমাজকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তি লায়ন জসিম উদ্দীন, সালাহ উদ্দীন আলী প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন বাতিলে ল’ফার্ম নিয়োগ হয়েছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার পর সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিল এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । দুবাইয়ে একটি আন্তর্জাতিক ল’ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করার জন্য।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।রোববার ২ আগস্ট রাজশাহীতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন-সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন—বিষয়টি আমরা জেনেছি। তার জামিন আদেশ বাতিলের জন্য বাংলাদেশ সরকার দুবাইয়ে একটি ল’ফার্ম নিয়োগ করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চিংড়ি প্রকল্পের দখল নিয়ে শেষ রাতে গোলাগুলি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিংড়ি প্রকল্পের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধসহ গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সরল ইউনিয়নের উত্তর সরল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন তাজুরঘোনা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, গোলাগুলির ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ থেকে ১০ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে এর মধ্যে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি থাকলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, স্থানীয়ভাবে তৈরি একনলা বন্দুক দিয়ে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, এলাকায় নতুন করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে শান্ত থাকার এবং অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাজুরঘোনা এলাকার একটি চিংড়ি প্রকল্পের মালিকানা ও দখল নিয়ে স্থানীয় কবির গ্রুপ ও মনসুর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাতে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে একপক্ষ অন্যপক্ষকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে কয়েকজন পথচারীসহ সংঘর্ষে লিপ্ত ব্যক্তিরা গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী দল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। অভিযানে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) মো. ইব্রাহীম, আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান ও বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হকসহ জেলা পুলিশের একটি বড় দল অংশ নেয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ