আজঃ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মুরগির দাম, সবজির দাম বেড়েই চলছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:চট্টগ্রামে মুরগির দাম, সবজির দাম বেড়েই চলছে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দাম বেড়েছিল ব্রয়লার মুরগির। সেই শুরু; আশুরা শেষ হলেও কমেনি মুরগির দাম। উল্টো বেড়েই চলেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে সামনের কয়েকদিনে দাম আরও বাড়তে পারে।

তবে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে প্রশাসনের কোন তদারকি নেই। সেই সুযোগে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়ানো শুরু করেছে। বহদ্দারহাট ও দুই নম্বর গেটের কর্ণফুলী কমপ্লেক্স কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি আগের চেয়ে ৫-১০ টাকা বেড়েছে। এতদিন সোনালি মুরগির দাম না বাড়লেও এবার সেটিও বেড়েছে প্রতিকেজিতে ১০ টাকার বেশি। এখন সোনালি মুরগি বিক্রি করা হচ্ছে ৩২০-৩০ টাকায়।

জানতে চাইলে কর্ণফুলী কমপ্লেক্সের ইফাজ ইফরান পোল্ট্রি ফার্মের প্রোপাইটর মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, ব্রয়লার মুরগি আমাদের এখন ১৪৫-১৪৭ টাকায় কিনতে হচ্ছে। যা আগে ১৩৫-১৪০ টাকা কেনা পড়তো। সেজন্য এখন প্রতিকেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। অন্যদিকে, সোনালি মুরগি কিনতে হচ্ছে ৩১০ টাকায়। সেজন্য এই মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি করছি।

দাম বাড়ার বিষয়ে মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, খামারিরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন আমাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে বেশি দামে বিক্রিও করতে হচ্ছে। সামনে নাকি আরও দাম বাড়তে পারে। তবে অন্যান্য পণ্যের দাম আগের মতোই আছে। পেঁয়াজ ৫৫-৬০, রসুন ১৪০-১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েকরকম সবজির দাম কিছুটা কমেছে, আবার কিছুর দাম বেড়েছে। আলু ২৫, কাঁকরোল ৮০, বরবটি ৫০-৬০, ঢেঁড়স ৫০-৬০, মরিচ ৬০-৭০, বেগুন ৬০-৭০, পটল ৪০-৫০, মরিচ ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চিংড়ির দাম অপরিবর্তিত আছে; প্রকারভেদে ৭০০-১২০০ টাকা, জীবন্ত রুই-কাতলা ৪০০-৪৮০, তেলাপিয়া ২০০-২২০, ইলিশ আকারভেদে ১৬৫০-২৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, কোরবানির পর থেকে অস্থির চালের বাজার এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

বাজারে প্রশাসনের তদারকি না থাকার সুযোগে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষাকারী সংগঠন ক্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন। তিনি বলেন, সিন্ডিকেটের কারসাজিতে মুরগির দাম বেড়েই চলেছে। কিন্তু প্রশাসন এখনও তদারকি কার্যক্রম শুরু করেনি। দ্রুত কার্যকর তদারকি কার্যক্রম না চালালে দাম আরও বাড়বে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজ থেকে খালাসের অপেক্ষায় ২১ লাখ টন ভোগ্যপণ্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রমজান মাসের চাহিদা মেটাতে আমদানি করা ভোগ্যপণ্য খালাসে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। পণ্য সংরক্ষণে পর্যাপ্ত গুদাম না পাওয়া এবং আমদানি বেড়ে যাওয়ায় লাইটার জাহাজের চাহিদাও বেশি থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থানরত ৪৬টি জাহাজে মোট ভোগ্যপণ্যের পরিমাণ ২৩ লাখ ৪৬ হাজার টন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল পর্যন্ত এসব জাহাজ থেকে ১১ লাখ টন ভোগ্যপণ্য খালাস করা হয়েছে।

খালাসের অপেক্ষায় ছিল প্রায় ১২ লাখ টন। এছাড়া ২৫টি গমবোঝাই জাহাজে আমদানি হয় সাড়ে ১৩ লাখ টন গম। খালাস হয়েছে ৬ লাখ টন। ছোলা, মসুর ডাল ও মটর ডালবোঝাই ৭টি জাহাজে আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার টন, খালাস হয়েছে দেড় লাখ টন।
৯টি জাহাজে আছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার টন তেলবীজ, যার মধ্যে খালাস হয়েছে তিন লাখ টন।চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন বড় জাহাজ থেকে গড়ে ৫০-৬০ হাজার টন ভোগ্যপণ্য লাইটার জাহাজে স্থানান্তর করার পর বিভিন্ন ঘাটে নিয়ে গিয়ে খালাস করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভোগ্যপণ্যের আমদানি বাড়লেও অনেক প্রতিষ্ঠানের পর্যাপ্ত গুদাম নেই। এ কারণে লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস করতে সময় লাগছে।


বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল (ডব্লিউটিসিসি) এর তথ্যমতে, দেড় মাস ধরে দেশের বিভিন্ন ঘাটে পণ্য খালাসের জন্য আটকে আছে ২৬৫টি লাইটার জাহাজ। এর মধ্যে ভোগ্যপণ্যবোঝাই লাইটার জাহাজ ১২২টি। আগে প্রায় ১২০০টি লাইটার জাহাজ পণ্য বোঝাই করতো। এখন জাহাজের সংখ্যা কমে ১ হাজার ২২টিতে এসেছে।এমএসটি মেরিন এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপক মেজবাহ উদ্দিন জানান, অনেক আমদানিকারকের গুদাম না থাকায় তারা লাইটার জাহাজ থেকে দ্রুত পণ্য খালাস করতে পারছে না।

১১৮৮ টন ভারতীয় চাল সোনা মসজিদ বন্দর দিয়ে আমদানি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে আবারও চাল আমদানি শুরু হয়েছে। ভারত থেকে ১ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল সোনা মসজিদ বন্দর দিয়ে প্রবেশ করে।এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পানামা সোনা মসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান।

তিনি জানান-আমদানির অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৪ জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১ হাজার ১৮৮ মেট্রিক টন চাল বন্দরে প্রবেশ করেছে।
এদিকে সোনা মসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ জানান-গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এ বন্দর দিয়ে ৫৬৩ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় সোনা মসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

আলোচিত খবর

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে।শেখ আব্দুর রশিদ বলেন- নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই পড়াবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ