আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

নেত্রকোনার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের চামড়া অবিক্রিত

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল, নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার ট্যানারি কারখানাগুলোর আগ্রহের অভাবে কোরবানির চামড়া বিপণনে মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। নেত্রকোনার কলমাকান্দাসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহ এলাকার বিভিন্ন উপজেলায় মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোতে শত শত পশুর চামড়া অবিক্রীত পড়ে রয়েছে।

কলমাকান্দা উপজেলার জামিয়া দীনিয়া মারকাজ মাদ্রাসা এবারে কোরবানির ৬০০ চামড়া সংগ্রহ করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ঢাকার কোনো ট্যানারি কিনতে আগ্রহ দেখায়নি। চামড়াগুলো লবণ দিয়ে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতি বছর এই চামড়ার বিক্রয়লব্ধ অর্থে শিক্ষার্থীদের খরচ, হোস্টেল মেরামতসহ নানাবিধ ব্যয় মেটানো হয়। এবার তা অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

মাদ্রাসার মোহতামিম মুফতি শফিকুর রহমান বলেন, আমরা চামড়াগুলো বিক্রি করে মাদ্রাসার খরচ চালিয়ে থাকি। কিন্তু এবার বিক্রি করতে না পারায় চরম দুশ্চিন্তায় আছি। বেশি দিন সংরক্ষণ করাও সম্ভব নয়।

স্থানীয়রা বলছেন, চামড়ার বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব এবং ঢাকার ট্যানারিগুলোর ন্যায্য মূল্য না দেওয়ার কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে।

জানা গেছে, চামড়া না কেনার কারণ হিসেবে ট্যানারিগুলোর —কাঁচা চামড়া সংরক্ষণের সীমাবদ্ধতা, রপ্তানির জটিলতা, মূল্য নির্ধারণে অস্বচ্ছতা ও কেন্দ্রীয় সিন্ডিকেটের চাপ। সাভারের অধিকাংশ ট্যানারিতে এখনো আধুনিক প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হয়নি। এতে অতিরিক্ত চামড়া নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

চামড়ার বাজার নিয়ন্ত্রণে একটি অসাধু চক্র কাজ করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফলে প্রতি বছর কোরবানির মৌসুমে বিপুল পরিমাণ চামড়া মাঠেই পচে যায়—জাতীয় অর্থনীতিও বঞ্চিত হয় সম্ভাব্য আয় থেকে।

সচেতন মহল বলছে, সরকারি নির্ধারিত দাম থাকলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয় না। দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে সংগ্রহ কেন্দ্র চালু ও ট্যানারিদের বাধ্যতামূলক চাহিদা তালিকা তৈরির দাবি উঠেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ